লেডি_হ্যাকারের_সাইকোগিরি #পর্ব_১

#লেডি_হ্যাকারের_সাইকোগিরি
#পর্ব_১
#লেখক_আকাশ_মাহমুদ

শহরের নাম করা এগারোজন ভয়ংকর হ্যাকার একই সাথে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে!কারন তাঁদের সমস্ত সিকিউরিটি সিস্টেমকে অন্য এক হ্যাকার হ্যাক করে নিজের আয়ত্তে করে রেখেছে।কেউ তাঁদের নিজস্ব কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারছে না।সবার কম্পিউটারের উপরে একটা লিখাই রান করছে,যা হলো “M.B.Z”সবার কম্পিউটারের স্ক্রিনে একই লিখা দেখে তাঁদের বুঝতে বাকি নেই,যে তাঁদের সবার সিকিউরিটি সিস্টেমকে একজন ব্যাক্তিই ভেঙ্গে ফেলেছে!সবার বুকের ভিতরে ধুপধুপ করছে!কারন তাঁদের কম্পিউটার হ্যাক করে নেওয়া মানে দেশের অনেক তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়া।এই এগারোজন হ্যাকার কালো জগতে বেস্ট ইলেভেন নামে পরিচিত।তাঁদের নামেই পুরো ডার্ক সাইড চলে।তবে তারা দেশের স্বার্থেও বিভিন্ন সময় কাজ করে।দেশের সিকিউরিটি সিস্টেমকে তারা আড়ালে থেকে প্রটেক্ট করে।কিন্তু এখন তাঁদের কলিজাতেই পানি নেই!কারন তাঁদের কম্পিউটারে দেশের অনেক মূল্যবান তথ্য রয়েছে।তারা সবাই কান্না করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছে।কারন তারা সবাই এক জিনিসকেই ভয় পাচ্ছে,যে সেই হ্যাকার যদি সরকারি কোনো তথ্য ফাঁস করে দেয়,তাহলে প্রশাসন তাঁদেরকে ছাড়বে না।সোজা ধরে নিয়ে গিয়ে আজীবন লোহার কুঠরীতে আটকাবে।ঠিক তখনি উপর থেকে ফোন আসে।এবার আরো ধুপধুপ করছে তাঁদের বুক!কারন তারা যেটা নিয়ে ভয় পাচ্ছিলো সেটাই হয়েছে।তাও ভয়ে ভয়ে বেস্ট ইলেভেন হ্যাকারের লিডার ফোনটা রিসিভ করে।যার নাম হলো রবার্টস…

–জ্বি স্যার বলুন….

–রবার্টস কি সব শুনছি আমি?
তোমাদের সিকিউরিটি সিস্টেম নাকি কেউ একজন হ্যাক করে নিয়ে গিয়ে তার ক্লোন তোমাদের কম্পিউটারের উপরে ছেড়ে দিয়েছে?

রবার্টস চুপ হয়ে আছে।

–কি হলো কথা বলছো না যে?

–জ্বি স্যার কেউ একজন আমাদের সিকিউরিটি সিস্টেমকে হ্যাক করে নিয়েছে।

–রবার্টস কি করে সম্ভব এটা?দেশের সব চাইতে হাই টেকনোলজি তোমাদের কাছে।তাও কি করে অন্য এক হ্যাকার তোমাদের সিস্টেম কে হ্যাক করে?

–স্যার সেটা তো আমরাও বুঝে উঠতে পারছি না।

–রবার্টস তোমাদের কাউকেই আমি ছাড়বো না যদি দেশের কোনো তথ্য সেই হ্যাকার লিগ করে দেয়।

–স্যার প্লিজ আমাদেরকে একটু সময় দিন।আমরা সমস্ত কিছুকেই ঠিক করে নিব।

–যা করবার করো,কিন্তু আমি যেটা বলেছি সেটাই হবে,যদি সেই হ্যাকার কোনো তথ্য পাবলিক করে।আর তোমরা এখুনি ডার্ক সাইড থেকে নিজেদের নাম মুছে ফেলো।কারন তোমাদের মতন হ্যাকারের আর কোনো ভ্যালু নেই এখন।এতো বড় নাম নিয়ে ডার্ক ওয়েবে বসে আছো,অথচ নিজেদের সিকিউরিটি সিস্টেমকেই তোমরা ঠিক ভাবে সামলাতে পারো না।

–স্যার প্লিজ এমনটা করবেন না।আমরা সত্যিই কিছু সময়ের মাঝে সমস্ত সিস্টেমকে আবার নিজেদের আয়ত্তে করে নিব।

–না,আমি তোমাদের কোনো কথাই শুনবো না।
আমি যেটা আদেশ করেছি সেটাই করবে তোমরা এখন।আর না হয় কিন্তু সস্তা হ্যাকার বলে বাজারে বিক্রি করে দিব তোমাদেরকে।তারপর তো বুঝতেই পারছো যে কি হবে তোমাদের।একদম আজীবন জেলের ভাত খেতে হবে।

–না,না,স্যার আমরা কালো দুনিয়া থেকে নিজেদের নাম মুছে দিচ্ছি।আপনি প্লিজ ওসব করবেন না।

–হুম তাড়াতাড়ি…

উপর থেকে এমন ভয়ানক আদেশ পেয়ে রবার্টস এবং তার সাথী’রা আরো ঘাবড়ে যায়!তারা এখন কি ভাবে কি করবে কোনো আইডিয়াই নেই তাঁদের কাছে!

অন্যদিকে আকাশ কলেজ থেকে ক্লাস শেষ করে বরে হয়েছে।তখনি তার কাছে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে।সে পকেট থেকে ফোনটা বের করে রিসিভ করে।

–হ্যালো কে বলছেন..

–আমি জেমস বলছি।

–কোন জেমস চিনলাম না তো।

–ওয়েট ওয়েট চিনবে।আগে তোমায় আমি নিজের পরিচয় দেই।তার আগে বলো,কিছুদিন আগে একটা আইসিটি সেমিনারে বিজয়ী হয়েছিলে তুমি সেই আকাশ না?

–জ্বি আমি সেই ব্যাক্তি।

–তোমার সেই সেমিনারে বিচারক হিসেবে একজন ব্যাক্তি ছিলো জেমস নামক।আমিই সেই ব্যাক্তি।

–ওহ স্যার,কেমন আছেন আপনি…

–আছি কোনো রকম।তবে বেশি একটা ভালো নেই।

–কেন স্যার?

–আসলে একটা সমস্যায় পড়ে তোমায় ফোন করোছি।

–জ্বি স্যার বলুন কি সমস্যা।আমি কি ভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।

–হ্যাঁ বলবো,কিন্তু তুমি সেই বিষয়ে কাউকেই কিচ্ছু বলতে পারবে না।

–ঠিক আছে স্যার বলবো না।

–তুমি হয়তো বেস্ট ইলেভেনের নাম শুনেছো,যারা ডার্ক ওয়েভের বেস্ট একটা টিম।

–জ্বি স্যার অবশ্যই শুনেছি,আর তাঁদের কাজের দ্রুততা সম্পর্কেও আমি জানি।বর্তমান সময়ে ডার্ক ওয়েবে অনেক ভয়ংকর একটা টিম এই বেস্ট ইলেভেন।

–আমি সেই টিমের মেইন লিডার।বেস্ট ইলেভেন আমার কমান্ডেই কাজ করে।কিন্তু কিছুক্ষণ আগে অন্য এক হ্যাকার এসে বেস্ট ইলেভেনের পুরো সিকিউরিটি সিস্টেমকে উড়িয়ে দিয়েছে।এবং বেস্ট ইলেভেনের সমস্ত কিছুই সে নিজের অধীনে করে রেখেছে।বেস্ট ইলেভেনের কোনো কর্মীই তাঁদের কম্পিউটার ওপেন করতে পারছে না।সবার কম্পিউটার এই সেই হ্যাকার নিজের আয়ত্তে নিয়ে রেখেছে।সো তুমি কি আমাকে সেই বিষয়ে কোনো ধরনের সাহায্য করতে পারবে?
কারন তোমার কাজের কিছুটা দক্ষতা সেদিন আমি দেখেছি।

–স্যার বেস্ট ইলেভেনের মতন টিমকে যখন সেই হ্যাকার নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে,তাহলে আমি তো তার কাছে দুধের বাচ্চা।তবে হ্যাঁ আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি।হয়তোবা কিছু একটা করতে পারবো আপনাদের জন্য।

–ঠিক আছে তুমি আমার অফিসে চলে এসো।আমি তোমায় ঠিকানা ম্যাসেজ করে দিচ্ছি।তারপর আমি তোমায় নিয়ে বেস্ট ইলেভেনের কাছে যাবো।কিন্তু মনে রেখো,তুমি সেই বিষয়ে কিন্তু কাউকেই কিছু বলতে পারবে না।কারন বেস্ট ইলেভেন হ্যাকারকে আজ পর্যন্ত কেউ নিজের চোখে দেখেনি।

–ঠিক আছে স্যার আমি কাউকেই বলবো না।
তারপর ফোনটা রেখে দিয়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে গন্তব্যের জন্য রওয়ানা হয়ে গেলাম।মানুষটা আমায় তার অফিসের ঠিকানা ম্যাসেজ করে দিয়েছে।সেখানে পৌঁছাতেই একজন লোক এসে আমায় সেই স্যারের কাছে নিয়ে গেলো।সেই স্যার আমাকে দেখেই বসতে বললো…

–আকাশ তুমি কি করতে পারবে বলো আমাদের জন্য।

–স্যার কি করতে পারবো জানি না!তবে আশা করি কিছু একটা আমি অবশ্যই করতে পারবো।তবে তার জন্য আমার সেই হ্যাক হওয়া কম্পিউটার গুলোর কাছে যেতে হবে।

–ঠিক আছে চলো তুমি আমার সাথে।

তারপর সেই জেমস নামক ব্যাক্তিটা আকাশকে নিয়ে বেস্ট ইলেভেনদের কাছে চলে যায়।আকাশ সেখানে গিয়ে পুরো থতমত খেয়ে যায়!কারন এতো হাই টেকনোলজি সে এর আগে কোনোদিন ও দেখেনি!এদিকে এগারোজন এখনো মাথায় হাত দিয়ে হায় হতাশ করছে!তখনি জেমস আকাশকে বলে..

–ঐ যে বেস্ট ইলেভেনের কক্ষ।সেখানেই তাঁদের সমস্ত কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে আছে।

–ঠিক আছে স্যার চলুন।
আকাশ সেউ কক্ষে প্রবেশ করতেই তার শরীরে কাটা দিয়ে উঠে!কারন বেস্ট ইলেভেনের কক্ষটা যেনো অন্যকার একটা দুনিয়া!আর এতো ভালোমানের কম্পিউটার দেখে তার মাথায় জ্যাম খেয়ে যায়!তাও সে চুপচাপ গিয়ে সেই কম্পিউটারের সামনে বসে।আর বেস্ট ইলেভেন এবং সেই জেমস নামক ব্যাক্তিটা সহ সবাই আকাশের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে।কিন্তু দুঃখের বিষয় বেস্ট ইলেভেনের সবাই মুখের উপরে জোকারের মাক্স পড়ে রেখেছে।সে তাঁদের ভিতর থেকে কাউকেই দেখতে পায়নি।কিন্তু তাতে তার কোনো আফসোস বা আক্ষেপ নেই।কারন তারো কিছুটা লুকায়িত পরিচয় আছে।তখনি জেমস বলে…

–নাও আকাশ কি করবে করো।

আকাশ শুরুতেই বিসমিল্লাহ বলে কম্পিউটারে হাত দেয়।কিন্তু তখনি সে দেখতে পায় সেই হ্যাকারের কোডিং টা।যেটা ছিলো “M.B.Z”সেই কোডিংটা দেখেই তার মাথা খারাপ হয়ে যায়!কারন Z নামের কোডিংটা তার পরিচিত।সে কম্পিউটার থেকে হাত সরিয়ে পাশেই থাকা টেবিলের উপর থেকে কলম হাতে নিয়ে নাচাতে শুরু করে।তার এমন অদ্ভুত আচরণ দেখে সেই জেমস নামক লোকটা তাঁকে বলে…

–আকাশ তুমি কি কিছু করতে পারবে না?

–স্যার পারা না পারা পরে,তবে স্ক্রিনে যেই কোডিংটা ভাসছে,আপনারা সেটার মানে জানেন কি?

–নাহ,আমরা তো এই কোডিং এর কোনো মানেই জানি না।

–স্যার কোডিংয়ের প্রথম দুই সংখ্যার মানে আমার জানা নেই।তবে “Z” মানে কি সেটা আমি অবশ্যই জানি।আর আপনারাও জানেন,তবে হয়তো মাথায় নেই।Z” মানে সেই সেই কুখ্যাত হ্যাকারের কোডিং নাম,যে কিনা ২০১৮ সালে পুরো ইন্টারনেট দুনিয়ায় আতংক ছড়িয়ে দিয়েছিলো!যে কিনা এক দিনে পুরো ডার্ক ওয়েবের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিলো!যে কিনা ডার্ক ওয়েব থেকে নিয়ে শুরু করে সোশ্যাল জগতের সমস্ত হ্যাকারকে একরাতেই নিজের জিম্মায় করে নিয়েছিলো!সেই হ্যাকারের কোডিং নামের আলফাব্যাট ছিলো”Z”!তারপর সে বহুদিন কালো জগতে রাজত্ব করেছিলো।পরে সে হটাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছে!আর তার পরে বেস্ট ইলেভেন কালো জগতে নিজের নামের আতংক ছড়ায়।কিন্তু এখনো সেই “Z”ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করলে সমস্ত হ্যাকারের মনে আতংক ধরে যায়।তাই তারা নিজেদের সমস্ত নাম নিশানা মুছে ফেলে ডার্ক ওয়েব থেকে।কারন তারা জানে যে তাঁদের কোনো ইনফরমেশন”Z”এর চোখে পড়লে তারা শেষ।

–হ্যাঁ এবার মনে পড়েছে!
ইন্না-লিল্লাহ তার মানে কি সেই “Z”এই এসব করেছে?

আকাশের মুখ থেকে “Z” এর ইতিহাস শুনে বেস্ট ইলেভেন সহ সবাই ঘাবড়ে যায়!কারন তারা ভালো করেই জানে যে “Z”কতোবড় মাফিয়া এই হ্যাকিং দুনিয়ার জন্য।

–স্যার সে আমি জানি না।তবে আমি দেখছি কি করা যায়।

তারপর আকাশ কম্পিউটার নিয়ে অনেকটা সময় ধরে গুতাগুতি করে।কিন্তু সে কোনোকিছুতেই কম্পিউটার অপেন করতে পারে না।এখনো সেই কম্পিউটারে”M.B.Z”রানিং করছে।আকাশের মাথা যেনো পুরোপুরি খারাপ হয়ে যাচ্ছে এসব দেখে!
তার সাথে সাথে সকলের মাথাই খারাপ হয়ে যাচ্ছে!অবশ্য তাঁদের মাথা আগ থেকেই খারাপ হয়ে আছে!
তখনি আকাশ বলে উঠে…

–স্যার আপনাদের কম্পিউটারের ইনফরমেশন কি আর কোনো জায়গায় সেভ করা নেই?

–হ্যাঁ আছে।

–তাহলে ঠিক আছে।

–কি ঠিক আছে আকাশ?

–স্যার আমায় আর দশটা মিনিট সময় দিন ভাবার জন্য।আপনারা প্লিজ আমায় একটু একা ছেড়ে দিন।

–ঠিক আছে আমরা সবাই চলে যাচ্ছি।

তারপর জেমস এবং বেস্ট ইলেভেন রুম ত্যাগ করে।
আর আকাশ ব্যাগ থেকে একটা খাতা বের করে টেবিল থেকে উঠিয়ে নেওয়া কলমটা দিয়ে কিছু একটা লিখে খাতার উপরে।তারপর কম্পিউটারে আবারো হাত দেয়।কিন্তু তাতেও কোনে কাজ হয়না।কিন্তু সে থেমে নেই।সে সোজা বেস্ট ইলেভেনের একটা কম্পিউটার উঠিয়ে নিয়ে সজোড়ে ফ্লোরের উপরে আছাড় মারে!তারপর সজোড়ে হাসতে থাকে!আর সাথে সাথেই বাকি দশটা কম্পিউটার চালু হয়ে যায়।আর তাঁদের মধ্যে থেকে সেই কোডিংটা চলে গিয়ে একটা ভিডিও চালু হয় একত্রিশ সেকেন্ডের।কিন্তু ভিডিওটাতে কোনো সাউন্ড নেই।ভিডিওটা শেষ হতেই সব কয়টা কম্পিউটার আগের ন্যায় ওপেন হয়ে যায়।
.
অন্যদিকে কিছু ভাঙ্গার পেয়ে সেই অফিসার সহ বেস্ট এলেভেন দৌড়ে আসে।তারা আসতে আসতেই সেই ভিডিও টা কেটে যায়।কিন্তু কম্পিউটারে ডেটাবেজ সেভ হওয়ার সিস্টেম টালু থাকায় অটো একটা ফাইল হয়ে সেই ভিডিওটা সেখানে সেভ হয়ে যায়।ভিডিওটা ছিলো কোনো একটা মেয়ের ভয়েস।অবশ্য ভয়েসটাতে অটো ম্যাকানিকাল টোন ব্যবহার করা হয়েছে।আকাশ তাড়াতাড়ি সেই ফাইলটা ওপেন করে ভিডিওটা আবার প্লে করে।আর সাইন্ড একদম বাড়িয়ে দেয়।কারন আগের বার সাউন্ড কম থাকায় কিছুই শুনতে পায়নি সে।তাই এবার সাউন্ড একদম বাড়িয়ে দিয়েছে।ভিডিওটাতে একটা মেয়ের মুখোশ পড়া ছবি উঠে আছে।আর ভিডিও সাউন্ডে একটা মেয়ের ভয়েস
বাজছে।মেয়েটা বেস্ট ইলেভেন কে ব্যঙ্গ করে ভয়েসটা পাঠিয়েছে।

–হে বেস্ট ইলেভেন,নাড়িয়ে দিয়েছি তোদের মাথা।
তোরা আমার তালাশ করিস না কখনো,কারন তোরা আমায় খুঁজে তো পাবিনা কখনো,খুঁজে পেলেও পাবি ব্যাঙের ছাতা।আবারো বলছি তালাশ করিস না তোরা আমার,না হয় কিন্তু নারী শক্তির কাছে হেরে গিয়ে কাটাবি তোরা মাথা।

সবাই ভয়েসটা শুনে বুঝে যায়,যে যেই মানুষটা তাঁদের কম্পিউটার হ্যাক করেছে সে একটা মেয়ে!কিন্তু কারোর এই যেনো বিশ্বাস হচ্ছে না,যে একটা মেয়ে তাঁদের মতন হ্যাকারের পুরো সিকিউরিটি সিস্টেম কে হ্যাক করে নিয়েছে!আর অন্যদিকে আকাশ সেই ভয়েস শুনে আবারো সজোড়ে হেঁসে উঠে!আর মনে মনে কিছু একটা চিন্তা করতে থাকে।

চলবে..?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here