True_Love_Never_Breaks,Part_11,12,13

#True_Love_Never_Breaks,Part_11,12,13
#writer_Fayeja_Sultana_Piu
#Part_11

সিহাব চৌঃ তো আমরা চার হাত এক করার ব্যবস্থা করি কি বলেন বিয়াই সাহেব।

মিজান তাঃ আপনার মর্জি আপনি যা বলেন তাই হবে আমার কোন কথা নাই।

সিহাব চৌঃ ওকে তাহলে সামনে মাসে একটা ডেট ফিক্স করা হবে কি বলেন।

মিজান তাঃ টিক আছে বিয়াই।

মৌমিঃ এই খুশিতে মিষ্টি মুখ হয়ে যাক।এক প্ল্যাট মিষ্টি সামনে ধরে।

সবাই সবাইকে মিষ্টি খাওয়ায় দিল।

মৌমিঃ আচ্ছা আজ মিমের শশুর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল আরু কখন যাবি।

আরিয়ানঃ এই তো আম্মু একটু পর।

সিহাব চৌঃ সাথে ইসু আর পিউ কেও নিয়ে যাস।আর রাস্তায় সাদুকে ও নিয়ে নিস ওকে আমি বলে রেখেছি ওর হ্যাজবেন্ড যেতে পারবেনা তাই ও একাই যাবে।

আরিয়ানঃ টিক আছে।তোমরা রেডি হয়ে নাও একটু পর বের হব।

ইসু ও পিউঃওকে।এই বলে ওরা রুমে চলে গেল।

ইসু আসার সময় কাপড় নিয়ে এসেছিল তাই তার কোন প্রবলেম হয়নি আর পিউর কাপড় তো মিমের রুমে আছে তাই দুজনেই কাপড় পড়ে রেডি হয়ে নিল।যখন আরিয়ান ওদের ডাকল তখন পিউ বোরকা পড়ল তা দেখে ইসু বলল,,

ইসুঃ এত সুন্দর কাপড় পরে তার উপর তুমি কালো বোরকা পড়তেছ কেন।তাহলে তো এত সুন্দর কাপড় পড়ার মানে নেই।

পিউঃ আরিয়ানের আদেশ বাইরে গেলে যেন বোরকা পড়ে বের হয় কারন ও ছাড়া কেউ আমাকে দেখুক সে চাইনা।

ইসুঃ বাব্বাহ কত প্রেম।

পিউঃ হুম ও আমার ভাগ কাউকে দিতে চাইনা আর আমিও চাইনা ওর ভাগ কাউকে দিতে।

ইসুঃ হুম বুঝলাম কিন্তু তুমি বোরকা পড়ে গেলে আমি এভাবে গেলে কেমন দেখায় না পিউ।

পিউঃ কেন তুমিও বোরকা পড়।

ইসুঃ আমার তো বোরকা নাই।

পিউঃ এটা কোন প্রবলেম হল,নাকি ওয়েট। এই বলে পিউ মিমের আলমারি থেকে একটা বোরকা এনে দিল।

ইসুঃ এক্সট্রা বোরকা আছে তোমার।

পিউঃ না এটা মিমের। এখানে ছিল তাই তোমাকে দিলাম।

ইসুঃ থ্যাঙ্কস।

পিউঃ ওয়েলকাম।

তখনি,আরিয়ান ডাক দিল, পিউ আর ইসু নিছে নামল।আরিয়ান পিউ কে দেখে মুচকি হাসল।আর বলল অনেক ভাল লাগতেছে।আরিয়ানের কথায় ইসু অবাক হল।কালো বোরকা পড়ে আছে আর বলতেছে অনেক ভাল লাগতেছে পাগল নাকি।আজকাল বয়ফ্রেন্ড রা প্রেমিকাদের নিউ মডেলে দেখতে চাই যত স্মার্ট হবে ততই তারা প্রশংসা করে আর আরিয়ান বোরকা তে কিছু বলল না তার উপর ভাল,লাগতেছে।সত্যি ওদের জোটি টা আল্লাহর রহমত দিয়ে ঘেরা।এসব ভাবতে ভাবতে ইসু দেখল গাড়ি মাঝ রাস্তায় থামাল আর একটি মেয়ে উঠে এল মনে হয় সাদু হবে কারন আঙ্কেল বলেছিল রাস্তা থেকে সাদু নামে কাউকে নিতে।সাদু উঠেই শুরু হয়ে গেল পিউ আর সাদুর আড্ডা।আড্ডা দিতে দিতে ওরা মিমের শশুর বাড়ি পৌঁছে গেল।সালাম বিনিময় করল সকলের সাথে তাদের বসার জায়গা দেওয়া হল।

মিম এতক্ষণ রুমে ছিল সে চাইলে মাত্র আসা যায়না নতুন বউ বলে একটা কথা আছে।তাই একটু পর আসল সাথে মেরাজ ও।

মিমকে দেখে পিউরা দাড়ালো। মিম ওদের দেখে দৌড়ে এসে পিউকে জড়িয়ে ধরল।

পিউঃ কেমন আছিস জানু।

মিমঃ আলহামদুলিল্লাহ তুই।কেমন আছিস সাদু বেবি।

সাদুঃ আলহামদুলিল্লাহ।

পিউঃ আলহামদুলিল্লাহ। আসসালামু আলাইকুম জিজু আপনি কেমন আছেন।

মেরাজঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম আলহামদুলিল্লাহ। তোমরা কেমন আছ।

আরিয়ান ও ইসুঃ আসসালামু আলাইকুম। আমরা আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি আপনি।

মেরাজঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম আমিও ভালো আছি।তোমাদের কে চিনলাম বাট একে তো চিনলাম না।

মিমঃ হুম ওকে তো আমিও চিনলাম না ও কে রে পিউ।

সাদুঃ আমিও চিনিনা।

পিউঃ ও তোর ভাইয়ার ফ্রেন্ড।ইসরাত।

মিমঃ হাই আমি মিম।

ইসুঃ আমি ইসরাত আমাকে ইসু বলে ডাকতে পারো।

ওরা গল্প করতে করতে ট্রে করে নাস্তা নিয়ে আসল এক সুদর্শন পুরুষ। বয়স হয়ত ২৭_২৮ হবে দেখতে মাশাল্লাহ একদম হিরোর মত।নাস্তা নিয়ে এসেই বলতে লাগল ভাবি তোমার বান্ধবী কোনটা সিঙ্গেল আছে বল আমি লাইন মারব।

মিমঃ শুরু হয়ে গেল তোমার বাদরামি।পাগল ছেলে।

ঈশানঃভাবি এভাবে বলতে পারলে।আচ্ছা বাদ দাও তুমি তো আর পরিচয় করাই দিবেনা আমি না হয় পরিচয় দিয়ে দি আমার।

মিমঃ ওকে দাও।

ঈশানঃ হ্যালো গাইস আমি ঈশান চৌধুরী। এই কিউট ভাবিটার একমাত্র দেবর আর আপনারা।

আরিয়ানঃ আমাকে তো চিনস ইশান।

ঈশানঃ আপনি কে আপনাকে তো আমি চিনিনা।

আরিয়ানঃ ফাজলামি বাদ দে হারামজাদা।

ইশানঃওকে ওকে বাদ দিলাম বাট তুই তো আমার ফ্রেন্ড ভাবির কি হোস।

আরিয়ানঃ কেন জানিসনা আমি কে।তুই কি বিয়েতে ছিলিনা।

ঈশানঃ ছিলাম তবে ভাবির বাপের বাড়িতে যেতে পারিনি অসুস্থ ছিলাম একটু।

আরিয়ানঃ ওহ।আমি মিমের বড় ভাই।

ঈশানঃকি বলিস তাই নাকি।তাহলে তো সম্পর্কে তুই আমার বিয়াই লাগিস।

আরিয়ানঃ হুম লাগি।

ঈশানঃতোর কথা বাদ দে ওদের পরিচয় করায় দে।

আরিয়ানঃ ও হচ্ছে পিউ পিউর দিকে দেখিয়ে আর ও হচ্ছে সাদু সাদুকে দেখিয়ে আর ও ইসু ইসুকে দেখিয়ে।

ঈশানঃ পিউ মিনস আমাদের ভাবি তাইনা যার জন্য তুই আমাদের কান ঝালা পালা করে ফেলতি পিউ এই পিউ সেই।

ঈশানের কথাই পিউ লজ্জা পেল তা দেখে ইশান বলল

ঈশানঃলজ্জা পেতে হবেনা আমি এমনই চাইলে বন্ধু ভাবতে পারো আমি কিন্তু অতটা খারাপও না।

পিউঃ আরে কি,বলেন খারাপ হবেন কেন আর ফ্রেন্ড,,আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে। আরিয়ান ইশারাই সম্মতি দিল।পিউ সম্মতি পেয়ে ঈশানের দিকে হাত বাড়িয়ে বলল ফ্রেন্ড বানাতে আপত্তি নাই।

ঈশানঃ তাহলে আমরা ফ্রেন্ড হাত মিলিয়ে।।আর ও হচ্ছে সাদু মানে ভাবির দুই বপস্টুর একজন।হাই সাদু।

সাদুঃ হাই।

ঈশানঃ চাইলে তুমিও ফ্রেন্ড হগে পারো আমি কিন্তু ফ্রেন্ড বানাতে ভালবাসি।

সাদুঃ অবশ্যই,, কেন নয়।

ঈশানঃ তাহলে আজ থেকে তুমিও আমার ফ্রেন্ড কেমন হাত বাড়িয়ে।

সাদুঃ হুম আজ থেকে আমরা ফ্রেন্ড হাত মিলিয়ে।

ঈশানঃ আর ও কে বলল ওমমমম ও হে মনে পরেছে ইসু এই বলে ইসুর দিকে তাকালো।তাকাতেই চুপ হয়ে গেল সে।মুহূর্তেই মুখ টা মলিন হয়ে গেল।ইসুর দিকে তাকিয়ে শুধু হাই দিল।

ইসু এতক্ষণ শুধু ঈশানকেই দেখতেছে ও ভাবেনি এই ভাবে ওকে আবার দেখবে।মনের মাঝে কেমন জানি চাপা কষ্ট হল।
ইসুঃ (আমার কেন এমন লাগতেছে আমি তো ওকে ভালবাসিনি শুধু বাজি ধরেই ভালবাসার নাটক করেছিলাম।তাহলে আজ ওকে দেকে এমন কেন লাগতেছে।তখনি ও হাই বলল) হাই।

আরিয়ানঃ তুই না সিঙ্গেল কাউকে খুজছিলি ইসু সিঙ্গেল আছে ট্রাই করে দেখতে পারিস।

ঈশানঃ( হাহ যে মেয়ে মিনিটে মিনিটে প্রেমিক পাল্টায় বাজি তে হাজারো প্রেমিক জোটায় সে নাকি সিঙ্গেল।আচতে করে বলল যাতে কেউ শুনতে না পাই।) না লাগবেনা রে। অন্য কাউকে দেখবোনি।

আর কেউ ঈশানের কথা না বুঝলেওও ইসু টিকই বুঝেছে ঈশানের কথা গুলো।

আরিয়ানঃ হুম তুই প্রেম করবি কেন তুই তো এখনো সেই প্রতারকের জন্য বসে আছিস যে তোকে বাজিতে প্রেমের ফাদে ফেলেছিল।

ঈশানঃ বাদ দে না এসব আরিয়ান আমি ঐ সব ভুলে গেছি।

আরিয়ানঃ ভুলতে চাইলে কি ভুলা যায় নাকি?

মিমঃ তোমরা কি শুরু করেছো বলতো নাস্তা তো তোমাদের পেটে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছে শুরু কর তোমরা।

ঈশানঃ হুম নাস্তা নে তো।এসব কথা বাদ দে।

আরিয়ানঃ হুম।সবাই মিলে নাস্তা করে নিল।নাস্তা শেষে পিউ,সাদু আর ইসুকে একটা রুম দেওয়া হল বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আর আরিয়ান কে ঈশানের রুমে নিল ঈশান।সবাই যার যার রুমে শুয়ে আছে কিন্তু কেন যেন ইসুর শুতে ইচ্ছে করতেছে না তাই সে পিউদের বলে রুম বাইরে এসে ছাদে গেল।সেখানে দেখতে পেল একটা ছেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।সেই ছেলেটা আর কেউ নয় সে হচ্ছে ঈশান।ইসু আরও একটু সামনে যেতেই ঈশান বলল।

ঈশানঃতুমি,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,

#True_Love_Nevar_Breaks
#Writer_Fayeja_Sultana_Piu
#Part_12

ঈশানঃ তুমি এখানে,,,ঘুমাওনি কেন।

ইসুঃ আমি আসছি সেটা না দেখে বুঝলে কি করে।

ঈশানঃ যাকে প্রতিনিয়ত অনুভব করি।যার নিশ্বাস আমার চির চেনা যার ঘ্রাণ চির আপন তার উপস্থিতি বুঝবনা তো কার টা বুঝবো বলো।

ইসু কি বলবে বুঝতেছে ঈশান যে ওকে এত ভালবাসে সে জানতোনা সেত কখনো ভালবাসা বুঝেনি শুধু বন্ধুদের বাজির পাল্লায় পরে প্রেমে জড়াতো যখন প্রেমে পরত তার কয়েক দিন পরেই কিছু একটার দোহাই দিয়ে ব্র্যাকআপ করে পেলতো।কিন্তু আজ ঈশানের এমন ভালবাসা দেখে ওর মনে কিছু একটা হতে চলেছে।ও তো শুধু আরিয়ান কেই ভালবাসতো কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস সে যাকে ভালবাসে সে তার হলোনা।আর অপরদিকে তাকে ভালবেসে অন্য একজন কঠোর ভাবে কষ্ট পাচ্ছে।ইসু প্রশ্ন করলো,,

ইসুঃ তুমি আমাকে এতটাই ভালবাস বাট কেন।

ঈশানঃ ভালবাসতে কি কারণ লাগে ইসু পাখি।

ঈশানের মুখে ইসু পাখি টা শুনে বুকের মাঝে ধুক করে উঠলো ইসুর।এই নাম টা সেই প্রথম থেকে ইসুর ভাল লাগতো। কিন্তু তখন সেটা সেভাবে পাত্তা দেইনি তবে আজ কেন এই ডাকটা এতটায় মনকে উতলা করে দিচ্ছি ইসুকে।সে আবারও বলল

ইসুঃ ভালবাসতে কারণ লাগে না কিন্তু ঘৃণা করতে তো,কারণেই যথেষ্ট তাইনা ঈশান।

ঈশানঃ হুম লাগে বাট আমার কাছে ঘৃনা করার কোন কারন নাই।

ইসুঃ কারণ নাই মানে আমি তোমাকে নিজ ইচ্ছায় প্রপোজ করে,আবার নিজেই কোন কারন ছাড়া ব্র্যাকআপ করলাম এই টাই কি ঘৃনার জন্য যথেষ্ট নয়।

ঈশানঃ হয়তবা বাট যাকে মন থেকে ভালবাসে তাকে কখনো ঘৃনা করা যায়না।আর তাই আমিও পারলাম না ঘৃনা করতে।

হঠাৎ পিছন থেকে কেউ বলে উঠল বাহ তাহলে তুমি সেই মেয়ে যে হাজারো ছেলেকে প্রেমের ফাঁদে পেলতে।কারো কথা শুনে ঈশান ইসু দুজনেই থমকে গেল পিছনে ফিরে দেখতে পেল আরিয়ান।

ঈশানঃ আরিয়ান তেমন কিছু না আসলে,,,,,,,

আরিয়ানঃ কি আসলে বল,,,কি বলবি তোর বলার কি আছে।

ঈশানঃ আরিয়ান যা হয়ে গেছে গেছে ঐসব বাদ দেতো সে অন্য কাউকে পছন্দ করে হয়তো।

আরিয়ানঃ ছি ইসু আমি তোমার পিউকে বলা লাস্টের কথা গুলো শুনে ভাবছিলাম তুমি সত্যি আমাকে ভালবাসতে তাই এসব করেছিলে কিন্তু এখন বুঝতেছি ঐটাও তোমার বাজির খেলা ছিল।

ইসুঃ না আরিয়ান আমি মানছি আমি অনেকের সাথে বাজি ধরে প্রেমে ফেলেছি বাট তোমার প্রতি আমার ভালবাসা কোন বাজি ছিলনা আমি মন থেকেই তোমাকে ভালবেসেছিলাম।

ঈশান আরিয়ান আর ইসুর কথা কিছুই বুঝে পারতেছেনা সে শুধু তাকিয়ে আছে তবে এইটা তার বোধগম্য হলো যে ইসু আরিয়ানকেও ভালবাসার ট্রাই করেছিল।এটা মনে আসতেই ঈশানের হৃদয় টা যেন ভেঙ্গে চৌচির হয়ে গেল।তার ভালবাসার মানুষ তার বন্ধু কে ভালবেসেছে।তবে এক প্রকার শান্তি মিলল ঈশানের যে আরিয়ান ইসুর ভালবাসা গ্রহন করেনি।করবেইবা কি করে তার যে আগে থেকে ভালবাসার মানুষ কে আপন করে নিয়েছে।ঈশান কিছু বলতেছেনা চুপ করে আছে।

আরিয়ানঃ সত্যি ভালবাসলেও ভুল মানুষকে ভালবেসেছো।আর যে তোমাকে ভালবেসেছে তার ভালবাসা পায়ে ঠেলে দিছো।

ঈশানঃ এসব এখন থাক চল তো বিশ্রাম নিবি।বিশ্রাম না নিয়ে এখানে কেন তুই।

আরিয়ানঃ শুয়ে থাকতে ভালো লাগছিলনা তাই হাটতে হাটতে এদিকে চলে আসলাম।আসছি বলেই তো এসব শুনলাম না হলে তুই কখনো ইসুর কথা বলতিস না।

আরিয়ানের কথা শুনে ইসু ঈশানের দিকে তাকালো সে দেখতে পেল ঈশানের মুখে কষ্টের চাপ ফুটে উঠেছে। তার মানে আরিয়ানের ভলাবাসার কথা শুনে ঈশান কষ্ট পেয়েছে।

ঈশানঃ আচ্ছা চলতো এই বলে আরিয়ান কে নিয়ে চলে গেল।

ইসু ছাদেই রয়ে গেল ঐ আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতেছে ঈশানের কথা।সত্যি ছেলেটা ওকে অনেক ভসলবাসতো আজ নিজের জন্য সে হারালো তাকে।এখন চাইলেও পাবেনা হয়তো ঈশান কোনদিন ও মেনে নেবেনা।একটা চাপা নিশ্বাস ফেলে আবারো ঐ আকাশ দেখতে ব্যাস্ত হয়ে পরল।আজ আকাশের বুকে নাই কোন মেঘ। হয়তো আজ আকাশের বুকে কোন দুঃখ নাই মনে হয় সে তার মনের মানুষ কে আপন করে পেয়েছে তাই আজ খুশি।কিন্তু আজ ইসুর মনে কোন আলো নাই মেঘে ঘেরা তার মনের আকাশ।ইসু আনমনে বলতে লাগল আজ আরিয়ানের ভালবাসার কথা শুনে তোমার মুখে যেই কষ্ট দেখেছি সেটা দেওয়ার আমার কোন রাইট নাই।তাই তোমাকে আমার সরি বলতে হবে ঈশান।

🌺🌺

পিউ আর সাদু শুয়ে আছে কিছুক্ষণ গল্প করে দুজনেই ঘুমিয়ে পরল আগের দিন বিয়ে আর আজ জার্নি হল তাই ঘুম মামা তাড়াতাড়ি ধরা দিল হঠাৎ পিউর ফোনে একটা কল আসল প্রথমে একবার বেজে গেল ঘুমের ঘুরে ধরতে পারেনাই আবার ও আসল যখন হাতাড়াতে হাতড়াতে ফোন নিয়ে কানে দিল।সাথে সাথে পিউর ঘুম উদাও হয়ে গেল ওপাশের ভয়েস শুনে।ঘুমের বদলে পিউর মুখে ভিড় করল একরাশ ভয়।মনে হয় ভয় এখন তাকে শেষ করে দিবে।,,

🌺
ঈশান আর আরিয়ান রুমে গেল।ঈশান দেখতেছে আরুয়ান তাকে কিছু বলার জন্য মুখ খুলতেছে তার আগেই ঈশান বলল,

ঈশানঃ তুই বস আমি ফ্রেশ হয়ে আসি।

আরিয়ানঃ এখন কিসের ফ্রেস।

ঈশানঃ আর বলিসনা শরীর টা যে কেমন কেমন করতেছে অস্বস্তি লাগতেছে।

আরিয়ানঃ কেমন কেমন লাগতেছে সেটা কি ফ্রেস হলে চলে যাবে অস্বস্তি লাগা টা মুছে যাবে কি ঈশান।

ঈশানঃ কেন যাবেনা।যাবে তুই থাক আমি ফ্রেশ হয়ে আসতেছি।

আরিয়ানঃ তুই নিজেও জানিস ফ্রেশের মাধ্যনে কখনো ভালবাসা ধুয়া যায়না তাই তুই হাজার বার ফ্রেশ হলেও তোর এই অস্বস্তি টা কাটবেনা।এটা তোর শরীরের প্রবলেম না এটা তোর মনের প্রবলেম।

ঈশানঃ তেমন কিছু না। ফ্রেশ হলে টিক হয়ে যাবে।

আরিয়ানঃ ওহ তাই নাকি তাহলে যা গোসল করে ইু কে মন থেকে ধুয়ে ফেলিস।

ঈশানঃ যাকে মনের ঘরে যতন করে আকড়ে রেখেছি তাকে কি ধুয়া যায়।

আরিয়ানঃ এক্সাক্টলি। আমিও সেটাই বলতে চাইতেছি।তোর এই অস্বস্তি টা ইসুকে দেখে হয়েছে তোর ভালবাসা তোর সামনে থেকেও তাকে ছুতে না পারা তার সাথে মনের কথা বলতে না পারা তার ইফেক্ট হিসেবে এই অস্বস্তি টা।বুঝলি এবার।

ঈশানঃ বুঝছি রে সব। কি আর করব সেতো আর আমাকে ভালবাসেনা।আমার ভালবাসার কোন মূল্যই নাই তার কাছে।কখনো বুঝবেনা আমাকে আর হয়তো কখনো আপন করে পাওয়া হবে না তাকে।

আরিয়ানঃ চিন্তা করিস না সে অতি তাড়াতাড়ি তোর ভালবাসা বুঝবে আর তোরি হবে।

ঈশানঃ হবে না রে।আমি জানি ওকে।

আরিয়ানঃ ভুল জানিস।ওর মনেও তোর জন্য ভালবাসা আছে বাট সেটা ও উপলব্ধি করতে পারতেছেনা।ওর মনে তোর জন্য ভালবাসা আছে সেটা তোকেই বের কীতে হবে।

ঈশানঃ সত্যি কি আছে আমার জন্য ওর মনে ভালবাসা।

আরিয়ানঃ হুম আছে আমি নিশ্চিত।বাট এখন ওর মুখ থেকে বের করা বাকি।আার তার জন্য তোকে নাটক করতে হবে।

ঈশানঃ কি করতে হবে আমাকে।

আরিয়ানঃ অন্য কারো সাথে প্রেমের নাটক করতে হবে ইসুর সামনে।

ঈশানঃ কি বলতেছিস এসব।তুই জানিস আমি ইসুকে ছাড়া কোন মেয়েকে এই চোখে দেখিনা।

আরিয়ানঃ তোকে ঐ চোখে কে দেখতে বলেছে আমিতো নাটক করতে বললাম।যাতে ইসু জেলাস হয়ে তার মনের কথা মুখে,বলে দেয়।

ঈশানঃ চেচচ চমি পারবনা এসব কিছু।

আরিয়ানঃ না পারলে ওকে পাওয়ার কথা ও ভুলে যা।

ঈশানঃ এমন করে বলিসনা আচ্ছা করব কিন্তু এসব করলে সে আমার হবেতো।

আরিয়ানঃ একশ তে একশ হবে দেখেনিস।

ঈশানঃ তাহলে আমিও রাজি।দেখি ইসু পাখি এবার তুমি না বলে কই যাও।কাল এখন থেকে শুরু হবে তোমাকে জোলাস করানোর মিশন।

কার ফোন ছিল ঐটা আর কি বা কারনে পিউর মুখে ভয় দেখা দিল।ঈশানের প্ল্যান কি কাজে দিবে।ইসু আর ঈশানের মাঝে কি সব বাধা ভুল বুঝাবুঝি বাদ দিয়ে নতুন করে আপন করে নিবে। জদনতে হলে পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।ধন্যবাদ।

চলবে,,,,,,,,,

#True_Love_Never_Breaks
#Writer_Fayeja_Sultana_Piu
#Part_13

🌺🌺
পিউ ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে কেউ একজন বলল

ওপাশেঃ কি খবর জানেমন।ভুলে গেছো মনে হয় আমায়।

পিউঃ কেেেে,,,কেে আপনি।

ওপাশেঃ তোমার কথার ধরন দেখে বুঝে গেছি তুমি আমাকে চিনেছো এতো কে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নাই বেবি।

পিউঃ তুমি কেন কল করেছো আয়ান।কি চাও তুমি।

আয়ানঃ আমি কি চাই সেটা তুমি ভালো করেই জানো বেবি।

পিউঃ তুমি যা চাও সেটা কখনো হবার না আয়ান।আমি আরিয়ান কে ভালবাসি।আর আমি ওকে নিয়ে লাইফ কাটাতে চাই।

আয়ানঃ তুমি চাইলেতো আর আমি মেনে নিবনা।আজ সাত বছর ধরে তোমার পিছনে পড়ে আছি শুধু তোমার একটু ভালবাসার জন্য আর সেই তুমি দ্বিতীয় কাউকে তোমার জীবনে জায়গা দিয়ে দিবে সেটা আমি বসে বসে দেখব ভাবলে কি করে।আরিয়ান আমার পরে তোমার লাইফে এসেছে তাহলে আমাকে ছেড়ে ওকে ভালবাসা সেটা কিভাবে সইবো বলো।

পিউঃ আমি আরিয়ান কে ভালবাসি।কারন ওর জন্য আমার ভালবাসার ফিলিংস টা আসে যেটা তোমার জন্য আসেনা।

আয়ানঃ কেন,, কেন আসেনা বলো। আরিয়ানের মাঝে কি,এমন আছে যেটা আমার মাঝে নাই।উত্তর দাও।

পিউঃ কি আছে সেটা তো জানিনা বাট ওর মাঝে আমার ভালবাসার ফিলিংস টা পেয়েছি।

আয়ানঃ আমি এতো কথা শুনতে চাইনা তুমি শুধু আমার।আমার ছাড়া কারও হতে দিবনা।মনে রেখ,কথাটা এই বলে আয়ান ফোন কেটে দিল।

পিউ হাতে নিয়ে ভাবতেছে কি হবে এখন মনে করেছি আয়ান পাগলামি বাদ দিছে। কিন্তু হঠাৎ আবারও এ সবের মানে টা অনেক বিপদজনক। সে যা বলে তাই করে।কিন্তু আমি তো ওকে ভালবাসিনা।কি করব আমি আরিয়ান কে কি জানাবো আয়ানের কথা।জানালে আমাকে ভুল বুঝবেনা তো।না আবার যদি কারো কাছ থেকে শুনে তাহলে আরও বেশি ভুল বুঝবে যায় বলে আসি যা হওয়ার হবে এতে আমার কি দোষ আমি ত আয়ান কে ভালবাসিনা সেই সাত বছর ধরে পিছনে আটার মত লেগে আছে মাঝখানে কয়েক মাস চুপ ছিল ভাবলাম বুঝে গেছে আমি ভালবাসিনা সেটা তাই পাগলামি ছেড়ে দিছে।না এখন দেখতেছি ছেড়ে দেইনায়।এসব ভাবতে ভাবতে ঈশানের রুমে গেলাম যেখানে আরিয়ান আছে।পিউকে দেখে ঈশান বলল

ঈশানঃ বাব্বাহ এক মুহুর্ত ও দূরে থাকা সহ্য হয়না তাই দেখতে চলে আসছ।

আরিয়ান আর ঈশান গল্প করছিল তখন ঈশান পিউকে দেখে বলল।ঈশানের কথা শুনে আরিয়ান চোখ তুলে পিউর দিকে তাকালো।

পিউঃ আসলে তা না আমি একটা কাজে আসছিলাম।

ঈশানঃ বুঝি বুঝি সবি বুঝি।মিস করতেছো,সেটা বলো কাজের বায়না দিতে হবেনা হিহিহি।

পিউঃ সেরকম কিছু না ঈশান,,,

ঈশানঃ আমি বুঝে গেছি ভাউ তুমি থাকো আমি বাইরে যাচ্ছি আমি আবার কারো কাবাব মে হাড্ডি হতে চাইনা।তুমি নিশ্চিন্তে প্রেম করতে পারো।ঈশানের কথায় পিউ লজ্জা পেলো।

আরিয়ানঃ আব্বে সালা এত কথা বলস কেমনে গেলে দূর হো না তাড়াতাড়ি দেখসনা আমার প্রিয়া দাড়িয়ে আছে।

ঈশানঃ উলেলেলে কি ভালুপাশা।আজ একটা ভালুপাশা নাই বলে প্রেম করতে পারিনা বাইরে চলে যেতে হয়।তবে চিন্তা করিসনা আমার ও একদিন একটা গফ্ফেন হবে তখন তোদের দেখিয়ে দেখিয়ে প্রেম করমু হু।

আরিয়ানঃ তুই যাবি এখান থেকে নাকি পা চালিয়ে দিবো।

ঈশানঃ না থাক পা পায়ের জায়গায় থাকুক তোকে এতো কষ্ট করতে হবেনা আমি চলে যাচ্ছি এ বলে চলে গেল।যাওয়ার আগে পিউকে চোখ টিপে গেল।পিউ ঈশানের চোখ টিপার কোন মানে খুজে না পেয়ে হাবলা মাছের মত ওর যাওয়ার দিকে চেয়ে রইল।তখন আরিয়ান ওকে ডাক দিল।

পিউঃ হুম বলো।

আরিয়ানঃ আমি বলবো নাকি তুমি।

পিউঃ আমি আমি।

আরিয়ানঃ আচ্ছা বলো কেমন লাগতেছে মিমের শশুর বাড়ি।

পিউঃ অনেক ভালো।সবাই ও অনেক ভালো মনের মানুষ আমাদের কত তাড়াতাড়ি আপন করে নিল।

আরিয়ানঃ হুম ওরা আসলেই ভালো।তা মহারাণী কেমন আছেন আপনি।

পিউ চোখ কুঁচকে আরিয়ানে দিকে তাকালো।ওর এমন তাকানো দেখে আরুয়ান হেসে দিল।

আরিয়ানঃ কি হলো

পিউঃ আমি কেমন আছি জিজ্ঞেস করতেছো তাই দেখতেছি তোমাকে।

আরিয়ানঃ কেন এতে দেখার কি আছে জানু।আর আমি জানি আমি যথেস্ট হ্যান্ডসাম কিউট ছেলে।

পিউঃ কিউ না ছাই হু।বজ্জাত একটা।

আরিয়ানঃ আমি বজ্জাত হলে কিন্তু তুমি বজ্জাতের বউ।

পিউঃ বয়ে গেছে আমার বজ্জাতের বউ হতে হু।

আরিয়ানঃ তাই নাকি। তা কার বউ হতে চাও হুম হুম।

পিউঃ আমি তো আমার স্বপ্নের রাজকুমার আরিয়ানের বউ হতে চাই।

আরিয়ানঃ তাই বুঝি।

পিউঃ হুম একদম তাই।আচ্ছা শুনোনা আমি একটা কথা বলার জন্য আসছিলাম।

আরিয়ানঃ হুম বলো কি কথা।

পিউঃ আসলে,,,,,, তখনি মিম আসল

মিমঃ তোমরা দুজন এখানে,,,যাও ফ্রেশ হয়ে আসো নিছে অপেক্ষা করতেছে সবাই।ঈশান কয় গেল ভাইয়া।

আরিয়ানঃ ও তো একটু আগে বের হল রুম থেকে কোথাও হবে দেখ।

মিমঃ আচ্ছা আমি ও কোথাই দেখি তোমরা আসো লেট করো না কিন্তু।

আরিয়ানঃ ওকে যা।মিম চলে গেল।

পিউঃ আমার কথা টা,,

আরিয়ানঃ এখন না পিউ পরে শুনবো দেখো এখন নিচে যেতে বলেছে আর আমরা না গেলে কিন্তু খারাপ ভাব্বে।বুঝছো জান পিউর নাক ধরে।

পিউঃ হুম বুঝছি নাক ঘষে।

আরিয়ান ফ্রেশ হতে চলে গেল আর পিউ ভাবতে লাগল হলোনা আয়ানের কথা টা বলা রাতে বলে দিব যে করে হোক।

🌺🌺
এদিকে,,,,,

ঈশান পিউ আর আরিয়ানকে প্রেম করার সুযোগ করে দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে হাটতে লাগল তখনি কেউ একজনের সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল।ঈশান দেখতে পেল তার উপর একটা মেয়ে পড়ে আছে সে মুহূর্তে বুঝে গেল সে ইসু। যখন ইসুকে চুতে যাবে তখনি আরিয়ানের কথা মনে পড়ল।সাথে সাথে হাত সরিয়ে ইসু কে উঠতে বলল।ইসু উঠে গেল সাথে ঈশান ও।

ঈশানঃ দেখে চলতে পারোনা।চোখ কি কপালে নিয়ে হাটো নাকি।সব সময় ছেলেদের কাছে যাওয়ার ধান্দা।

ঈশানের কথা শুনে ইসুর হাসি মুখটা নিমিষেই কালো হয়ে গেল ও কখনো ভাবেনি ঈশান থাকে এমন কথা বলবে।

ইসুঃ সরি আসলে আমি খেয়াল করিনি।

ঈশানঃ সরি বললে কি টিক হয়ে যাবে।কত রোমান্টিক কথা বলতেছিলো সে এখন সব মাটি হয়ে গেলো দূর।

ইসুঃ কে রোমান্টিক কথা বলতেছিলো।

ঈশানঃ তুমি জেনে কি করবে সত্তসব আজাইরা।

ইসুঃ বলনা কে সে।

ঈশানঃ শুনতে চাও তাহলে শুন আমার গফে।

ইসুঃ তোমার গফ আছে।

ঈশানঃ কেন থাকতে পারেনা নাকি।

ইসুঃ না তেমন না আসলে আমি,,,,,,

ঈশানঃ কি আসলে বলো।

ইসুঃ আসলে আমি ভাবছিলাম তুমি এখনো সিঙ্গেল।

ঈশানঃ না আমি মিঙ্গেল এখন।

ইসুঃ হুম।

ঐ ঈশান তুমি এখানে তোমাকে আমি সব জায়গায় খুজতেছি।ওমা ইসু তুমি আছো দেখতেছি ভালোই হয়ছে আর খুজা লাগলো না।

ঈশানঃ কেন এমন করে খুজতেছো ভাবি।দেবর কে মিস করার কারন কি।

মিমঃ ফাজিল পোলা কোন কারন নাই নিচে সবাই নাস্তা খাওয়ার জন্য ওয়েট করতেছে আসো।ইসু তুমি আসো আমার সাথে ঈশান আসো।

ঈশানঃ তোমরা যাও আমি আসতেছি।

মিম আর ইসু চলে গেল।ইসু যাওয়ার আগে একবার ঈশানকে দেখে গেল।ঈশান সেটা দেখেও না দেখার বান করে অন্য দিকে ফিরে গেল।ইসুর যাওয়া দেখে ঈশান মনে মনে বলতে লাগলো।জানি তুমি কষ্ট পেয়েছো তোমার মুখ দেখেই বুঝে গেছি তবে আমিও আর ভালবাসি বলবনা তোমার মুখ দিয়েই বের করবো।যতক্ষন পর্যন্ত না বলবে দেখ আরো কি কি হয় জান।এই বলে ঈশান ও চলে গেল।

🌺🌺
সাদু ফ্রেশ হতে গেল একটু আগে মিম ওকে ও ডেকে গেল তাই উঠে ফ্রেশ হয়তে গেছে।ফ্রেশ হয়ে এসে দেখলো তার ফোন বাজতেছে দেখতে পেল মোটা অক্ষরে লেখা আছে লাইফলাইন। মানে মনির কল করেছে।লাইফলাইন নামটা দেখে আপনা আপনি মুখে হাসি ফুটে উঠল সাদুর।সাদু একটু সামনে গিয়ে ফোন টা হাতে নিয়ে রিসিভ করলো।আর মিষ্টি ভয়েস ভেসে আসলো কেমন আছো জান পাখি টা আমার।উত্তরে সাদু ও বলল

সাদুঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে।জান পাখিটার জান টা কেমন আছে শুনি।

মনিরঃ জান টা একদম ভালো নাই তার জান পাখি ছাড়া।

সাদুঃ তাই বুঝি আহালে জান টার কতটা দুঃখ।

মনিরঃ হুম অনেক দুঃখ কিন্তু জান পাখিটা একদম বুঝেনা একটু ও ভালবাসেনা আমাকে।

সাদুঃ আচ্ছা আমি বলে দিবো বেশি করে,যেন ভালবাসে।

মনিরঃ সত্যি তো জান পাখি।

সাদুঃ সত্যি জান অনেক ভালবাসি তোমাকে।

মনিরঃ মিস ইউ জান।চলে আসোনা প্লিজ।

সাদুঃ আচ্ছা বাবু রাতে অফিস থেকে ফিরার সময় আমাকে পিক করে নিও কেমন।

মনিরঃ ওকে জান পাখি লাভ ইউ।

সাদুঃ লাভ ইউ টু জান।

মনিরঃ উম্মাহ😘😘😘

সাদুঃ 🥰🥰😘😘🙈🙈

ফোন কেটে সাদু নিচে গেলো।সবাই মিলে নাস্তা করলো এর ভিতর মিমের শশুর অফিসে ছিল নাস্তার টেবিলে ওনার সাথেও পরিচিত হলো সবাই।নাস্তা খাওয়ার পর যখন আরিয়ান চলে যাওয়ার কথা বলল মিমের শশুর পরিস্কার মানা করে দওল আজ কোন মতেই যেতে পারবেনা।আরিয়ান রা আর মুরব্বির কথা ফেলতে পারলেননা।কিন্তু বিপত্তি বাধল সাদুকে নিয়ে মনির কে চলে যাবে বলেই সাদু কে আনছিলো ওরা কিন্তু এখনতো যেতে দিচ্ছেনা।তখন সাদু বলল আমার জন্য চিন্তা করতে হবেনা অফিস থেকে ফিরার পথে মনির আমাকে নিয়ে যাবে।সাদুর কথা শুনে আরিয়ান একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।যার আমানত তার হাতে তুলে দিতে পারবে বলে।

চলবে,,,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here