দোলনচাঁপার_টানে,তৃতীয়_পর্ব

দোলনচাঁপার_টানে,তৃতীয়_পর্ব
দেবারতি_ধাড়া

গিয়ে দেখলো বেশ কয়েকটা ফুল গাছের আর কয়েকটা বাহারি গাছের টব বসানো আছে। কিন্তু যত্নের অভাবে আর জলের অভাবে টব গুলোর মাটিতে একেবারে ফাটল ধরে গাছ গুলো মরেই গেছে। তার মধ্যে একটা গাছই কেবল বেঁচে আছে, তাও তার বেশিরভাগ পাতাই শুকিয়ে গেছে। আর গাছের পাতা গুলো ধূলোতে ভরে গেছে। ওই গাছটাতেই দু-একটা কুঁড়িও ধরেছে। গাছ গুলোকে দেখে খুব মায়া হলো কিঙ্কিণীর। মনে মনে ভাবলো, “ইস্! কী অবস্থা হয়েছে গাছ গুলোর শুকিয়ে গিয়ে! এই একটা মাত্র গাছই কেবল বেঁচে আছে, তাও মনে হয় মরেই যাবে আর দু-একদিন জল না পেলে! বিকেলে এসে জল দিয়ে যাবো গাছটায়, যদি কোনো ভাবে বাঁচানো যায়! কী সুন্দর মিষ্টি গন্ধ ছড়াচ্ছে এই গাছটা থেকে চারিদিকে..” কিন্তু এটাও ভাবলো, “এই বাড়িটায় তো কেউ থাকেনা তাহলে এই গাছ গুলো কে বসিয়েছে?” পরক্ষণেই আবারও ভাবলো, “তাহলে হয়তো আগে যে স্যার বা ম্যাডাম যিনি থাকতেন, তিনিই বসিয়েছিলেন। উনি চলে যাওয়াতে হয়তো গাছ গুলো এভাবে অযত্নে পরে আছে!” ছোট থেকেই গাছ খুব ভালোবাসে কিঙ্কিণী। তাই ভাবলো গাছ গুলো যারই হোক বা যে-ই বসিয়ে থাকুকনা কেন, এখন যেহেতু ও থাকবে এই বাড়িতে, তাহলে ওই যত্ন নেবে আর পরিচর্যা করবে এই গাছটার। তারপর জামা কাপড় গুলো শুকনো করতে দিতে লাগলো। এদিকে নিচে দুপুরের খাবার নিয়ে চলে এসেছেন দুলাল বাবু। দুলাল বাবুর স্ত্রীই রান্না করে দিয়েছেন ওদের জন্য। কিঙ্কিণী জিজ্ঞেস করেছিলো যে এখানে ভালো হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা কোথায় আছে, কিন্তু দুলাল বাবু বলেছিলেন যে বাইরের হোম ডেলিভারির রান্না খেয়ে কিঙ্কিণীর শরীর খারাপ করতে পারে, তার থেকে ওনার স্ত্রীই বরং রান্না করে দেবেন। ওনার স্ত্রীও ছোটখাটো একটা হোম ডেলিভারির ব্যবসা করেন। তাই তাতেই রাজি হয়ে যায় কিঙ্কিণী।

-আপনাদের খাবারটা দিয়ে গেলাম কুশল বাবু.. কিঙ্কিণী ম্যডাম কী বাথরুমে নাকি? ওনাকে দেখতে পাচ্ছিনা যে..
-না না ও একটু ছাদে গেছে, ভিজে জামাকাপড় গুলো শুকনো করতে দিতে। ওকে কী কিছু বলতে হবে নাকি?

ছাদে গেছে শুনে দুলাল বাবুর মুখটা যেন কেমন ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। কী যেন ভাবতে লাগলেন উনি। সেটা দেখে কুশ আবার বললো,

-কী হলো দুলাল বাবু? কিছু বলছেননা যে?
-হ্যাঁ? না না! কিছু বলতে হবেনা! বলছি যে আপনি কী রাতে থাকবেন? মানে আপনার জন্য কী সন্ধ্যের জলখাবার বা ডিনার বানাতে বলবো?
-না না আমি লাঞ্চ করে একটু পরেই বেরিয়ে যাবো! আপনি শুধু কিঙ্কিণী আর কোকোর খাবারটাই দিয়ে যাবেন..

লাঞ্চ করে কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে নিলো কুশল..

-সাবধানে থাকবে কিঙ্কি.. কিছু অসুবিধা হলে আমাকে ফোন করবে সাথে সাথে.. আমি তো দেখেই গেলাম তোমার থাকার জায়গা, যখন তোমায় দেখতে ইচ্ছা হবে তখনই চলে আসবো!
-নাহ! তার কোনো দরকার নেই! এত দূর থেকে বারবার আসার কোনো দরকার নেই কুশ! আর রোজ ভিডিও কলে তো আমরা একে অপরকে দেখতেই পাবো..
-ওহ! এই ব্যাপার! বুঝেছি! শুধু ভিডিও কলে দেখলেই হয়ে যাবে তাইনা? আমি জানি তো তুমি আমাকে একটুও ভালোবাসোনা! তাই জন্যই আমাকে আসতে বারণ করছ!
-আমি তো আসতে বারণ করিনি কুশ.. যখন দুজনেরই ভীষণ মন খারাপ করবে তখন না হয় আসবে..
-থাক! আর আমার মন ভোলাতে হবেনা! বুঝেছি আমি..
-যাওয়ার সময় এত ঝগড়া করতে নেই কুশ.. আমি তো তোমার মধ্যেই আছি..
বলেই কিঙ্কিণী জড়িয়ে ধরলো কুশলকে। কুশল নিজের বুকের মধ্যে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো কিঙ্কিণীকে। তারপর আলতো করে স্নেহের পরশ এঁকে দিলো ওর গালে আর ঠোঁটে। কোকো দাঁড়িয়ে দেখছিলো ওদের মান অভিমানের পালা। কিন্তু ওকে আদর না করাতে ও কয়েকবার ঘেউ-ঘেউও করে উঠলো। তখনই ওদের নজর গেলো কোকোর দিকে। কুশ কিঙ্কিকে ছেড়ে নিজের কাছে ডাকলো কোকোকে। তখনই দৌড়ে এসে কোকো কুশের বুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। অনেক লম্ফ ঝম্ফ করার আর কুশের আদর খাওয়ার পর শান্ত হলো কোকো। আর দেরি না করে কুশ আরও একবার কিঙ্কিণীকে আলিঙ্গন করে গাড়িতে উঠে স্টার্ট দিয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে গেলো ধূলো উড়িয়ে..

এদিকে আকাশটা ভীষণরকম কালো হয়ে এসেছে বিকেলের দিকে। মনে হচ্ছে মুশলধারে বৃষ্টি আসবে! কিঙ্কিণী তাই ছাদ থেকে জামা-কাপড় গুলো তুলতে গেলো। জামা-কাপড় গুলো তুলতে তুলতেই বৃষ্টি এসেগেছে ঝিরঝির করে। তাই তাড়াতাড়ি করে জামা গুলো তুলে নিয়ে নেমে যাচ্ছিলো সিঁড়ি দিয়ে। হঠাৎই ওর মনে হলো ওর পিছন পিছন কোকোও নামছে।

-কীরে কোকো? তুই আবার কখন এলি? এই তো দেখে এলাম ঘুমাচ্ছিস ঘরে! নিশ্চয়ই বৃষ্টিতে ভিজছিলিস! খুব বকে দেবো কিন্তু! আর যেন বৃষ্টিতে ভিজতে না দেখি! আমি কিন্তু এখানে এখন একা! তোমার ডক্টর পাওয়া কিন্তু মুশকিল!

এসব বলতে বলতেই সিঁড়ি দিয়ে নেমে ঘরে এল কিঙ্কি। ঘরে ঢুকেই দেখল বিছানার এক কোণে কোকো গুটিসুটি দিয়ে ঘুমাচ্ছে।

-কোকো? তুই এখানে? এই তো মনে তুই হলো আমার সাথেই সিঁড়ি দিয়ে নামছিলি! কী জানি হয়তো আমারই মনের ভুল হবে! যাক সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, মা যে বজরংবলীর মূর্তিটা দিয়েছে ওটা তো সাজিয়ে রেখেছি ওই তাকটায়। আর তো কোনো ঠাকুরও নেই এখানে। ওখানেই একটা ধূপ জ্বেলে দিই! যা দেশলাইটাই তো আনা হলোনা! থাক তাহলে! কাল সকালে স্কুলে ঢোকার আগে বরং আশেপাশের দোকান গুলো একটু দেখে আসবো হেঁটে হেঁটে।

কুশল বাড়ি পৌঁছে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে। সকালে আসা থেকে বাবা মায়ের সাথে ফোনে অনেকবার কথাও হয়েছে। এমনিতেই আজ ভীষণ ক্লান্ত ছিলো কিঙ্কি, তাই আজ আর ও রাত জেগে পড়াশোনা করলোনা। দুলাল বাবু আটটার সময় করেই ডিনার দিয়ে চলে গেছেন। রাত ন’টা বাজলেই বোধ হয় এখানে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। কিঙ্কির তো রাত দুটো-আড়াইটের আগে ঘুমই আসতে চায়না! তবে আজ ক্লান্ত ছিলো বলে তাড়াতাড়ি ডিনার করে ঘুমিয়ে পড়েছিলো। কোকোকেও তাড়াতাড়ি খাইয়ে দিয়েছিলো। যখন ঘুম ভাঙলো তখন দেখলো ঘড়িতে প্রায় আটটা বাজে।

-বাবা! আটটা বেজে গেলো! আমি তো অ্যালার্ম দিয়েছিলাম ছ’টার সময়, কই অ্যালার্ম বাজলোনা তো! নাকি বেজে বন্ধ হয়ে গেছে? কী জানি! ভাবলাম আজ একটু তাড়াতাড়ি উঠে আশপাশটা ঘুরে দেখে আসবো.. এত বেলা হয়ে গেলো! যাক তাহলে স্কুল ছুটি হওয়ার পর বাড়ি ফিরে ফ্রেস হয়ে তারপর কোকোকে নিয়ে বেরোবো। ওরও একটু ঘোরা হবে। বেচারার হয়তো মা-বাবার জন্য খুব মন খারাপ করছে!

তখনই ফোনটা বেজে উঠলো..

-হ্যাঁ মা বলো! হ্যাঁ গুডমর্নিং! নানা এখনো কিছুই হয়নি.. এই জাস্ট ঘুমটা ভাঙলো, এখনো বিছানা থেকেই নামিনি.. না মা.. কোনো অসুবিধা হচ্ছেনা.. তুমি এত চিন্তা কোরোনা.. হ্যাঁ ভালোই ঘুম হয়েছে। সেই যে ডিনার করে শুয়েছি আর এই এখন ঘুম ভাঙলো! বলছি বাবা ঠিক আছে তো? হ্যাঁ কোকোও ঠিক আছে! আচ্ছা শোনোনা রাখছি এখন.. তা নাহলে স্কুলে টাইমে ঢুকতে পারবোনা! আজ প্রথমদিন, লেট হলে প্রবলেম হবে..

ফোনটা রেখে মনে মনে ভাবল কিঙ্কি, “সত্যিই মা তো ঠিকই বলেছে, আমার তো নিজের ঘর ছাড়া আর কোথাও গিয়ে রাতে ঘুমই আসতে চায়না! হোস্টেলেও তো প্রথম কতদিন রাতে ঘুমাতেই পারিনি! কাল যে কীভাবে ঘুমিয়ে পড়লাম কে জানে! হয়তো খুব টায়ার্ড ছিলাম তাই জন্যই।”

-কোকো? তুইও এখনো ঘুমাচ্ছিস? তাড়াতাড়ি ওঠ! অন্য দিন তো ভোর‍ে উঠে ডেকে ডেকে সবার মাথা খারাপ করিস বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য! কোকো সোনা আমার ওঠ এবার.. আমাকে আজ স্কুলে যেতে হবে তো!
অনেক করে ডাকতে তবে উঠলো কোকো। তারপর উঠে বাইরেটা থেকে একটু ঘুরে এলো। তারপর দুলাল বাবু ব্রেকফাস্ট দিয়ে যেতে কিঙ্কি নিজে খেয়ে আর কোকোকে খাইয়ে রেডি হয়ে গেটে চাবি দিয়ে স্কুলে চলে গেলো। আজ প্রথম দিন স্কুল। কিঙ্কির ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। স্কুলে হেড স্যার অন্যান্য স্যার আর দিদিমণিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তার সাথে প্রতিটা ক্লাসে গিয়ে বাচ্চাদের সাথে আলাপ করিয়ে দিয়ে এলেন নতুন দিদিমণির। কিঙ্কি প্রথম দিনই বাচ্চাদেরকে খুব আপন করে নিলো। বাচ্চারাও নতুন দিদিমণিকে পেয়ে ভীষণই আনন্দিত…

আজ সারাদিন স্কুলের বাচ্চাদের সাথে বেশ ভালো ভাবেই কেটে গেলো। তার মাঝে দুলাল বাবু খাবার দিয়ে যাওয়াতে টিফিন টাইমে একবার বাড়িতে গিয়ে কোকোকে খাইয়ে দিয়ে গিয়েছিলো কিঙ্কি। তারপর নিজেও খেয়ে নিয়েছিলো। বাড়ি ফিরে একটু রেস্ট নিয়ে কোকোকে নিয়ে একটু সামনাসামনি ঘুরে আসার জন্য বেরিয়ে পড়লো হাঁটতে হাঁটতে। সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনে এদিক ওদিক একটু ঘুরে বাড়ি ফিরলো ওরা। তারপর স্কুলের কয়েকটা কাগজপত্র নিয়ে বসলো কিঙ্কি। কিছু কাজ আছে তাই। তার একটু পরে দুলাল বাবু খাবার দিয়ে গেছেন। স্কুল থেকে দুলাল বাবুর বাড়ি খুব একটা দূরে নয়, তাই বারবার যাতায়াত করতে ওনার কোনো অসুবিধা হয়না। কোকো আজ আর কিছু খেলোনা কারণ বাইরে এটা সেটা খেয়েছিল কিঙ্কি আর কোকো। কিঙ্কিরও ঠিক খিদে নেই তাই একটু রাত করে অল্প একটু খেয়ে শুয়ে পড়লো। কুশকে ফোন করে একটু কথা বলে ফোন ধরা থাকাকালীনই ঘুমিয়ে পড়েছে কিঙ্কিণী। এদিকে কুশ হ্যালো হ্যালো করতে করতে নিজেও কোনো একসময় ঘুমিয়ে পড়লো। হঠাৎই রাত তিনটে নাগাদ কোকোর চিৎকারে ঘুমটা আচমকাই ভেঙে গেলো কিঙ্কিণীর। ঘুম চোখেই বিছানা থেকে উঠে চোখ রগড়াতে রগড়াতে দেখলো কোকো কিঙ্কির মাথার কাছের জানলাটার দিকে তাকিয়ে খুব জোরে জোরে চিৎকার করছে।

-কী হলো কোকো? এত চেঁচাচ্ছিস কেন? কী হয়েছে তোর? শরীর খারাপ করছে রাতে কিছু খেলিনা তাই খিদে পেয়েছে?

তা সত্ত্বেও কোকো কিছুতেই থামছেনা! ডেকেই যাচ্ছে জোরে জোরে..

-কিরে কী হয়েছে তোর? বলবি তো? কী হয়েছে জানলায়? নিশ্চয়ই কোনো বিড়াল-টিড়াল দেখেছিস? উফ! তোকে নিয়ে আর পারিনা! একটু ঘুমাতেও দিবিনা নাকি? দাঁড়া আমি জানলা বন্ধ করে দিচ্ছি..

উঠে গিয়ে জানলাটা বন্ধ করে দিলো কিঙ্কিণী।

-নে জানলাটা বন্ধ করে দিয়েছি! এবার খুশি তো? এবার আয় চুপ করে ঘুমিয়ে পড় আমার কাছে। আর যদি খিদে পায় এখানে খাবার রাখা আছে। খেয়ে নিবি কেমন..

কিঙ্কি জানলাটা বন্ধ করে দিয়ে কোকোকে নিজের কোলের কাছে নিয়ে আবারও ঘুমিয়ে পড়লো। জানলাটা বন্ধ করার পর একটু থেমেছে কোকো। তারপর কিঙ্কিণীকে জড়িয়ে ওর বুকের কাছে মুখ খুজে চুপ করে শুয়ে রইলো। কোকোর আর ঘুম এলোনা তখন। ভোরের দিকে একটু আলো ফুটতে তবেই একটু ঘুমালো কোকো। সকালে উঠে কিঙ্কি দেখল আজও উঠতে দেরি হয়ে গেছে কিছুটা। তাই তাড়াতাড়ি করে স্নান করে নিয়ে ও একবার ছাদে গেলো। কাল ভুলেই গিয়েছিলো গাছটায় জল দেওয়ার কথা। তাই আজ স্নান সেরেই গাছটাতে জল দিতে চলে গেলো। এদিকে কোকোর হঠাৎই ঘুমটা ভেঙে গেছে। এদিক ওদিক দেখেও কিঙ্কিণীকে খুঁজে না পেয়ে জোরে জোরে ডাকতে শুরু করলো। কিঙ্কি ওর গলা পেয়ে বললো,

-এই কোকোটাকে নিয়ে আর পারা যায়না! নিশ্চয়ই ঘুম ভেঙে আমাকে দেখতে না পেয়ে চেঁচাচ্ছে! এখানে এসে যেন একটু বেশিই চেঁচামেচি করছে কোকো। বাড়িতে তো সবসময় এত চেঁচাতোনা। বাইরের কেউ এলে বা অচেনা কাউকে দেখলে তবেই যা একটু চেঁচাতো। কী হল কোকো.. আমি ছাদে এসেছি.. একটু দাঁড়া.. গাছটাতে জল দিয়েই আসছি…

ছাদের সিঁড়ির দিক থেকে কিঙ্কির গলা পেয়ে ওদিকে দৌড় দিলো কোকো। ছাদে উঠে দেখলো কিঙ্কি গাছে জল দিচ্ছে। কাল বৃষ্টি হয়েছিলো, তাই গাছের গোড়ার মাটি গুলো একটু নরম হয়েছে দেখলো কিঙ্কি। তাই অল্প অল্প করে জলের ছিটে দিলো গাছে। কোকো কিঙ্কিণীর পায়ের কাছে গিয়ে ঘুরতে লাগলো..

-কীরে কোকো? তুইও ওপরে চলে এলি? বললাম তো আমি আসছি এক্ষুণি! আমার গাছে জল দেওয়া হয়েগেছে.. চল এবার..

ক্রমশ…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here