জ্বীন রহস্য(love story)❤,Part 27(শেষ পর্ব)
Writer Maishara Jahan
জরিয়ে ধরে কিস করতে যায় আর ঠাস করে পরে যায়, মেহু হাওয়া হয়ে যায়।
,,,, আআআ ব্যাথা পাইছি, ঠিক আছে বিয়ের পরে দেখে নিবো।
আস্তে আস্তে দিন এগোতে থাকে আর রোহানের বিয়ে ঠিক হয়ে যায় তার ঠিক সাত দিন পরে আমার বিয়ে ঠিক হয়৷
রোহানের বিয়ে নিয়ে কোনো সমস্যা না হলেও আমারটা ঠিক করতে ঐই বুড়িটা ঝামেলা করে পরে মুগ্ধ আর যীন্নাত মিলে বুঝায়৷ পরে রাজি হয়।
আমি মেহুকে ভালো করে বুঝিয়ে দিয় যেনো বিয়ের পর কোনো কাজের জন্য তার জাদু ব্যবহার না করে, কারন মা দেখলে অজ্ঞান হয়ে যাবে আর বাবা দেখলে আল্লাহর কাছে চলে যাবে। আর একটা মাত্র বাপ আমার।
রোহানের বিয়ে তাই ওদের এখানে পড়ে রয়েছি, যীন্নাত ও আছে ফারার বাড়িতে সাথে মুগ্ধ ও,, কি ছেছরা বউ ছাড়া একদিন ও থাকতে পারে না।
আমি আবার এতো ছেছরা না শুধু মেহুকে চার পাঁচ বার না দশ বারো বার রোহানের বাড়িতে থাকতে বলেছি কিন্তু রাজি হয়নি, জোরও করেছিলাম কয়েক বার তাও লাভ হয়নি।
তাই রাগে মুগ্ধকে জোর করে বলতে গেলে কোনো মতে টেনে আমার সাথে রোহানের বাড়িতে নিয়ে এসেছি। বউয়ের রাগ সালার উপরে ছারলাম।
মুগ্ধ ছাদে যাচ্ছে সাথে আমিও,,, ছাদে গিয়ে হাজির।
মুগ্ধ,,,,,,, এই তোমার সমস্যাটা কি, আমাকে জোর করে এখানে টেনে আনছো আর সবসময় আমার সাথে আঠার মতো লেগে থাকো কেনো।
রিয়াদ,,,,,,,, ( যাতে আমাকে ফাঁকি দিয়ে যেতে না পারো) আরে নতুন জায়গা তো কোনো সমস্যা যাতে না হয় তাই৷
,,,,,,, বুঝি বুঝি সবি বুঝি,,, কতো দিন হয়ছে বউয়ের সাথে ভালো করে কথা বলতে পারি না, আর ভুলে যেওনা সময় আমারো আসবে কারন তোমার বিয়েটা তো আমার বোনের সাথেই। 😏😏
,,,,,,,,, ( আয় হায় কই কি🥶) আরে বলো কি আমি তো তোমার ভালোর জন্যই তোমার সাথে সাথে থাকি। যদি কেও তোমার সম্পর্কে যেনে যায়। চলো চলো নিচে চলো।
রোহানের বিয়ে সুন্দর ভাবে হয়ে যায়। আজ রোহানের বাসর রাত। ফারা যীন্নাত মেহু আরো অনেক মেয়ে রুমের ভিতরে।
আর আমরা ছেলেরা রোহানের ভিতরে সাহস দিচ্ছি।
রোহান,,,,,,, ভাই সত্যি বলতে না আমার অনেক ভয় করতাছে,ভিতরে গিয়া কি করমু।
রিয়াদ,,,,,,, যা করা লাগে তাই করবা।
মুগ্ধ,,,,,,, আরে কোনো ব্যাপার না,,প্রথম প্রথম একটু ভয় লাগবে তারপর ঠিক হয়ে যাবে খুব সহজ।
রিয়াদ,,,,,,,,, তোমার ভয় লাগছিলো নাকি।
মুগ্ধ,,,,,,,, 😶😶 একটু, 😅😅
রিয়াদ,,,,,, এটাও শুনার বাকি ছিলো।
রোহান,,,,,, আমি কি করমু 😨😨
রিয়াদ,,,,,,,, যাই করিস ভালো করে করবি কিন্তু, আজকে ভয় পেলে সারা জীবন ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে, আর ফারা যে মেয়ে আজ ঠিক মতো কিছু না করলে সারা জীবন শুনার জন্য রেডি থাকিস 😈
মুগ্ধ,,,,,,, ঐ তুমি ওকে ভয় দেখাও কেন।
রোহান,,,,,,,,, শোন ভাই,
এটা তো দিন না,
দিন আরো আছে,
বাসর শুধু আমার একা হবে না,
বাসর তোমারো হবে,
আর আমার পাশে থাকবে মানুষ তোমার পাশে জ্বীন,,
এবার ভাবো কিভাবে করবে বাসর তাত ধীনা দিন ধীন 😏😏
রিয়াদ,,,,,,,, 😶😶 ( শালারে ভয় দেখাতে গিয়া নিজেই ভয় পেয়ে গেলাম ) কথাটা তো ঠিক আমি কেমনে কি করমু 😱😨😨
রোহান,,,,,,,, তুই কি করবি জানি না তবে আমার করার সময় হয়ে গেছে না মানে রুমে যাওয়ার।
রিয়াদ,,,,,,,,, শয়তান আমারে চিন্তায় ফেলে তুমি যাইবা আনন্দ করতে।
রোহান,,,,,,,,, তোমার থেকেই শিখছি,, ওকে বাই, আমার জন্য দোয়া করো তোমরা রিয়াদ তুই বাদে।
রিয়াদ,,,,,,, কেন আমি বাদে কেন
,,,, কারন তোর মুখ থেকে দোয়া কম বোদ দোয়া বেশি বের হয়। ওকে বাই।
রোহান ভয়ে ভয়ে ভিতরে যায়। গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। তারপর পাশে গিয়ে বসে।
গিয়ে দেখে ফারা গয়না খুলছে ঘোমটা খুলে কোথায় রেখে দিছে।
রোহান,,,,,,,, এতো তাড়া কিসের আগে আমরা একটু কথা বলি। ( লজ্জা পেয়ে )
,,,,, আজকেও যদি কথা বলি তো সারা জীবন কি করলাম,,, আর এই সব আমি তোমার জন্য খুলছি না, এই সব পরে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে তাই খুলে ফেলছি।
,,,,,,,,, আজ একটু লজ্জা পাও দেখি।
,,,,,,,, লজ্জা লাগছে না কি করবো।
এবার রোহান ফারার কাছে মুখ নিয়ে যায়, ফারা চোখ বড়ো বড়ো করে নিচের দিকে যায় আর বিছানায় শুয়ে পড়ে।
রোহান তার মুখ ফারা কানে নিয়ে বলে,,,
,,,এবার লাগছে
,,,না আমার ভয় লাগছে এবার।
রোহান তার মুখ ফারার গলায় ডুবিয়ে দেয় আর তার শারী টান দিয়ে বুক থেকে সরিয়ে দেয়।
এবার ফারা তার হাত দিয়ে ডাকার চেষ্টা করে, ফারা মুখ লালা হয়ে যায়।
,,,,, এবার তুমি লজ্জা পাচ্ছো,, এই মুখটা যে কতো ভালো লাগে বলে বুঝতে পারবো না।
তারপর 🙄🙄 বলবো না ******
,,,,,,,,,
মুগ্ধ যীন্নাতকে কোলে নিয়ে হাওয়া হয়ে যায়, মাঝখান থেকে আমি একা বসে আছি চিন্তাই।
দেখতে দেখতে আমারও বিয়ের দিন চলে আসে। আমার বিয়ে সেদিকে আমার কোনো খেয়াল নেয়।
সবাই কাজ করছে আর আমি বসে বসে গেমস খেলছি। পুরো বাড়ি কিছু খন পর পর ঘোরান দিচ্ছি, কিছু করার নেয় কোনো মতে ভয় কাটানোতো লাগবে।
আমার বিয়েতে সবাই আছে যীন্নাত থাকবে না তা কি করে হয়, যদিও তার ননদের বিয়ে তাও আমি জোর করে যীন্নাতকে আমার বাড়ি রেখে দিয়।
মুগ্ধ তো থাকতে পারবে না কারন ওর বোনের বিয়ে। যীন্নাতকে রেখে আসার সময় মুগ্ধ আমার দিকে কেমন ভাবে যেনো তাকিয়ে ছিলো, তাতে আমার কি।
বিয়ে খুব সুন্দর ভাবে মিটে যায়। বিয়েতে অনেক আনন্দ হয়েছে, কিছু দিন ধরে শুধু বিয়ে হচ্ছে, কিছু কিছু লোকজনের সাথে আমাদের চার পরিবারের সাথে ভালো মিল আছে তাদের অবস্থা খারাপ। বিয়ে খেতে খেতে।
আজ আমার বাসর রাত, ভয়ে আমি সোজা হয়ে আছি।
রিয়াদ,,,,,,,, কি করমু সাহস দে
রোহান,,,,,,, মনে পরে আমার সময়।
রিয়াদ,,,,,, আরে বাদ দে তোর পুরানো কথা। মুগ্ধ কি করমু।
মুগ্ধ,,,,,,, আরে দূরর আমারপ জিজ্ঞেস করো কেনো আমার বোনের বাসর আমি কেমনে কমু। 😳😳
রিয়াদ,,,,,,,, আরে বাদ দাও তোমার লজ্জা, তোমার বোনকে সুখি দেখতে চাইলে আমাকে বলো কি করমু।
মুগ্ধ,,,,,,,, যা করে তাই করবা 🙄🙄
রিয়াদ,,,,,,,,,,, কেমনে করমু
মুগ্ধ,,,,,,,,, যেমনে করে
রিয়াদ,,,,,,,,,, না মানে তোমাদের ঐখানে অন্য নিয়ম নাই তো আবার।
মুগ্ধ,,,,,,, না সব একি।
রিয়াদ,,,,,,,, ও তাইলে তো কোনো ব্যাপার না, যাই তাইলে।
রোহান,,,,,, হুমমম যা।
রিয়াদ,,,,,,,,, মুগ্ধ ভাই সব
মুগ্ধ,,,,,,,, আরে কিছু হয়তো না, যাওতো।
মনে অনেক সাহস নিয়া ভিতরে ডুকি,, ভিতরে ডুকে ভেটকি মাছের মতো একটা হাসি দিয়।
পাশে গিয়া বসি, হাতটা ধরতেই দরজা খুলে যায়। সামনে মুগ্ধ রোহান দাড়িয়ে আছে।
মেহু,,,,,, তুমি দরজা বন্ধ করো নাই 😒😒😑😑
রিয়াদ,,,,,,,,,, দেখে তো মনে হয় না 😅😅
তোরা এখানে এসময় 😑😑
মুগ্ধ,,,,,,,,, মেহেরিমা তাড়াতাড়ি চল নানুর কি জেনো হয়ছে তোরে দেখতে চাইতাছে।
মেহু,,,,,, কি আমার নানুর কি হয়ছে ( বিছানা থেকে উঠে )
রিয়াদ,,,,,,,,, ( বুড়ির আবার কি হয়লো, আমি নিশ্চিত আমার বাসরের বারোটা বাজানোর জন্য একটা করছে )
মুগ্ধ,,,,,,, জানি না যেতে হবে।
রিয়াদ,,,,,,,, ( আরে কালকে যা করার করতি )
মেহু,,,,,,,,,, আমি এখনি যাবো।
রিয়াদ,,,,,,, আজকে না কাল যেয়ো কেমন।
মেহু,,,,,,, না আমি আজি যাবো।
রিয়াদ,,,,,,,, কিন্তু বাসর
মেহু,,,,,,,, আরে রাখো তোমার বাসর।
বলে মেহেরিমা দৌড়ে বেরিয়ে যায়
,,,,,,, আমার বাসর 😭😭
আমিও বের হয়, আজ আর হবে না মনে হয়। এমন রাগ উঠছে আমার আর সময় পাইলো না আমার বাসরের সময়ি এমন হতে হলো।
কিছু খন পরে গিয়ে দেখি সামনে মুগ্ধ, যীন্নাত, রোহান, ফারা আর মেহু দাড়িয়ে আছে। মুগ্ধ হাসছে।
আহারে বিচারা নানুর শোখে পাগল হয়ে গেছে।
রিয়াদ,,,,,,, কি হয়েছে ভাই যাও নাই 😐😐
মুগ্ধ,,,,,, আমার নানু ভালো আছে সুস্থ আছে, এটা হলো আমার ছোট্ট প্রতিশোধ এতো দিন যা করছো আমার সাথে।
রিয়াদ,,,,,,,, এতো দূর্বল জায়গায় কেও আঘাত করে। কাজটা ঠিক করো নাই।
মুগ্ধ কিছু বলার আগেই মেহেরিমার হাত ধরে দৌড় দিয়,দৌড়ে ঘরের ভিতরে নিয়ে যায়, নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়৷
মেহু,,,,,,, সবার সামনে এভাবে নিয়ে আসছো লজ্জা নেয় তোমার৷
,,,,,, আমার ছোট বেলা থেকেই শরম নাই, এটা বলে লাভ নেয়৷
মেহেরিমা কিছু বলার আগেই শক্ত করে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে দিয়।
কিস করতে করতে খাটে পড়ে যায়, সেদিকে কোনো খেয়াল নেয় আমাদের। ****
রোহান,,,,,, চলো আমরা রুমে যায়। ( ফারাকে কোলে নিয়ে )
মুগ্ধ,,,,,,,, আমরা থেকে কি করবো চলো।
Happy Ending……….
.. … …… সমাপ্ত……..