লেডি_হ্যাকারের_সাইকোগিরি,০৪,০৫

#লেডি_হ্যাকারের_সাইকোগিরি,০৪,০৫
#লেখক_আকাশ_মাহমুদ
#পর্ব_৪

আকাশ ল্যাপটপ টাকে সবার দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে চেয়ার থেকে উঠে রাগে ফসফস করতে করতে সোজা জেমসের অফিস থেকে বেরিয়ে যায়!অফিস থেকে বেরিয়েই সে নিজেকে আড়াল করে ফেলে।
.
এদিকে ল্যাপটপের দিকে ভয়ানক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে জেমসের অফিসে থাকা সমস্ত লোকজন!
কারন আকাশ অনেক ভয়ংকর কিছু একটা ঘটিয়ে গেছে আইসিটি প্রধানের ল্যাপটপে!সবাই চোখ বড় বড় করে ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে আছে!কারন সে হ্যাকারদের মিলনমেলা লাগিয়ে দিয়েছে প্রধানের ল্যাপটপে!আইসিটি প্রধান এবং জেমসের মুখের বুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে!সবাই হতবাক হয়ে ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে আছে!কারন কি করে গেলো এটা সেই ছেলে!
কারোর তো মাথায় যেনো কিছুই কাজ করছে না! ল্যাপটপ দিয়ে এতো ভয়ানক কাজ কি করে করলো সেই ছেলে!আর শুধু ল্যাপটপ কেন,উন্নত মানের কম্পিউটার দিয়েও তো এমন কাজ করা সম্ভব নয়!আর সে যেই কাজটা করেছে,সেটা কোনো দু-চারটে কথা নয়!আইসিটি প্রধান অবাক ভঙ্গিতে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ায়।তারপর জেমসের কাছে গিয়ে বলে…

–কে এই ছেলে?আর কি ভাবে তাঁকে তুমি পেয়েছো?

–স্যার এই ছেলেএকটা সেমিনারে বিজয়ী হয়েছিলো।যেই সেমিনারে আমি বিচারক হিসেবে ছিলাম।তাই সেখান থেকেই ছেলেটাকে আমি চিনি।

–জেমস আমার যে করেই হোক এই ছেলেকে লাগবে।আর তোমােদর বেস্ট ইলেভেনের হেড এই ছেলেকে বানিয়ে দাও।সে কতো ভয়ানক হলে আমার এই ছোটোখাটো ল্যাপটপ দিয়ে এতো গুলা হ্যাকারের প্রোগ্রামকে সে হ্যাক করে নিতে পারে!কম করে হলেও
হাজার খানিক হ্যাকারের প্রোগ্রামকে সে নিজের কবলে করে নিয়েছে।ছেলেটার কাজকর্ম দেখে আমার নিজের উপর থেকেই আস্থা উঠে যাচ্ছে!কি করে সম্ভব এটা!আজ পর্যন্ত বেস্ট ইলেভেনের সদস্য পর্যন্ত কোনো লিংক বা ক্লু ছাড়া কাররো সিকিউরিটি সিস্টেমকে ভাংতে পারেনি।সেখানে এই ছেলে মূহুর্তের মাঝেই এতো শত হ্যাকারের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।
মিস্টার জেমস,যে করেই হোক এই ছেলেকে আমার চাই।প্রথমে তাঁকে দেখে আমার কোনো ভাবেই মনে হয়নি,যে সে কিছু করতে পারবে।কিন্তু পরবর্তীতে সে আমাদের সবাইকে গোলকধাঁধার মাঝে ফেলে দিয়েছে তার কাজ দেখিয়ে!মিস্টার জেমস,এই ছেলে কোনো সাধারণ ছেলে না।এই ছেলে হয়তো হ্যাকিং জগতের অনেক বড় মাফিয়া।এই ছেলে চাইলে শতশত হ্যাকারকে হাতের ইশারায় নাচাতে পারে,যা তার কাজকর্ম দেখে বুঝতে বাকি নেই আর।সো এই ছেলেকে যে করেই হোক বেস্ট ইলেভেনে চাই আমি।

–স্যার আপনার মনে হয় কোথাও ভুল হচ্ছে!হয়তো সে কাকতালীয় ভাবে কিছু করে ফেলেছে।কারন ছেলেটার চাল-চলন একদম ভিন্ন!তার কাছে সবার উর্ধে হলো পড়ালেখা।আর সেই ছেলে কালো দুনিয়ার বাদশা হবে কি করে!

–মিস্টার জেমস,আপনাদের মতন গোবর ওয়ালা মাথার জন্যই আজকে বেস্ট ইলেভেনের এই অবস্থা।
আমার ল্যাপটপ বেস্ট ইলেভেনের ল্যাপটপকে এই ছেলেই সে লেডি-হ্যাকারের হাত থেকে উদ্ধার করেছে।
কই আপনারা নিজেরা পেরেছেন সেই লেডি-হ্যাকার থেকে কম্পিউটার উদ্ধার করতে?না বেস্ট ইলেভেন পেরেছে কোনটা?

–নাহ স্যার কেউ পারেনি।

–তাহলে এই ছেলেকে এতোটা হালকা ভাবে নেওয়ার কি আছে?যেই ছেলে হ্যাকারের হাত থেকে ল্যাপটপ ছুটিয়ে আনতে পারে,যেই ছেলে মুহূর্তের মাঝেই কয়েক শতাধিক হ্যাকারের প্রোগ্রামকে হ্যাক করে হ্যাকারের মিলন ঘটাতে পারে আমার এই ছোটোখাটো ল্যাপটপে,সে কোনো সাধারণ মানুষ না।সে অবশ্যই কালো জগতের অনেক বড় বাদশা।সো তাঁকে বেস্ট ইলেভেনে আনার ব্যাবস্থা করুন।

–ঠিক আছে স্যার আমি কথা বলবো সেই ছেলের সাথে।

–হুম সেই ছেলের সাথে কথা বলে তাঁকে আমার অফিসে নিয়ে আসবেন।আর এখন চলেন যাদের প্রোগ্রামকে সেই ছেলে হ্যাক করেছে,তাঁদের মাঝে সেই লেডি-হ্যাকারকে তালাশ করি।আর শুধু লেডি-হ্যাকারকেই না,যারা কালো বাজারের ব্যবসা করে এবং অবৈধ কিছুর সাথে জড়িত আছে,তাঁদেরকেও আমরা খুঁজে বের করবো।তারপর তাঁদের সিস্টেমে ট্রেকিং ছেড়ে দিব।আর যখন সময় হবে,তখন তাঁদের ইনফরমেশন পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দিব।

–ঠিক আছে স্যার।

তারপর জেমস আইপি প্রধানের ল্যাপটপ নিয়ে লেডি_হ্যাকারের তালাশ করতে থাকে।সাথে বেস্ট ইলেভেনরাও তালাশ করছে।

এদিকে আকাশ প্রধানের ল্যাপটপে এতো বড় একটা কান্ড করে নিশ্চিন্তে বাসায় এসে ঘুমাচ্ছে।তার মাথায় প্রচন্ড রাগ উঠে আছে সেই কথাগুলো শুনার পর থেকে।কারন লেডি-হ্যাকার সবাইকে ব্যঙ্গ করে নিজেকে দেবতা দাবী করাটা যেনো আকাশ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি।তাই সে এতো বড় কান্ড ঘটিয়েছে।
.
অন্যদিকে জেমসের হাতে কিছু একটা লাগে!সে মানুষের প্রোগ্রামে ঢুকে দেখতে দেখতে একজনের প্রোগ্রামে সে কিছু একটা দেখতে পায়!সেটা দেখে তার কেন জানি মনে হচ্ছে এই মেয়েটাই লেডি-হ্যাকারটা হবে।কারন তার চোখে একটা জিনিস পড়ে।আর সেই জিনিস টা হলো এক হাজার আটানব্বই জিবির একটা ফাইল।বেস্ট ইলেভেনের প্রোগ্রামিং সিস্টেমেও এমন একটা ফাইল রয়েছে।যেই ফাইলটাও এক হাজার আটানব্বই জিবির।জেমসের পাশেই প্রধান বসে আছে।সে তিনাকে ডেকে বলে..

–স্যার একজনের সিস্টেমে সন্দেহ জনক কিছু একটা পেয়েছি।তার কাছেও সেইম একই ওয়েটের ফাইল,যেই ওয়েটের ফাইল বেস্ট ইলেভেনের কাছে রয়েছে।আর তাছাড়া সাধারণ কোনো মানুষ বা নরমাল কোনো হ্যাকার এতো বড় জিবির ফাইল ব্যবহার করবে না।

–ঠিক আছে ফাইলটাতে ঢুকে দেখো কি আছে এতে।

জেমস প্রধানের কথা মতন ফাইলে ক্লিক করতেই দেখে সেই ফাইলের ভিতরে আরেকটা ফাইল রয়েছে।যার নাম হলো ব্যাঙ ইলেভেন।জেমস এবং প্রধান ফোল্ডারের নাম দেখেই বুঝে ফেলে এই কম্পিউটারের মালিক এই সেই লোডি-হ্যাকার।কারন সেই লেডি-হ্যাকার এই বেস্ট ইলেভেনকে ব্যঙ্গ করে ব্যাঙ ইলেভেন নামে ভিডিও পাঠিয়েছিলো।
জেমস তাড়াতাড়ি সেই ফোল্ডারে ঢুকে কি আছে ভিতরে টা চেক করতে থাকে।তখনি তারা দেখতে পায়,যে তাঁদের পুরো ডেটাবেজকে সেই লেডি-হ্যাকার নিজের কাছে কপি করে রেখে দিয়েছে।শুধু তাই নয়,সেই লেডি-হ্যাকার তাঁদের প্রোগ্রামিংয়ের মাঝেও ঢুকে বসে আছে।এসব দেখে জেমস পুরো থতমত খেয়ে যায়!আইসিটি প্রধান ও অবাক হয়ে আছে সেই মেয়ের কাজকর্ম দেখে!কারন একটা মেয়ে কতোটা ভয়ানক হতে পারে হ্যাকিং দুনিয়ায়,তা এই মেয়ের কাজকর্ম না দেখলে তারা কখনোই বুঝতে পারতো না!
.
জেমস তাড়াতাড়ি কোনো কিছু না ভেবেই সেই লেডি-হ্যাকারের কাছ থেকে ব্যাঙ ইলেভেন নামক ফোল্ডারটা ডিলিট করে দেয়।তারপর সে ভালো করে ঘাঁটতে থালে লেডি-হ্যাকারের প্রোগ্রামিং সিস্টেমকে।কারন যে করেই হোক লেডি-হ্যাকারকে তাঁদের প্রোগ্রামিং থেকে বের করতে হবে।না হয় সে বেস্ট ইলেভেনের সমস্ত কাজকর্ম সম্পর্কে অবগত হতে থাকবে।জেমস লেডি-হ্যাকারের সমস্ত ডেটাবেজ ঘাঁটতে শুরু করে।ঠিক তখনি সেই আইসিটি প্রধানের ল্যাপটপ আবারো হ্যাক হয়ে যায়।কারন হলো এতোটা সময় সেই লেডি হ্যাকার তার কম্পিউটারের সামনেই বসে ছিলো।
আর সে বসে বসে অন্য কম্পিউটার দিয়ে সমস্ত কিছুই দেখছিলো।সে দু’টো কম্পিউটারকে এডজাস্ট করে রেখেছে।একটা দিয়ে সে সমস্ত কাজকর্ম করে।আরেকটা কম্পিউটার সে এমনিতেই ব্যবহার করে।
তার আসল কম্পিউটার এতোটা সময় জেমসের কন্ট্রোলে ছিলো,কিন্তু জেমস লেডি-হ্যাকারের ডেটাবেজ ঘাঁটতে ঘাঁটতে একটা ভুল করে বসে।সে লেডি-হ্যাকারের একটা ট্রেপে পা দিয়ে বসে।যার কারনে সাথে সাথে প্রধানের ল্যাপটপের এক্সসেস আবারো সেই লেডি হ্যাকারের কাছে চলে যায়।পরে সে দ্বিতীয় কম্পিউটার দিয়ে প্রধানের কম্পিউটার নিজের আয়ত্তে নিয়ে তার আসল কম্পিউটারকে মুক্ত করে ফেলে।যার ফলে তার কম্পিউটারের পুরোপুরি এক্সেস আবারো তার কাছে ফিরে আসে।আর সাথে আকাশের হ্যাক করা সমস্ত হ্যাকারের এক্সেস ও সেই লেডি-হ্যাকার পেয়ে যায়।সে তো মহাখুশি এতো কিছু পেয়ে।
.
অন্যদিকে জেমস আর সেই আইসিটি প্রধান আবারো মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে!কি থেকে কি ঘটে গেলো তারা ভেবেও কুলিয়ে উঠতে পারছে না!
.
এদিকে লেডি_হ্যাকার,যে কিনা প্রধানের ল্যাপটপ হ্যাক করেছে,সে মহাখুশি হলেও তার ভিতরে ভিন্ন একটা জেদ কাজ করছে।কারন তার কম্পিউটার আইসিটি প্রধান হ্যাক করেছে।তাই সে এখন প্রতিশোধ নিতে চায় প্রধানের উপরে।সে আইসিটি প্রধানের ল্যাপটপ থেকে অনেক কয়টা কোম্পানির ওয়েবসাইট হ্যাক করে আইসিটি প্রধানকে ফাঁসিয়ে দেয়।সে প্রধানের আইপি সহ হ্যাকিং ডিটেইলস সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয়।আর সাথে সাথেই পুলিশ প্রধানকে খুঁজতে শুরু করে।রাত দশটায় পুলিশ প্রধানকে জেমসের অফিস থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।আর প্রধানের সাথে তিনার ল্যাপটপকেও পুলিশ জব্দ করে।পুলিশ তিনাদের সরকারী কর্মচারী দিয়ে প্রধানের ল্যাপটপের তল্লাশি চালায়।পুলিশ তাঁকে বারবার জিগ্যেসা বাদ করছে কেন সে এসব করছে।কিন্তু সে বারবারই একই কথা বলছে,যে এসব করেনি।তার ল্যাপটপ কোনো এক লেডি-হ্যাকার হ্যাক করে নিয়ে তার ল্যাপটপ থেকে এসব করে তাঁকে ফাঁসাচ্ছে।প্রধান আরো বলে তার ল্যাপটপ তার আয়ত্তের বাহিরে।কিন্তু যখন পুলিশ তার ল্যাপটপ চেক করে,তখন দেখতে পায় ল্যাপটপের কিছুই হয়নি।তারা ল্যাপটপে ইজিলি প্রবেশ করতে পারছে।তখন পুলিশ অফিসার প্রধানের উপরে রেগে যায়।আর তার কোনো কথা না শুনে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে লকআপে বন্দী করে।
.
প্রধান হাজতে বন্দী,আর লেডি-হ্যাকার তো মহাখুশি।
তার খুশির যেনো সীমা নেই।সে আকাশের হ্যাক করা সমস্ত হ্যাকারের প্রোগ্রামিংকে নিজে হ্যাক করেছে বলে ডার্ক ওয়েবে এসে গুঞ্জন ছড়িয়ে দেয়।তারপর সবাইকে তাঁদের এক্সেস ফিরিয়ে দিয়ে আকাশের ক্রেডিট সে নিতে থাকে।সে চায় ডার্ক ওয়েবে যেনো তার নামের ও ভয়াবহতা ছড়িয়ে পরে।কিন্তু”Z”এর তো এই সমস্ত কিছু ইগোতে গিয়ে লাগে।কারন এই লেডি-হ্যাকারের জন্য তার ক্রেজ কমে যাচ্ছে।তাই সে ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করে।ডার্ক ওয়েবে এসে দেখে”M.B.Z” নামের গুঞ্জন চলছে।সেসব দেখে তার এতো পরিমাণে রাগ উঠে,যে সে আবারো পুরা ডার্ক ওয়েবকে তসনস বানিয়ে দেয়।ডার্ক ওয়েবের সমস্ত হ্যাকারের প্রোগ্রামকে সে আবারো হ্যাক করে নিয়ে তাদের কম্পিউটারকে সে নিজের দখলে করে নেয়।সেই হ্যাকারদের মধ্যে “M.B.Z”,যে কিনা লেডি-মাফিয়া,সেও ধরা পরে যায়।”M.B.Z” এর বুক ধুপধুপ করে কাঁপতে শুরু করে!কারন সে জানে “Z”কতো বড় মাফিয়া এই হ্যাকিং জগতের।সে মনে মনে দোয়া পড়তে থাকে।কারন একে তো সে ” Z”এর আলফাব্যাট ব্যবহার করেছে,দুই”Z”এর নাম ব্যবহার করে ক্রেডিট নিচ্ছে।
.
অন্যদিকে “Z”পুরো গোলাবারুদের মতন পরিপূর্ণ ভাবে লোড হয়ে আছে!সে এখন আগুনের স্পর্শ পেলেই ভয়ংকর ভাবে বিস্ফোরিত হয়ে উঠবে!আর তার জন্য আগুন এখন সেই “M.B.Z”।সে আবারো সবার প্রোগ্রামে ঢুকে চিরুনী তল্লাশি চালাতে থাকে।হটাৎ করেই সে”M.B.Z”এর প্রোগ্রামে প্রবেশ করে বসে।তারপর সমস্ত কিছু চেক করে বুঝতে পেরে যাই এটাই সেই “M.B.Z” এর প্রোগ্রাম।সে “M.B.Z” কে খুঁজে পেয়ে অট্টহাসিতে লুটিয়ে পরে,আর বলে….

–এবার পালাবি কোথায় তুই।তোকে এবার টেনে হেঁচড়ে সকলের সামনে আনবো।মেনে বোলা থা,বাপসে মাত লে পাঙ্গা,নেহি তো মে শুরু হো গেয়া,ফের হো যায়েগা দাঙ্গা।

এদিকে “M.B.Z” ভয়ে গিড়গিড় করে কাঁপছে!

চলবে…?

ভুল ত্রুটি গুলো ক্ষমার নজরে দেখবেন।

#লেডি_হ্যাকারের_সাইকোগিরি
#লেখক_আকাশ_মাহমুদ
#পর্ব_৫

এদিকে “M.B.Z” ভয়ে গিড়গিড় করে কাঁপছে!
আর ভয়ে আতংকিত হয়ে আছে!সে তার দ্বিতীয় কম্পিউটার দিয়ে সব কিছুই দেখতে পাচ্ছে,যে “Z” তার প্রোগ্রামে প্রবেশ করেছে।কিন্তু সে কোনো কিছুই করতে পারছে না!সে ভয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছে!আর উপর ওয়ালাকে ডাকছে!কারন “Z” তাঁকে একবার ধরতে পারলে তার নাম নিশানা সহ মুছে ফেলবে।
.
“Z” লেডি-হ্যাকারের প্রোগ্রামে ঢুকে দেখতে পায়,যে লেডি-হ্যাকারের কাছে বেস্ট ইলেভেনের সমস্ত ডেটাবেজ রয়েছে।শুধু তাই নয়,সে আরো দেখতে পায় আইসিটি প্রধানের আইপি দিয়ে যেসব ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে,তার সমস্ত ড্রপ-ফাইল এই লেডি-হ্যাকারের কাছে।এই লেডি-হ্যাকার সমস্ত ওয়েবসাইটের এক্সেস তার নিজের কাছে নিয়ে রেখেছে।”Z”এর এসব দেখে বুঝতে বাকি নেই,যে আইসিটি প্রধানকে এই লেডি-হ্যাকার ফাঁসিয়েছে।তৎক্ষনাৎ “Z”লেডি-হ্যাকারে কম্পিউটার থেকে থানায় একটা মেইল পাঠায়।যার মধ্যে রয়েছে কিছু প্রুফ।যে প্রধান কিছু করেনি।থানা বাসি প্রধানকে ছেড়ে দেয়।এবং তার কাছে সরমিন্দা প্রকাশ করে।
.
এদিকে “Z”লেডি-হ্যাকারের প্রোগ্রামে এখনো রান করছে।কিন্তু হুট করেই তার এলাকায় পাওয়ার সাপ্লাই এ সমস্যা দেখা দেয়।যার ফলে তার ইন্টারনেট স্পিড স্লো হয়ে যায়।এবং লেডি-হ্যাকারের প্রোগ্রাম থেকে তাঁকে বের করে দেয়।আর তারপরেই তার কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যায়।যার ফলে লেডি-হ্যাকার তার এক্সেস আবারো পেয়ে যায়।কারন সে আইপি হ্যাক করে লেডি-হ্যাকারের প্রোগ্রামে ঢুকেছে।যার কারনে লেডি-হ্যাকার এতোটা সময় কিছুই করতে পারেনি।
কিন্তু যখনি লেডি-হ্যাকারের আইপি থেকে ইন্টারনেটের কারনে “Z” বের হয়,তখনি তার এক্সেস সে পেয়ে যায়।
.
“M.B.Z”নিজের এক্সেস ফিরে পেয়ে খুশিতে নাচতে শুরু করে।তার নিজের কাছে নিজেকে এখন এলিয়েন মনে হচ্ছে!সে ভাবেছে সে এখন ইন্টারনেট দুনিয়ার বাদশাহ।কারন সে ভেবেছে “Z” তার ট্রেপে পা দেওয়ায় সে তার এক্সেস ফিরে পেয়েছে।কিন্তু আসলে তো সেটা নয়।”Z”কে নেটের কারনে তার প্রোগ্রাম থেকে বের করে দিয়েছে।কিন্তু সেটাকে লেডি-হ্যাকার অন্যকিছু ভেবে খুশিতে নাচানাচি করছে।কিন্তু তার মাথায় ও নেই,যে “Z” তার ট্রেপে পা দিলে”Z”এর এক্সেস সহ তার কাছে চলে আসতো।সে খুশিতে আত্মহারা”Z”এর অপারগতা দেখে।কিন্তু “Z” তো” Z”এই।তার কাছে হেরে যাওয়া বলতে কোনো কিছুই নেই।সে কতোবড় খিলাড়ি এই হ্যাকিং দুনিয়ায়,সেটা লেডি-হ্যাকার মূহুর্তের জন্য ভুলেই গিয়েছে।আর এই ভুলের মাশুল এই পরবর্তীতে তাঁকে দিতে হবে।
.
অন্যদিকে প্রধানের তো পুরো মাথা খারাপ!সে রাগে গিজগিজ করতে করতে বাড়ি চলে যায়।জেমসের ও মাথায় বাজ পড়েছে!সে আর কিছুই দেখতে পাচ্ছে না চোখে!একে তো বেস্ট ইলেভেন অপারগ বলে মানুষের চোখে কালার হয়েছে।দুই বর্তমানে যা ঘটছে,সে এবং তার টিম তার কোনো সমাধান এই খুঁজে বের করতে পারছে না!সে মাথায় ভরা টেনশন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।
.
এদিকে আকাশ সকাল বেলায় ক্লাসে চলে যায়।তারপর ক্লাস শেষ করে বেহরোজকে ফোন দেয়।কারন আজো তারা দেখা করবে।আর সেটা গতকাল রাতেই বেহরোজ আকাশকে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে।বেহরোজ আর আকাশ একই সাথে রিক্সায় বসে রবীন্দ্রসরোবরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।তারপর সেখানে পৌঁছে দুজন মিলে রবীন্দ্রসরোবরে গোল চত্বরের একপাশে গিয়ে বসে।

–আকাশ আমার না ঢাকায় থেকে যেতে ইচ্ছে করছে।

–কি বলিস পাগলের মতন!তোর বাবা-তো বকাবকি করবে।তাছাড়া তোর পড়ালেখার কি হবে হুম।

–পড়ালেখার গুষ্টি মারি।আর তাছাড়া বাবাই আমাকে বকাবকি করবে না।

–বেহরোজ পাগলের মতন কথা বলিস না!পড়ালেখার গুষ্টি মারিস মানে কি?

–আরেহ তুই এতো চাপ নিচ্ছিস কেন,আমি তো পড়ালেখা একেবারে ছেড়ে দিচ্ছি না।ঢাকার কোনো একটা কলেজে ট্রান্সফার হয়ে যাবো।

–নাহ তার কোনো দরকার নেই।তুই খালার বাড়ি বেড়াতে এসেছিস সো কিছুদিন বেড়া।পরে সময় হলে চট্টগ্রাম চলে যাবি।তোর ঢাকায় থাকার প্রয়োজন নেই।

–আকাশ এভাবে বলছিস কেন?আমি তোকে ছাড়া কি করে থাকবো..

–বেহরোজ এমন উদ্ভট রসিকতা আমার ভালো লাগে না।আমি তো বলেছিই যে সময়ের টা সময়ে দেখা যাবে।আর তাছাড়া আগে তো আমায় ছাড়া ছিলি।তাহলে এখন থাকতে প্রবলেম কোথায়?

–আকাশ সত্যিই তুই অনেক বড় একটা সেলফিশ।

–হুম যা মনে হয় তোর।কিন্তু আমার কাছে তোর এই বেহুদা রসিকতার দাম নেই কোনো।কারন তোর এই রসিকতা মানে জীবনটাকে বরবাদ করা।প্রথমে ঢাকা,তারপর চট্টগ্রাম শিফট হওয়া,পরে আবার ঢাকা।
কি আজীবন কি এসব করেই পাড় করবি নাকি?

–ঠিক আছে আছে যা আমি বেড়ানো শেষ হলে চট্টগ্রাম ফিরে যাবো।কিন্তু হনুমানের বাচ্চা,তুই যদি আমায় ছেড়ে অন্য কোনো মেয়ে নিয়ে লুতুপুতু করিস,তাহলে দেখবি সোজা চট্টগ্রাম থেকে এসে তোকে জবাই করে দিয়ে রেখে চলে যাবো।তুই কিন্তু এখনো আমায় ভালো করে চিনিস না আকাশ।আমি কিন্তু ভালোর ভালো খারাপের খারাপ।

–বেহরোজ,সে তুই ও আমাকে ভালো করে চিনিস না।
যেদিন চিনতে পারবি,সেদিন মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকবি।

–হুহ দেখা যাবে।

–আচ্ছা বাদ দে এখন এসব কথা।এখন কোথায় যাবি সেটা বল?এখানে তো অনেকটা সময় ধরে বসে আছি।

–জানি না কোথায় যাবো।তোর যেখানে ইচ্ছে হয় নিয়ে চল আমায়।

–ঠিক আছে উঠ রিক্সায় উঠ।একটা রিক্সা ভাড়া করে দু’জনে আবার চড়ে বসলাম।তারপর রবীন্দ্রসরোবর অতিরিক্তম করে রাস্তার অপজিটে একটা ভালো রেস্টুরেন্ট আছে,সেটাতে বেহরোজকে সাথে নিয়ে ঢুকলাম।রেস্টুরেন্টে ঢুকে খাবার অর্ডার করেছি।কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম,যে বেহরোজের মুড অফ হয়ে আছে।ওয়েটার তাঁকে কি খাবে জিগ্যেস করায় সে কোনো উত্তর দেয়নি।তাই আমার পছন্দ মতন দু’জনের জন্য খাবার অর্ডার করেছি।এই বেহরোজ কি হয়েছে তোর?

–কিছুই হয়নি।

–তাহলে তোর মুখ এমন ভাড় কেন হয়ে আছে?

–আকাশ মনে আছে সেই দিন গুলোর কথা,যখন আমরা স্কুলে পড়তাম তখন কতোটা মিশুক ছিলাম দুজনে?কতোটা মিল মোহাব্বত ছিলো দু’জনের মাঝে?

–হুম মনে পড়ে।

–কিন্তু এখন তুই অনেকটাই পাল্টে গেছিস।

–সময়ের সাথে সাথে পাল্টাতে হয় রে।

–তাই বলে এতোটা পাল্টে যাবি?নাকি অন্য কোনো রিলের করিস তুই?

–আরে নাহ তেমন কিছু না।

–তাহলে একটু আগে আমার ঢাকায় আসার বিষয়টা নিয়ে এতোটা রিয়েক্ট করলি কেন?কে চায় না সে তার প্রিয় মানুষের কাছে থাকতে?

–বেহরোজ আমি তোর ভালোর জন্যই করেছি।কারন এক প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করা উত্তম।বারবার পরিবর্তন করলে পড়ালেখায় সমস্যা হয়।আর আমি কি তোকে কাছে থাকতে না করেছি নাকি?

–তাহলে আমি চট্টগ্রাম থাকবো আর তুই ঢাকায়,সেটা কাছে কি করে হলো?

–একদম পুরোপুরি কাছেটা না হয় বিয়ে হলেই থাকিস।আর যা মাঝে মাঝে চট্টগ্রাম গিয়ে তোকে দেখে আসবো আমি।

–তাহলে প্রতিমাসে একবার করে চট্টগ্রাম আমায় দেখতে যাবি তুই।

–আচ্ছা যা ঠিক আছে যাবো।

আকাশের কথা শুনে বেহরোজের মন ভালো হয়ে যায়।
সে এতোটা সময় আকাশের থেকে অনেকটা দূরে বসে ছিলো।কিন্তু এখন সে একদম আকাশের কাছে এসে তার গা ঘেঁষে বসেছে।আকাশ আর বেহরোজ অনেকটা সময় রেস্টুরেন্টে কাটায়।পরে সে বেহরোজকে গাড়িতে তুলে দিয়ে সেও বাসায় চলে আসে।সে বাসায় আসতেই দেখে জেমস তার বাড়ির সামনে।হটাৎ করে জেমসকে তার বাড়ির সামনে দেখে অবাক হয়ে যায়!

–স্যার আপনি এখানে?

–হুম তোমার খোঁজে এসেছি।

–কিসের খোঁজে স্যার?কাল তো সমস্যার সমাধান করে দিয়ে এসেছি।নাকি আবারো কোনো সমস্যা হয়েছে?

–আকাশ তুমি সমস্যার সমাধান করলেও আমরা সেই সমাধান টাকে নিয়ে বেশিক্ষণ শান্ত থাকতে পারিনি।কারন লেডি-হ্যাকার আবারো প্রধানের ল্যাপটপ হ্যাক করে নিয়েছিলো।তারপর সে স্যারের ল্যাপটপ থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করে স্যারকে ফাঁসিয়ে দেয়,যার ফলে অনেকটা সময় স্যারকে পুলিশ থানায় আঁটকে রাখে।

–ওহ সো সেড।
কিন্তু এখন আমার কাছে কি প্রয়োজনে এসেছেন আবার?আর বড় কথা আমার বাড়ির ঠিকানা পেলেন কি করে?

–তোমার কাছে এসেছি প্রধান স্যারের রিকোয়েস্ট নিয়ে।তিনি তোমাকে বেস্ট ইলেভেনের হেড হিসেবে দেখতে চায়।আর ঠিকানা তোমার নাম্বার ট্রেকিং করে বের করেছি।

জেমস আকাশের নাম্বার ট্রেকিং করেছে শুনে তার রাগ উঠে যায়!কিন্তু সে নিজেকে শান্ত রেখে বলে..

–স্যার আমি কোনো কিছুতেই কাজ করবো না।সো আপনি চলে যান প্লিজ।

–আকাশ তোমায় করজোড় অনুরোধ করছি বেস্ট ইলেভেনে কাজ করার জন্য।

–স্যার আমি পারবো না ওসব করতে।কারন আমার পড়ালেখা আছে।তাছাড়া আমার পরিবার নিয়েও আমার ভাবতে হবে।আমি ওসব করতে গিয়ে পড়ালেখায় মাইর খাবো,যার ফল স্বরূপ পরবর্তীতে আমার পরিবার রাস্তায় এসে বসবে।সো আমি ওসব করতে পারবো না।আমার জীবনের এখন একটাই লক্ষ্য,সেটা হলো পড়ালেখা করে ভালো একটা কিছু করা।ভালো একটা বেতনের চাকরি করা।

–আচ্ছা আকাশ তুমি দরকার হয় বেস্ট ইলেভেনের হয়ে কাজ করো না।কিন্তু যখন সমস্যা হবে তখম তুমি এগিয়ে এসো।আর আমি দরকার হলে প্রধান স্যারকে দিয়ে তোমার কলেজের প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলাবো।যাতে করে তোমার উপরে তিনি কোনো ধরনের চাপ না দেন।তোমার যখন ইচ্ছে হবে তুমি ক্লাস করবে,তোমার যখন ইচ্ছে হবে না তুমি ক্লাস করবে না।আর তোমায় প্রতিমাসে মোটা অংকের একটা টাকা আমাদের তরফ থেকে দেওয়া হবে।

–স্যার তাও আমি নেই।দু’বার আপনার সম্মানের খাতিরে গিয়েছি আমি।কিন্তু বার বার যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।আর আরেকটা কথা শুনে রাখুন,আমি আকাশ চাইলে টাকার বিছানায় ঘুমাতে পারি।কিন্তু আমার ওসবে ইচ্ছে নেই।আমার ইচ্ছে হলো অন্যদিকে।সো আমার যা ইচ্ছে আমি সেটাই করছি,আর ভবিষ্যতেও করবো।

জেমস আকাশের কথা শুনে মন খারাপ করে সেখান থেকে ফিরে আসে।তারপর প্রধানকে ফোন করে আকাশের বিষয়ে বলে,যে সে কাজ করবে না।প্রধান জেমসের কথা শুনে আকাশের উপরে ক্ষেপে যায়!

–কিহহ,তার এতো বড় সাহস যে সে আমাদের কথার অমান্য করে!ঠিক আছে বেটাকে দেখছি আমি।আপনি সেই ছেলের নাম্বার আমাকে দেন।

প্রধান জেমসের থেকে নাম্বার নিয়ে আকাশকে ফোন করে।

–এই ছেলে তুমি নাকি বেস্ট ইলেভেনে কাজ করবে না বলে অমত করেছো?তোমার সাহস তো দেখি কম না।

–হুম করেছি।কারন সেসবের প্রতি আমার কোনো ইচ্ছে নেই।আর স্যার সাহস দেখাইনি আমি।আমার ইচ্ছে হয়নি তাই অমত করেছি।

–এই বেয়াদব ছেলে একদম মুখের উপরে কথা বলবে না তুমি।তুমি কিন্তু আমায় ভালো করে চিনো না এখনো।আমি কিন্তু তোমায় সারাজীবনের জন্য হ্যাকিংয়ের মামলায় ভিতরে ঢুকিয়ে দিতে পারি।

–স্যার আপনি কি আমায় হুমকি দিচ্ছেন?

–হ্যাঁ তোমায় হুমকি দিচ্ছি।তুমি আমার অফারকে গ্রহণ না করায় অনেক বড় শাস্তি পেতে হবে তোমার।আমি আজকেই বেস্ট ইলেভেনকে দিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করে তোমার নাম ফাঁসিয়ে দিব।তারপর বুঝতে পারবে আমার কথা অমান্য করার ফল।

প্রধানের কথা শুনে আকাশের এতো পরিমাণে রাগ হয়,যে সে আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারে না।সে রাগান্বিত কন্ঠে প্রধানকে একটাই কথা বলে….

–স্যার সাপের পাঁচ পা দেখেননি কোনোদিন।
কিন্তু আজ সেটা আমি আপনাকে দেখিয়ে দিব।তারপর বেস্ট ইলেভেনের পাওয়ার আর আপনার গলাবাজি কোথায় যায় সেটা দেখবো আমি।

তারপর ধুম করে ফোন কেটে দেয় আকাশ।ফোন কেটে দিয়ে হাত-মুখ না ধুয়ে সেভাবেই কম্পিউটার হাতে নিয়ে বসে সে।কিছুক্ষণ পরেই সারাদেশে আতংক লেগে যায়!কারন কে যেনো দেশের সব কয়টা সরকারি ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির যে কয়টা ওয়েবসাইট আছে সব কিছুই হ্যাক করে নিয়েছে।সরকারি লোকজন যখন হ্যাকিংয়ের বিষয়ে তালাশ করে,তখন তারা জানতে পারে,যে বেস্ট ইলেভেন এবং আইসিটি প্রধান মিলে এসব কাজ করেছে।পুলিশ সাথে সাথে আইসিটি প্রধান এবং বেস্ট ইলেভেনের পুরো টিমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।এদিকে আকাশ বসে বসে পৈচাশিক হাসি হাসছে।আর চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে “Z”এর বলা সেই দুই লাইনের ডায়লগটা বলছে….

–বাপ সে মাত লে পাঙ্গা।নেহি তো মে শুরু হো গেয়া,তো ফের হো যায়ে গা দাঙ্গা….
প্রধান আমার সাথে পাঙ্গা নেওয়া উচিৎ হয়নি তোর।
দেখলি তো মহূর্তের মাঝেই তসনস করে দিলাম তোর অহংকারকে।আমার সাথে পাঙ্গা নেওয়ার আগে অন্তত আমার সম্পর্কে একবার জেনে নেওয়া উচিৎ ছিলো তোর।যে কার সাথে পাঙ্গা নিচ্ছিস কিনারায় পাবি কি ঠাই,নাকি সে তোকে জ্বালিয়ে দিয়ে করে দেবে ছাই…

চলবে…?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here