ভ্যাম্পায়ার,পর্বঃ৬,৭

#ভ্যাম্পায়ার,পর্বঃ৬,৭
#লেখাঃ লাবন্য নাওয়ার
#পর্বঃ৬

প্রহর – ও কোনো মত শান্ত হচ্ছেনা। উপায় না
পেয়ে….

রাত্রি- আচমকা ই প্রহরের স্পর্শ পেলাম ঠোটে।
আমি বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছি ওর দিকে।
হাত মুঠ করে শক্ত করে রাখলাম।
চোখের পলক যেনো পরছেইনা।

প্রহর – হঠাত কিছু পরে যাওয়ার আওয়াজ হল।
আমি ওকে ছেড়ে পিছনে তাকালাম।
নিশি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।
আমি আউট হাউজে চলে গেলাম।

রাত্রি- আমি এখনও স্টেচু হয়ে দাড়িয়ে আছি।
এটা কি করে গেলো ও।

নিশি – আপা মনি এইটা কি দেখলাম /?

রাত্রি- কি! !??

নিশি- আপা মনি ঠিক আছেন ত???

রাত্রি- ঠিক আছি।
তুমি যাও।
শাওয়ার অন করে দাড়িয়ে আছি।
চোখ বন্ধ করতেই শুধু প্রহরের মুখ টা ভেসে
আসছে।
বুক টা ধুক ধুক করেই যাচ্ছে।
একি হচ্ছে আমার??
শাওয়ার নিয়ে বের হয়ে ঘরে দেখলাম প্রহর
কে।
প্রহর কিছু খুজছ? ?

প্রহর – ( কালকে এই রুমেই হয়ত আমার ফোন টা
পরে গিয়েছিল। ফোন টা ত পাচ্ছি না। কোথায়
গেলো।)
না কিছুনা বলে পিছনে তাকালাম।
রাত্রি কে দেখে আমি পুরাই হা হয়ে গেলাম।
মুখে, গলায় বিন্দু বিন্দু পানির ফোটা জমে আছে।
চুল থেকে টপ টপ করে পানি পরছে।
চোখের পাপড়ি তেও বিন্দু বিন্দু পানি জমে
আছে।

রাত্রি-
প্রহর ওইভাবে তাকিয়ে আছে আমার খুব লজ্জা
লাগছে।
আগে হলে হয়ত খুব রাগ হত।
কিন্তু আজ কি একটা হয়ে গেলো আর সব কেমন
বদলে গেলো।

প্রহর – ওকে এইভাবে দেখে সত্যি ঘোরের
মধ্যে চলে গেছি।
এ ঘোর যেনো কাটতে চায় না।
আমি একপা এক পা করে এগিয়ে যাচ্ছি।

রাত্রি- ও এগিয়ে আসছে।
আর আমার হার্ট বিট বেড়েই চলেছে।
আমি ভয়ে এক পা এক পা করে পিছাচ্ছি।

ড্রেসিং টেবিল এর সাথে গিয়ে ঠেকলাম।
ও সামনে এসে দাড়ালো।
আমার দিকে একটু ঝুকে দাঁড়ালো।
আমি চোখ নিচের দিকে নামালাম।

প্রহর – ড্রেসিং টেবিল এর উপর আমার ফোন ছিল
সেটা নিলাম।

রাত্রি- যাহ! আমি কি ভাবলাম আর ও কি করল।
দাড়াও! আমি প্রহর কে দাঁড়াতে বললাম।

প্রহর – তোমার ফোন আমার রুমে কেন? ?
আর আমিই বা এইখানে আসলাম কিভাবে??

প্রহর – রাতে জংগল এর পাশ দিয়ে আসার সময় চিতকার
শুনতে পেয়েছিলাম। জংগল এ যেয়ে দেখি তুমি।
বাস হয়েছে? ?

রাত্রি- সারাদিন কোথায় ছিলে।??

প্রহর – সেটা দিয়ে তুমি কি করবে??

রাত্রি- কি করব মানে? ? তুমি আমার বডি গার্ড।
আমার দেখা শুনা না করে কোথায় ছিলে তুমি? ??

প্রহর – আমি কিছু না বলে চলে আসছিলাম।

রাত্রি- আমি সামনে যেয়ে দাড়ালাম।
তোমার ত সাহস কম না আবার উত্তর না দিয়ে চলে
যাচ্ছ? ?? কলার চেপে ধরলাম।

প্রহর – কলার ছাড়ো।

রাত্রি- ছাড়ব না।

প্রহর – কলার ছাড়ো বলছি।

রাত্রি- ছাড়বনা আ আ আ আ …….

প্রহর – শক্ত করে চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালে
ঠেকালাম।

রাত্রি- আমি তাকিয়ে আছি প্রহরের দিকে।
ওর রাগি চেহারা টা আজ কেমন মায়াবি লাগছে।
আমি ওর এক গালে হাত রাখলাম।

প্রহর – চুল ছেড়ে দেওয়ালে হাত রাখলাম।
ওর চোখের পাপড়িতে জমা বিন্দু বিন্দু পানি আমাকে
আরও ওর কাছে টানছে।
পানির ফোটা গুলো ঠোট দিয়ে মুছে দিলাম।
গালে জমা পানির ফোটা গুলো একটা একটা করে
খেয়ে নিচ্ছি আস্তে আস্তে।


রাত্রি- আমি চোখ বন্ধ করে শক্ত করে ওকে
আকড়ে ধরে আছি।
এক অজানা শিহিরনে আমি হারিয়ে যাচ্ছি।
ওর প্রতিটা নি:শ্বাস বাড়ি খাচ্ছে আমার মুখে।

প্রহর – হাত দিয়ে থোঁতা একটু উঁচু করলাম।
আর ফোন টা বেজে উঠল।

রাত্রি- আমি চোখ খুলে দেখি প্রহর নেই।
আজব!! ১সেকেণ্ড এর মধ্যে মানুষ এইভাবে
কিভাবে উধাও হয়ে যেতে পারে???
রাগ ও যা হয় না।
বলে গেলে কি হয়??
হুহ।

প্রহর – তুমি হঠাত আমাকে ফোন দিলে??

rose- owww রাগ হচ্ছ???
কিন্তু কিছু করার নেই।
তোমাদের প্রাইভেট মোমেন্ট টা নস্ট করার
জন্য সরি।

প্রহর – কি বলতে চাচ্ছ?

rose- না না তেমন কিছুই বলতে চাচ্ছি না।
আসলে কথা হচ্ছে কিং বলেছে এখন থেকে
আমিও তোমার সাথে থাকব?
প্রহর – মানে কি?

rose- মানে টা খুব সহজ ।
রাত্রির দেখা শুনায় তোমার সাথে আমিও থাকব।

প্রহর – সেটার কোনো দরকার নেই।

rOse – সেটা তোমার নাও হতে পারে কিন্তু রাত্রির
আছে।
আর কিং এর আদেশ।
সো ইউ কান্ট ইগনোর।

প্রহর -ওকে ফাইন।
আসো আমার সাথে।
( কিং কে বলেছিলাম ভালো কাউকে দিতে বাট
ওকেই
দিল?? দুর)

rose- কিছু ভাবছ?

প্রহর – না।
আমি rose কে নিয়ে বাড়িতে ঢুকলাম।
দেখি রাত্রি উপর থেকে নিচে নামছে।

রাত্রি- ওর সাথে এই মেয়েটা আবার কে? ?
এটাকে আবার কোথা থেকে আনল??

প্রহর – রাত্রি সামনে এসে দাড়ালো।
ওর নাম ……

rose- আমি rose।
এখন থেকে এইখানেই থাকব।

রাত্রি- কেনো???

rose- সব কি আমিই বলব ডিয়ার।তুমি কিছু বল।

প্রহর – আসলে….

রাত্রি- থামো।
আমার সাথে উপরে আসো।

প্রহর –
উপরে গেলাম।আসলে…

রাত্রি- থামো।

প্রহর – আবার কি?

রাত্রি- ও তোমাকে ডিয়ার বলল কেন??
ও কি লাগে তোমার।

প্রহর – ও আমার ফ্রেন্ড।
আর ও এইখানেই থাকবে।
আমি যখন না থাকি তোমাকে দেখা ওর দায়িত্ব।

রাত্রি- আমার লাগবেনা ওকে।
পাঠিয়ে দেও।
আর তাছাড়া কাকু জানলে।

প্রহর – সে জানে।
আমি বলেছি।
সেটা নিয়ে ভাবতে হবেনা।

রাত্রি- তাও ও থাকতে পারবেনা।
আমি চাইনা।

প্রহর – ও থাকবে।
আমি যেহেতু বলছি ও থাকবে।
বাস আর কনো কথা নেই।

রাত্রি- কিন্তু


প্রহর – আর কোনো কথা না।

রাত্রি- শয়তান, পাজি।
এহহ মনে হচ্ছে আমি ওর সম্পত্তি।
আমমার উপর জোর খাটাচ্ছে।

rose- আমিও কি তোমার সাথে আউট হাউজে
থাকব? ??

প্রহর – কিহ!!

rose- আরে মজা করছিলাম ডিয়ার।

প্রহর – রাত্রি কথা গুলা শুনে রেগে চলে গেলো
বুঝাই যাচ্ছে।

রাত্রি- ওরে আমার ডিয়ার রে!!!!এই মেয়ের এত
গায়ে পরা স্বভাব কেন? ? নিজেকে কি বিশ্ব সুন্দরি
ভাবে নাকি।
আর ও ও আছে কিছুই বলল না।।।
কুত্তা, ফাযিল, বিড়াল।
এএএএএএ।

নিশি- কি হয়েছে আপা মনি? ?

রাত্রি- কিছুনা।

নিশি- আপা একটা কথা বলি।
মাইয়া কিন্তু সুবিধার না।
খালি ওই পোলার উপর যায়ে পরে।
গা ঘেঁষাঘেঁষি করে।


রাত্রি- ত কি করব?? যাও ত তুমি।

চলবে………

#ভ্যাম্পায়ার

#লেখাঃ লাবন্য নাওয়ার

#পর্বঃ ৭

নিশি- বের হতে যায়ে দেখি গার্ড বাইরে দাড়িয়ে।
দ্রুত চলে গেলাম।

প্রহর – নিচে ওর থাকার ব্যবস্থা করেছি।

রাত্রি- ভালো করেছ আর কিছু!?

প্রহর – এটা তোমার ভালোর জন্যই ।

রাত্রি- অনেক হয়েছে আর ভাল দেখতে হবেনা।
এখন আমি একা থাকতে চাই তুমি যাও।

প্রহর – কিং ফোন দিয়েছে । কিং এর কাছে আসলাম।

কিং- সময় কিন্তু ঘনিয়ে আসছে প্রহর।
আর বেশি সময় নেই।
আর কয়েক্টা পূর্নিমার রাত তারপর….

প্রহর – আপনি চিন্তা করবেন না।।
আমি আছিত।

কিং- তুমি আছ বলেই ওত টা চিন্তা করছিনা। তারপর ও
চিন্তা কম হচ্ছেনা।
নাইট থেমে থাকবে না। প্রহর – আমি জানি ও
থেমে থাকবে না।
ও রাত্রিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবার আসবে।
তাই আমি সব সময় রেডি আছি।
আপনি চিন্তা করবেন না।

রাত্রি- এখন আর তার খবর নাই।
অনেক্ষন ধরে ত ওই মেয়েটাকেও ত
দেখতে পাচ্ছি না।
কই গিয়েছে ২ জন মিলে?? ২ জন আবার এক সাথে
নাই ত ???
দাড়াও খবর নিতে হচ্ছে।

প্রহর – আমি বলছিত rose আমি কোমান্ডর সাথে কথা
বলেছি।

rose- হ্যা কিন্তু…

প্রহর – আমি rose এর মুখ চেপে ধরলাম।

রাত্রি- আমি রুমে প্রবেশ করলাম।
দেখলাম ও মেয়েটার মুখ চেপে ধরে আছে।
আমাকে দেখে ছেড়ে দিল।
কি হচ্ছে এইখানে?

প্রহর – কিছু লাগবে তোমার??

রাত্রি- তুমি এইখানে কি করছ??

rose- আসলে…

রাত্রি- বাহ ভালো ত প্রশ্ন করি এক জন কে উত্তর
দেয় আরেক জন।

প্রহর – না আসলে….
রাত্রি দাড়াও রাত্রি! !!!

rose- যাহ বাবা।
কাহিনি কি ডিয়ার।

প্রহর – বেক ওফ।
( উফফ কেনো যে একে পাঠালো কিং কি আর
কাউকে পেলোনা।)

রাত্রি – বাহ বাহ কি সুন্দর।
না গেলে ত দেখতেই পারতাম না।

নিশি- আপা মনি কি হইছে।
??

রাত্রি- কিছু না। তুমি এখনও যাওনি।

নিশি- যাচ্ছি এখন।
সব রান্না আছে। খেয়ে নিয়েন।
আর আপুনি ওই মেয়ের…

রাত্রি- কি? ?

নিশি- স্বভাব ভালো না। একটু সাবধানে।

রাত্রি- হইছে আর কত বার বলবা।
এখন যাও ত।

প্রহর – রাত্রি ঘুমাচ্ছে নির্ভয়ে । আমি চাই ও
এইভাবেই থাকুক।
যেখানে কোনো ভয় থাকবেনা।
আর না থাকবে ওর জিবনের কোনো সংকট।
নাইট কে থামাতেই হবে।
ও যদি একবার রাত্রি কে পেয়ে যায় সব শেষ হয়ে
যাবে।
যা আমি কখনই হতে দিব না।
বন্দুক টা ভালো মত মুছে রাখলাম।
এইটা যেনো তেনো বন্দুক না।
ভ্যাম্পায়ার দের মারার বন্দুক।
খুব সাবধানে যত্ন করে রেখেছি।
নাইট আর ওর সৈন্য দের মারতে হলে এটা আমার
দরকার।

রাত্রি- ঘুম ভেংগে গেলো।
না আজ স্বপ্ন দেখেনা।
মনে হচ্ছিল কেউ তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
কিন্তু কেউ ত নেই ঘরে।

প্রহর – খুব বাচা বেচে গিয়েছি।
আরেক্টু হলেই ত দেখে ফেলত।
রাত্রি- পাতলা শাল টা গায়ে জরিয়ে জানালার কাছে
গেলাম।
চাদের আলোতে চারিদিক আলোকিত হচ্ছে।
শীতল বাতাসে ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে।
চুল গুলা সরিয়ে এক পাশে আনলাম।

প্রহর – আমি রাত্রির রুমের আধারে মিশে আছি।
ও হয়ত বুঝবেও না কেউ আছে ওর রুমে।
কিন্তু হঠাত চোখ গেলো জলন্ত চিহ্ন টার দিকে।
ওর পিঠের।
সময় খুব ঘনিয়ে আসছে।
যে কোনো সময় ওর বিপদ আসন্ন।ও হয়ত
জানেনা, কখনই জানবেনা ওর সাথে যা হচ্ছে সব
সত্যি।
প্রথম ও যেদিন রাতে রাস্তায় প্রথম দেখে সেদিন
হয়ত আমি আরেক্টু দেরি করলেই ও শেষ হয়ে
যেত।
তাই ত কিং আমাকে ওর কাছে পাঠাল।
আর আমি ওর বডি গার্ড হয়ে এইখানে চলে এলাম।

রাত্রি- রাত গুলা এমন নিশ্চুপ আর ভয়ংকর হয় কেন? ?
রাতের অন্ধকার নামার সাথে সাথে কেনো
নিরবতাও নেমে আসে।

প্রহর – রাতের নিরবতাও স্বাক্ষি থাকে অনেক
আধারের ঘটে যাওয়া ঘটনার।
যা মিশে যায় সকালের আলোর সাথে।

রাত্রি- আমি ঘুম থেকে উঠে নিচে গেলাম।রাতে
একটু ও ঘুম হয়নি।
আড়মোড়া ভাংতে ভাংতেই সিড়ি দিয়ে নামছিলাম।
চোখ ডলে সামনের দিকে তাকালাম।
দেখি rose বের হয়ে যাচ্ছে।
নিশ্চয় ই প্রহরের কাছে যাচ্ছে।
।আমি দ্রুত নেমে দরজার সামনে যেতেই
দেখি প্রহর আর ওই মেয়েটা বের হয়ে গেল
গেট দিয়ে।

বাহ বাহ!
এ হচ্ছে বডি গার্ড , যে নাকি দিনের ২৪ ঘন্টা র
মধ্যে ২৫ ঘন্টা ই বাইরে থাকে।

নিশি- এটা কি বলেন?? এমন হয়নাকি?

রাত্রি – দুর এ ত রাগের কথা।
এমনি বললাম ২৫ ঘন্টা।
দুর সকাল সকাল মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো
প্রহর – কিং হঠাত ডাকল বলেই ত যেতে হল।
আমি ত আর ইচ্ছে করে নিয়ে যাই নি।

rose- অহ ডিয়ার আমি জানিত।

প্রহর – and pls stop calling me that.
বাসার গেটে ঢুকে বাসার সামনে যেয়ে দেখি
দরজায় তালা মারা।

rose- ব্যাপার টা কি হল?

প্রহর- কিন্তু আউট হাউজ তালা মারা না।
কি হল হঠাত! ??? কিছু হল না ত??
কিন্তু তালা মারা কেন? ? দাড়োয়ান কে জিজ্ঞাস
করে দেখতে হচ্ছে।

দাড়োয়ান – ওহ আপনারা চলে এসেছেন।

প্রহর – রাত্রি কোথায়? আর বাসা তালা মারা কেন? ?

দাড়োয়ান – সকালে আপনারা বের হওয়ার কিছুক্ষন
পর ম্যাম ও বের হয়ে যায় ব্যাগ নিয়ে

বলে গেছে কিছুদিন ফিরবে না।
আপনারা যাতে তার খোজ না করেন।
।।
প্রহর – কোথায় গেছে।

দাড়োয়ান – আসলে আমাকে কিছু বলে যায় নি।
নিশি জানলেও জানতে পারে।

প্রহর – damn it.
উফফ এই মেয়ে!!!
rose- ভুল টা তোমারি। একা রেখে চলে গেলে..

প্রহর – রাগে চোখ লাল হয়ে আছে।
ওর দিকে তাকালাম।

rose- ওকে সরি।এখন কি করবে??

প্রহর – তুমি কিং এর কাছে যাও।
দরকার হলে ডেকে নিব।
আমি ওকে খুঁজতে যাচ্ছি।

rose- r u kidding me.?
.
prohor -no I’m not.
I’m serious .
now go.
.
নিমি- কিরে তখন থেকে বক বক করে যাচ্ছি আর
তুই চুপ করে আছিস কেন?


রাত্রি- বক বক টা থামা।

নিমি- অনেক দিন পর আপির বাসায় যাচ্ছি। I’m just to
excited.
।আর তুই সাথে যাচ্ছিস বলে আরও মজা লাগছে।
কিন্তু তোর বডি গার্ড? ?

রাত্রি- আরে থাম ত।
( যত দুরে থাকা যায় ততই ভাল।)

প্রহর – নিশির কাছে জানতে পারলাম না রাত্রি কোথায়।
ফোন টাও অফ করে রেখেছে এই মেয়ে।
গেলো কোথায়??

রাত্রি- ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। হঠাত ড্রাইভার এত
জোরে ব্রেক করল সোজা সামনের সিটে বারি
খেলাম।
। কিন্তু নিমির কোনো হুশ ই নাই।
ঘুমিয়েই যাচ্ছে।
কি হল কাকা??

ড্রাইভার – আমার মনে হল গাড়ি র সামনে কেউ ছিল।
গাড়ি র নিচে পরল না ত ?

রাত্রি- whaaat!!! আমি গাড়ি থেকে নামলাম সাথে
ড্রাইভার ও।
গাড়ি র পিছন দিকে গেলাম।
কিন্তু কেউ ছিল না।
ড্রাইভার কাকা এইখানে ত কেউ নেই বলে তার
সামনে যেয়ে দাঁড়ালাম।
তারপর যা দেখলাম তা বলার মত না।এত ভয়ংকর চেহারা
আমি এর আগেও কয়েকবার দেখেছি।
আমি চিতকার করে পিছনের দিকে সরে গেলাম।

চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here