True_Love_Nevar_Breaks,Part_06,07

#True_Love_Nevar_Breaks,Part_06,07
#Writer_Fayeja_Sultana_Piu
#Part_06

পিউ রেডি হয়ে নিচে গেল ততক্ষণে মিম কে সাজাতে বসাইছে পার্লারের মেয়ে গুলা।পিউ চারিদিকে হাঠতেছে তার চোখ শুধু একজন কেই খুজতেছে সে আর কেউ নয় আরিয়ান।কিন্তু কোথাও ওর হদিস মিললনা।শেষে মিমের রুমে চলে গেল যেখানে মিম কে সাজাচ্ছে।অনেক্ক্ষণ ধরে চুপ করে বসে আছে পিউ একবার ভাবে মিম থেকে জিজ্ঞেস করবে আর একবার বলে না।এই ভাবে মনের সাথে যুদ্ধ করতে করতে একপর্যায়ে বলে ফেলল ও।

পিউঃ মিম,,

মিমঃ হুম।

পিউঃ আজ কাউকে দেখা যাচ্ছেনা কেন।

মিমঃ কাউকে দেখা যাচ্ছেনা মানে কি।বিয়ে বাড়িতে এত মানুষ সর্তেও তোর কম লাগতেছে।

পিউঃ না মানে।

সাদুঃ আারে বুঝিসনা ও কারে খুজে হাজারো লোকের ভিড়ে।যারে ছাড়া শুন্য লাগে তাহার ভুবন।

মিমঃ ওহহ।ভাইয়ার কথা বলতেছিস তুই।

পিউঃ হ্যা মানে না।

সাদা হ্যা আবার নাও এটা কেমন কথা।

মিমঃ এত কথা বাদদে সরাসরি জিজ্ঞেস করলেত হয় ভাইয়া কয়।আর ভাইয়া কি একটা কাজে নাকি বাইরে গেছে বর আসার আগে চলে আসবে।।

পিউঃ ওহহ।কি এমন কাজ যে বিয়ের দিন ও বের হতেত হল।দুর আমি কেন চিন্তা করতেছি যা ইচ্ছে করুকগা।

মিমের সাজ কমপ্লিট হল।দেন হালকা ভাবে পিউ আর সাদু কেও সাজাল।সাদু আর পিউ সাজতে বারন করছিল তবুও মিমের জোরাজোরি তে সাজতে হল।ওদের সাজা শেষ হতে হতে বর পক্ষের আসার সময় হয়ে গেল।পিউ আর সাদু মিম কে রুমে বসিয়ে দিয়ে বের হল।তখন দেখতে পেল আরিয়ানকে পিউ।আরিয়ান ও পিউকে না দেখর ভান করে চলে গেল।পিউ ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল এখন আমি এতই পর হয়ে গেলাম যে একটি বার তাকাই ও নি।
আরিয়ান শুনে ফেলেছে পিউর কথা মুচকি হেসে বলতে লাগল আর বেশিক্ষণ নয় জান পাখি আমার মাঝের দেয়াল ভেঙ্গে পেলার, উজার করে ভালবাসতে পারব মানা থাকবেনা হারিয়ে যেতে পারব তোমার মনের সব খানে।তখনি বর পক্ষ আসলে বলে আওয়াজ শুনা গেল।
বরকে স্টেজে নেওয়ার আগে যা যা ফর্মালিটি করার শেষ করে স্টেজে নেয়া হল।মিমকেও নেয়া হল স্টেজে,,,মেরাজ কয়েরি কালারের শেরওয়ানি পরেছে ফর্সা শরীরে একদম চকলেট বয়ের মত লাগতেছে তাকে।আর মিম পিংক কালারের লেহেঙ্গা। মিমকে যে কি রকম লাগতেছে সেটা বলে বুঝাতে হবেনা মেরাজের হা ধিকে সবাই বুঝে যাবে।মিম কে যখন আনা হল তখন থেকে হা করে তাকিয়ে আছে।মিম সবার অগোচরে একটা খোঁচা দিল তাতে মেরাজের ধ্যান ভাঙ্গল।সবার দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে মুখ করে নিল।তখনি একটা কথা কানে ভেসে আসল সবার,,, আরিয়ান নিয়ে আসছি,,,,

সবাই পিছনে ফিরে দেখতে পেল একটা ছেলে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।পিউ ত মেয়ে টাকে দেখে মুখ কালো করে ফেলল কারন মেয়ে টি ছিল সেই যাকে আরিয়ানের সাথে দেখেছিল পিউ।সেখান থেকে চুপচাপ সরে গেল সে।তার সহ্য হবেনা কোন মেয়েকে আরিয়ানের পাশে।তাই না দেখার জন্য চলে গেল।তখন আরিয়ান বলল

আরিয়ানঃ এসেছিস আচ্ছা ওয়েট কর বিয়ে টা হয়ে যাক।

ওদের একজায়গায় বসানো হল দেন বিয়ে পড়ানো শুরু করল।অবশেষে বিয়ে টা হয়ে গেল।এবার বউ এর বিদায়ের পালা।পিউ আবার নিছে আসল জানু কে ত বিদায় দিতে হবে তাই মনের কষ্ট টা চেপে রেখে হাসি মুখে গিয়ে সামনে দাড়াল।মিমের কান্না শুরু হয়ে গেছে মা কে জড়িয়ে ধরে বাবকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগল।আরিয়ান কেত ছাড়ার নাম ও নেই বড় ভাই বলে কথা।আরিয়ান এর চোখের কোণেও একপোটা জল নেমে গেল।ছেলেরা কান্না করেনা ওদের কান্না করতে নাই তাই শুধু নিরবে চোখের অশ্রু সবার আড়ালে গড়িয়ে পরল।পাশে আছে সাদু।আরিয়ান কে ছেড়ে সাদুর বুকে ঝাপ দিল আর কান্নার বেগ আরও বাড়িয়ে দিল। পিউ আচতে আচতে ওদের পাশে গেল মিম পিউ কে দেখে সাদু কে ছেড়ে পিউ কে জড়িয়ে ধরল সাথে সাদু ও জড়িয়ে ধরল।আরও বেশি কান্না করতে লাগল মিম আর পিউ ও সাদু।কান্না করবেইনা বা কেন ওরা তিনজন একে অপরের প্রান ওদের ফ্রেন্ডশিপ যে এত্ত মজবুত হাজার জন আসলেও তাদের আলাদা করতে পারবেনা।একজনের সুখে আর একজন খুশিতে আত্নহারা আর আর একজনের কষ্টে আমাবস্যার মত হয়ে যায় তিন জনের জীবন।আর আজ সেই বন্ধন থেকে আর একজন ও আদালা হয়ে যাচ্ছে। এর আগে একবার সাদুর বিয়ের দিন এই কান্না বাট সাদুর জামাই ত ভাল তাই ওদের ফ্রেন্ডশিপে কোন প্রভাব ফেলেনি।আর মেরাজ না জানি কেমন হয়।এভাবে অনেক্ক্ষণ থাকার পর বউ কে মানে মিমকে নিয়ে যাওয়ার তাড়া দিচ্ছে।মিমকে বুক থেকে ছাড়িয়ে পিউ আর সাদু অনেক কথা বুঝাল শশুর বাড়িতে কেমন করে থাকবে যেন সবার কথা মেনে নেয় এসব আরও অনেক কিছু। মিমকে নিয়ে যাওয়া হল বরের কাছে। এরপর সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল শশুর বাড়িতে।।।।।

বিয়ে শেষে যে যার বাড়িতে চলে দুরের আত্মীয় রা থেকে গেছে ওদের থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে সারাদিনের আনন্দ হৈ হোল্লড়ে সবাই ঘুমিয়ে পরল সাদু ও চলে গেল কারন পরের দিন মনিরের ইম্পর্ট্যান্ট কাজ আছে তাই চলে যেতে হল।পিউ ও চলে যেতে চেয়েছিল কিন্তু ওকে যেতে দেয় নি।

পিউ মিমের রুমে ঘুমানোর জন্য রেডি হচ্ছে তখনি আরিয়ান ঐ খানে হাজির সাথে ঐ মেয়ে ও।ওদের দেখে পিউ বলতে লাগল আপনারা এখানে কেন এত রাতে কারো রুমে ডোকার আগে নক করতে হয় জানেননা।

আরিয়ানঃ পিউ আমি আজ সব ক্লিয়ার করতে এসেছি সেদিন তোমার চোখের দেখায় ও যে ভুল ছিল আজ আমি তার প্রমান করে দিব।

পিউঃ ওহ তাই নাকি আমার চোখের দেখায় ভুল ছিল।ভুল ছিল ঐ মেয়ে জড়িয়ে ধরানো ভুল ছিল ঐ মেয়ে তোমার প্ল্যাটে থাকানো সব ভুল ছিল সব।

আরিয়ানঃ শুন সেদিন কি হয়েছিল একবার প্লিজ।

পিউঃ আমার কিছু শুনার দরকার নাই আপনি আপনার গফ নিয়ে চলে যেতে পারেন।দরজা ঐ দিকে।

আরিয়ানঃ পিউ প্লিজ আমার কথা টা শুন কেন শুধু শুধু নিজে কষ্ট পাচ্ছ আর আমাকেও দিচ্ছ বল।তোমাকে ছেড়ে থাকা টা কত কষ্টকর সেটা বুঝি।

পিউঃ আমি আর একটা কথা ও শুনতে চাইনা আমি কোন কষ্ট পাচ্ছিনা আপনারা আসুন।

আরিয়ান ঐ মেয়েটিকে বলতে বলল,

আরিয়ানঃ ইশু বল সেদিন আসলে কি হয়েছিল প্লিজ বল দেখ সেই দিন থেকে ও আমাকে ভুল বুঝে আছে প্লিজ তুমি ওকে সব টুকু বল।

ইশুঃ হুম আরিয়ান আজ আমি সত্যি টা বলব। কারন তোমাদের ভালবাসা এতই মজবুত যে এতকিছু করার পরেও কারো মন থেকে কাউকে এক মিনিটের জন্য ও সরাতে পারিনি।শুন পিউ ঐ দিন কি ছিল তোমার দেখায়,,

তুমিত চিন আমাকে আমি তোমাদের সিনিয়র ছিলাম কলেজে,

পিউঃ না চিনিনা কখনো খেয়াল করিনি।

ইশুঃ হয়ত বা করনাই। করবেই বা কি করে সারা দিন ক্লাস নয়লে মিম আর সাদুর সাথে আড্ডা তোমরা তিন ছাড়া তোমাদের মাঝে যে কোন দিন বর কেও আসতে পারেনি।

পিউঃ আর আসতে পারবেওনা কোনদিন কেউ।

ইশুঃ হুম।তো আরিয়ান যখন প্রথম দিন কলেজে আসে তোমাদের সাথে দেখা করতে সেদিন আমি ওকে দেখি।আর প্রথম দেখায় ওকে আমার ভাল লেগে যায়। ও যখন কলেজে আসত আমি ওর দিকে তাকিয়ে থাকতাম মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম প্রপোজ করব কিন্তু শুনলাম ও নাকি তোমাকে প্রপোজ করেছে।সেটা মেনে নিতে পারিনি কয়েকদিন ঘর বন্দী ছিলাম খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়ে ছিলাম পরে মনে আসল শুধু ত রিলেশনে গেছে বিয়ে ত হয়ে যায়নি।তখন মনে শক্তি পেলাম আরিয়ানের অফিসে চাকরি নিলাম একটা যদিও আমার চাকরির কোন প্রয়োজন ছিলনা শুধু আরিয়ানের সাথে ভাব জমাতে নিয়েছি।এক জায়গায় চাকরি করলেত প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে একজনের সাথে অপর জনের দেখা হয় কথা হয় তাইনা এভাবে একটু একটু কথা বলতে বলতে আমি ওর অনেক কাছে চলে গেলাম।একদিন ফ্রেন্ডশিপের অপার করলাম সে মেনে নিল।এরপর থেকে আমরা ফ্রেন্ড। মাঝে মাঝে কোন প্রয়োজনে ওর প্ল্যাটে যেতাম অফিসের কাজ নিয়ে।এত কাছে থেকে থেকে ওর প্রতি ভালবাসা টা বাড়ছিল।আর তোমার প্রতি ওর কেয়ার ভালবাসা দেখে রাগ হত হিংসা হত। এভাবে চলতে থাকে কয়েকদিন বাট আমার মন মানতেছিলনা আর তোমাদের আলাদা করার জন্য মন চটপট করছিল।কি করব ভেবে তোমার মোবাইলে আরিয়ানের বিরুদ্ধে অনেক এসএমএস লিখতাম যা তুমি দেখেছ কিনা জানিনা।

পিউঃ আচ্ছা তাহলে এসএমএস গুলা তুমি দিতা বাট আমার ভালবাসায় আমার বিশ্বাস ছিল তাই ঐ গুলায় আমাকে আলাদা করতে পারেনি ইনপেক্ট আমি কখনো আরিয়ানকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস ও করিনি।

ইশুঃ,,,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,

#True_Love_Never_Breaks
#Writer_Fayeja_Sultana_Piu
#Part_07

ইসুঃ হুম আমি বুঝে গেছিলাম এই সব এসএমএস এ তোমাকে আরিয়ান এর কাছ থেকে আলাদা করতে পারবনা তাই তো আমাকে আরো কিছু ভাবতে হল যেটা কাজে দেয়।হুম আর সেটা কাজেও দিল।

পিউঃ মানে কি করেছ তুমি বুঝিনি।

ইসুঃ বলতেছি ওয়েট।সেদিন তুমি কি দেখেছিলেসেটা বলতো আগে।

পিউঃ তোমরা যা করেছিলে তাই দেখেছি।

ইসুঃ আমি বলতে চাচ্ছি কি দেখেছিলে সেটা বল তুমি।

পিউঃ আমি দেখেছি তুমি আর আরিয়ান জড়িয়ে আছ আরিয়ানের মুখ তোমার মুখের উপর।

আরিয়ানঃ আরে আমিতো,,,,

ইসুঃ তুমি চুপ কর আরিয়ান আমি বলতেছি।আসলে ঐ দিন আরিয়ান আমাকে জড়িয়ে ধরেনি।তোমাকে দেখে আমি মাথা গুরিয়ে যাওয়ার নাটক করে পরে যাচ্ছিলাম তো আরিয়ান আমাকে ধরে ফেলেছিল।আর আমি তখন ওকে জড়িয়ে ধরি যাতে তুমি বুঝ দুইজন দুইজনকে জড়িয়ে আছি।

পিউঃ আচ্ছা বুঝলাম বাট কিস।

ইসুঃ ঐটা কিস ছিলনা আমি চোখ অফ করে ছিলাম তাই হাত দিয়ে আমার মুখের কাছে এসে আমাকে ডাকতেছিল আর তখন আরিয়ানের মুখ আমার মুখের কাছে চলে আসে যা অপজিট থেকে দেখলে মনে হবে কিস করতেছে আর সেটা তুমিও দেখলে।আসলেই আমাদের মধ্যে কিছু ছিলনা সেই দিন যা দেখেছ সব আমার দেখাতে তুমি দেখেছ।আমি জানি আমি ভুল করেছি।বুঝেছি জোর করে ভালবাসা পাওয়া যাই না।তেমনি আমিও পাইনি।জানো সেদিন তুমি ভুল বোঝার পর আরিয়ান আমাকে থাপ্পর মেরে তাড়িয়ে দিয়েছিল আমার ফ্রেন্ডশিপ সহ শেষ করে দিছিল।

পিউঃ আমি কি করেছি এভাবেই আরিয়ানকে ভুল বুঝলাম। এখন কি আরিয়ান আমাকে মাফ করবে।(মনে মনে)।

আরিয়ান তোমাকে কি বলব বুঝতেছিনা।কি করব ঐ সিন দেখে মাথা ঘুরে গেছিল।ভালবাসার মানুষ এভাবে অন্য কাউকে জড়িয়ে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেছিল।প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও সরি আরিয়ান।কান্না করে।

আরিয়ানঃ আমি চলে যাচ্ছি তোমার ভুল ভাঙ্গানোর ছিল ভাঙ্গিয়ে দিছি।এখন আমার আর কোন দুঃখ নাই।আসি।

পিউঃ আরিয়ান আমাকে কি ক্ষমা করা যায়না প্লিজ। জানি তুমি কষ্ট পেয়েছ।বাট আমিও কিন্তু কম পাইনি প্রতিটি মুহুর্তে তোমাকে ফিল করেছি তোমার সৃতি গুলা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেয়েছে।আমি বাচবনা তোমাকে ছাড়া আমাকে ছেড়ে যেওনা প্লিজ জান।

ইসুঃ আরিয়ান পিউ কে কাছে টেনে নাও এখানে ওর কোন দোষ নাই।প্রেমিকাকে অন্য কোন মেয়ের সাথে এভাবে দেখে ভুল বুঝাটায় স্বাভাবিক।তাই এতে পিউর দোষ নাই তুমি ওকে আবার আপন করে নাও।

আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ থেকে পিউর সামনে গেল।পিউ মুখ তুলে থাকালো আরিয়ানের দিকে দুজনে দুজনের চোখের ভাষা পড়তে ব্যস্ত।ইসু সেখান থেকে চলে যেতে নিলে পিউ ডাক দেয়।ইসু পিউর দিকে তাকাই।পিউ বলে,,

পিউঃ সরি ইসু তোমার ভালবাসা আমি নিয়ে নিলাম তোমার মনে কষ্ট দিলাম।

ইসুঃ তুমি আসলে একটা পাগলি ও আমার ভালবাসা ছিল টিক বাট আরিয়ান তোমার ভালবাসা।ও তোমাকেই ভালবাসে তাও আবার নিজের থেকে বেশি তেমনি তুমিও আরিয়ানকে ভিষন ভালবাস সেটা আমি বুঝে গেছি।আর এসবের মাঝে আমার এক পক্ষিক ভালবাসা অতি নগন্য।সেটা বুঝিনি ভালবাসাই অন্ধ ছিলাম তাই পাওয়ার জন্য এতকিছু করেছিলাম বাট এখন বুঝে গেছি তোমাদের ভালবাসা অটুট।যা কেউ কোনদিন ভাঙ্গতে পারবেনা।তোমরা প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দিও।

পিউঃ কি বলতেছ তুমি।তুমিও যা করেছ তোমার ভালবাসার জন্য করেছ।আর ভালবাসায় সব সঠিক।ভালবাসার জন্য সব কিছু করা জায়েজ।তাই এতে তোমার কোন দোষ নাই।দোয়া করি তোমার লাইফেও এমন কেউ আসবে যে তোমাকে তোমার থেকেও বেশি ভালবাসবে।

আরিয়ানঃ হুম ইসু তোমার দোষ দিবনা আমরা।কারন ভালবাসা মানুষকে অন্ধ করে দেয় যেমনি পিউর প্রেমে আমি অন্ধ।ওকে ছাড়া আমি এক মুহূর্ত ও বুঝিনা।এই কইদিনে বুঝে গেছি ও আমার লাইফে কি।জানো ওর সামনে গিয়ে দাড়াতে পারতামনা তাতে কি আড়ালে দেখতাম ছুতে পারতামনা তাতাে কি মন দিয়ে ওকে ছুতাম।ওর পিক বুকে জড়িয়ে ঘুমাতাম আর ওকে ফিল করতাম।

পিউ আরিয়ানের কথা শুনে অবাক হল সাথে লজ্জা ও পেল।

পিউঃ তুমি আমাকে প্রতিদিন দেখতে?

আরিয়ানঃ প্রতিদিন না প্রতিমুহূর্তে দেখতাম তুমি কি কর কোথাই যাও সব কিছু।

পিউঃ আমিত কোন দিন খেয়াল করিনি।

আরিয়ানঃ আমিও প্রকাশ করতে দিনি যাতে তুমি দেখে রিয়েক্ট কর।তাই তো আড়ালে থেকে দেখেছি আর ভালবেসেছি।

পিউঃ আচ্ছা হয়েছে আর ভালবাসা দেখাতে হবেনা।

আরিয়ানঃ আমি কি শুধু এখন দেখাচ্ছি নাকি সেই প্রথম দিন থেকেই চোর বানিয়ে মন চোরি করে ফেলেছিলে আর তখন থেকে ভালবাসা দেখাচ্ছি।

পিউঃ হুম তুমি তো চোর ওই।হু।

ইসুঃ আচ্ছা আমি যাই এখন।

আরিয়ানঃ কই যাবা তুমি এখন।

ইসুঃ কোথাই যাব আর সিলেটে ফিরব আবার।

পিউঃ কিছুদিন থেকে যাও না আমাদের সাথে।

ইসুঃ এখনো তোমার সাথে ফ্রেন্ডশিপ ও করতে পারলাম না আবার থাকা।

পিউঃ ওমা কি বল এসব আচ্ছা আজ থেকে তুমি আমার ফ্রেন্ড।

ইসুঃ সত্যি তো।

পিউঃ এককেবারে পাক্কা তিন সত্যি।

ইসু এসে পিউ কে হাগ করল পিউ ও করল।আরিয়ান এসব দেখে হাসি দিল।আসলেই পিউ যে কাউকে আপন করে নেই না হলে যে মেয়ে তার লাভার কে তার থেকে আলাদা করতে চেয়েছিল তাকে আজ ফ্রেন্ড বানালো আজব মেয়ে ভাবতেছে আরিয়ান।

ইসুঃ ওকে আমি যাই আন্টিদের বলি।

আরিয়ানঃ কি বলবা।

ইসুঃ তোমাদের কথা এই বলে চলে গেল।

পিউ আরিয়ানের দিকে ভয়ে থাকাল কি হবে এরপর যদি ফ্যামিলি মেনে না নেই কি করে থাকবে ওরা কি করে মেনেজ করবে ফ্যামিলিকে,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here