জ্বীন রহস্য(love story)❤,Part 24,25

জ্বীন রহস্য(love story)❤,Part 24,25
Writer Maishara Jahan
Part 24

অপর দিকে ফারা রোহানকে জরিয়ে ধরে রেখেছে। রোহানের আর কোনো দিকে হুশশ নাই।

আল্লাহ আল্লাহ করতে করতে পৌঁছালাম। এ দেখি বিরাট আয়োজন। পুরো রাজ্য আলোয় ঝলমল করছে৷ প্রাসাদ অনেক সুন্দর করে সাজানো, সবাই দাড়িয়ে আছে নতুন বউয়ের সাগতম করার জন্য।

যীন্নাত,,,,,,,, মুগ্ধ এতো আয়োজন করা হয়েছে।

মুগ্ধ,,,,,,,,, হুমম,, রানীর বিয়ে বলে কথা।

আমরা গাড়ি থেকে নামতেই আমাদের উপর ফুল ছিটানো হয়৷ দুজনে এক সাথে ভিতরে গেলাম।

,,,,,,
ফারা,,,,,,, wow কি সুন্দর

রিয়াদ,,,,,,, সুন্দর তো বুঝলাম কিন্তু ভুলে যাস না এখানে কিন্তু শুধু আমরাই মানুষ আর কেও না।

রোহান,,,,,, চুপ নিজে তো ভয় পাইতাছস আবার অন্য জনকেও দেখাস।

রিয়াদ,,,,,,, আমি একা ভয় পামু কেন।

ফারা,,,,, এটা কি তুই চিপস মনে করছস যে একা খাওয়া যাবে না।

রিয়াদ,,,,,,, চিপস আমি তদের দিতে চাই না তাও জোর করে নেস এটা তো আমি নিজের মন থেকে দিচ্ছি।

ফারা,,,,,, লাগবে না।

রিয়াদ,,,,,,, ( কি করমু ভয় তো করতাছে ) মেহু আমার সাথে চলো না, আমিতো কিছু চিনি না৷

আবরাম,,,,,,, আমি চিনিয়ে দিচ্ছি।

,,,,,,, ( শালা ) লাগবে না আপনিও তো এই বাড়ির মেহমান, চলো মেহু,,,
কোনো মনে মেহুকে টেনে নিয়ে আসলাম,, মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম।

,,,,,,

মুগ্ধ,,,,,,,, কোথায় যাও।

যীন্নাত,,,,,, কেনো আমার ঘরে,রাত অনেক হয়েছে ঘুমাবো।

,,,,,,,,, কেনো তুমি তো আমার ঘরে থাকবে।

,,,,,,, কাল থেকে আজ নয়,,,, আজ আলাদা থাকতে বলেছে।

,,,,,,,, আরে তুমি আমার ঘরেই থাকবে প্রমিজ কিছু করবো না৷

,,,,,,,, লাগবে না তোমার প্রমিজ। বাই

,,,,,,,, আরে,, এটা কিন্তু ঠিক না বুঝছো।

আমি আমার ঘরে ডুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম৷

,,,,,,,,

রিয়াদ,,,,,,, আমার না অনেক গরম লাগছে।

।মেহেরিমা,,,,,,,, কোথায়,,, এখানে তো গরম লাগার কথা না৷

,,,,,, তোমায় দেখে গরম লাগছে,, তোমার কাছে আসলে মনে হয় জ্বলেই যাবো 😁😁😏

,,,,, ওও আমরা তো আগুনের তৈরি তাই এমন মনে হচ্ছে।

,,,,,,, 😶😶 ( বলাম কি বুঝলো কি 😑😑)

,,,,,,, এক কাজ করো আমার থেকে একটু দূরে দাঁড়াও তাহলেই আর গরম লাগবে না৷

,,,,,,, 😶😶 সেটা তো সম্ভব না,,,, আমার গায়ে সবসময় শীত শীত লাগে এই জন্য এমন একটা গরম জিনিস দরকার। 😁😏

রোহান,,,,,, অঅ আমরাও এখানে আছি কিন্তু। 🙄

রিয়াদ,,,,,,,,, 😶😶 কেনো আছিস

ফারা,,,,,,,, তাইলে কি যামু আমরা কি চিনি নাকি।

মেহেরিমা,,,,,,,, আমরা এসে গেছি।

রোহান,,,,,, কোথায়।

মেহেরিমা,,,,, তোমাদের ঘরের সামনে৷ সামনেরটা তুমি আর রিয়াদ থাকবে আর তার পাশেরটাই ফারা।

ফারা,,,,,,, আমি একা থাকতে পারবো না,, ভয়ে মরে যাবো।

মেহেরিমা,,,,,, তাহলে তুমি আমার সাথে থাকো।

ফারা,,,,,,, 😶😶😶

রোহান,,,,,, হি হি হি 😅😅

মেহেরিমা,,,,,, এতো দিনেও আমাকে চিনতে পারো নাই।

রিয়াদ,,,,, এক কাজ করি আমি তোমার সাথে থাকি আর ফারা রোহানের সাথে থাকুক। 🤗🤗

রোহান,,,,,,, আমার প্রবলেম নাই 😀😀

মেহেরিমা আর ফারা এক সাথে বলে উঠে।

,,,,, আমার প্রবলেম আছে।

রোহান আর রিয়াদ চুপ হয়ে যায়।

ফারা,,,,,,, আমি না হয় মেহেরিমার সাথেই থাকবো।

মেহেরিমা,,,,,, চলো তাহলে।

সকালে,,,,,,,,

আমরা সবাই ঘুম থেকে উঠে পরি,,,, আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি মুগ্ধ আমাকে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছে। এটা কখন হলো আমি বুঝতেও পারিনি।

এমন ভাবে আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে যে নড়াচড়া করার উপাই নায়। তাও আমি মুচরামুচরি করছি৷

,,,,,, আহহ যীনু এতো কে নড়ে চুপচাপ ঘুমাও। বলে আরো শক্ত করে ধরে।

,,,,,, এই ছাড়ো,, ছাড়ো বলছি।

,,,,,, কি হয়েছে ( উঠে বসে )

,,,,, এমন ভাব করছে যেনো কিছুই হয়নি। 🤨🤨

,,,,,,,,, কি আর হবে,, কিছুই তো হয়নি।

,,,,,, তুমি এখানে কেনো এসেছো তাও আবার আমাকে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছো।

,,,,,, যখন জরিয়ে ধরে ছিলাম তখন কেনো আটকাও নি৷

,,,,, কারন আমি টের পাই নি।

,,,,,, কেনো পাও নি,, এটা কি আমার দোষ।

,,,,,, আজব তো ।
এমন ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো৷

,,,,, তোমাকে অনেক কিউট লাগছে।

,,,,,,,, মতলব ভালো লাগছে না। যাও এখান থেকে।

মুগ্ধ সামনে এগোতে থাকে,, আমি উঠে যেতে নিয়, ও আমার দুহাত বিছানায় চেপে ধরে আমার উপরে এসে বসে৷

,,,,,, ছা ছা ছারো

ওর ঠোঁট আমার ঠোঁটের অনেক কাছে নিয়ে আসে,, আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি। একটু পর ও তার নাক আমার নাকে ঘষা দিয়ে বললো।

,,,, করবো বা কিস।

আমি চোখ খুলতেই ভেঙ্গালো আমাকে।

তখন আমি ওর শার্ট ধরে টেনে ঠোঁট লাগিয়ে দিয়, মুগ্ধের চোখ বড়ো বড়ো হয়ে যায়। আমি তাকে চেপে ধরে ওর উপরে উঠে কিস করতে থাকি।

কিছু খন পর ছেড়ে দিয়, মুগ্ধ এখনো কুমাই আছে।

আমি গিয়ে দরজা খুলি,, দরজা খুলে দেখি রিয়াদ রোহান ওরা দাঁড়িয়ে আছে।

আমাকে দেখে আমার কাছে আসলো।

,,, good morning

,,,,, good morning

এমন সময় মুগ্ধ বেরিয়ে এলো।

রোহান,,,,, তুমি এ ঘরে কি করো।

রিয়াদ,,,,,,, এই আজ তোদের বাসর হওয়ার কথা ছিলো তার কালকেই করে ফেলেছিস।

যীন্নাত,,,,,,, চুপ,,, কিছুই হয়নি

রিয়াদ,,,,,, তোদের অবস্থা দেখেতো মনে হচ্ছে না যে কিছুই হয়নি। সর তো দেখি।

আমাকে আর মুগ্ধকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ভিতরে ডুকে।

রিয়াদ,,,,,, রোহান ভিতরে এসে দেখে যা কিছুই হয়নি তার নমুনা। বিছানা কি সুন্দর এলোমেলো হয়ে গেছে নিজে নিজে।

রোহান,,,,,, একটা দিন তো অন্তত

যীন্নাত,,,,,,, চুপ থাক,,, আমি ঘুমালে একটু নড়াচড়া করি এতে কি হয়েছে।

রিয়াদ,,,,,,, আমরাও বিছানায় ঘুমায় নিচে না। আর আমি কোলবালিশ নিয়া যে মুচরা মুচরি করি তাও এমন হয় না।

মুগ্ধ,,,,, দেখো এমন কিছু,,

রিয়াদ,,,,,, মিয়া তুমি আর কিছু কইয়ো না। আমার বান্ধীবিরে টার্চ করার আগে আমাদের পার্মিশন নিছিলা।

মুগ্ধ,,,,,,,,, আজ রাতে নিবো ওকে।

রিয়াদ,,,,,,,, এখন আর নিয়া কি করবা যা করার তো করেই ফেলছো।

যীন্নাত,,,,,,, তোরা যাবি এখান থেকে, আমি গোসল করবো৷

রিয়াদ,,,,,, এখন তো গোসল করবাই,, দেখছোস রোহান আমি মিথ্যা কথা বলি নাই।

যীন্নাত,,,,,,, শয়তান যা এনতে।
,,,,,,,,,,,

আমরা সবাই এক সাথে নাস্তা করে,, ঘুরতে বের হয়, সত্যি রাজ্যটা বেশ সুন্দর। আমরা ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বের হয়৷

মনে হচ্ছে আগের দিনে চলে গেছি।

আমার মায়ের মুকুট আমাকে পড়ানো হয়,মুগ্ধ পরিয়ে দেয় সবার সামনে। আমাকে রানী আর মুগ্ধকে রাজা হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

সবাই আনন্দ করছে।
,,,,,,,,,

রিয়াদ,,,,,,,, রোহান দেখ মেহু আবার ঐটার সাথে কথা বলছে।

,,,,,, আহারে।

,,,,,, বল ঐটার কি এমন আছে যেটা আমার নায়। কিছু বলার আগে মনে রাখিস তুই আমার বন্ধু।

ফারা,,,,,,, আমি বলি,,,, , দেখতে হেন্সাম,

রোহান,,,,,,, রিয়াদও কম না মানলাম ওর মতো এতো বেশি না তবে রিয়াদ আমাদের কলেজের চকলেট বয় মনে রেখো।

রিয়াদ ,,,,, হুমম হুমম ( মাথা নাড়িয়ে )

ফারা,,,,,,,, লম্বা অনেক।

রোহান,,,,,,,, রিয়াদ মেহু থেকে না মানে মেহেরিমা থেকে লম্বা এটাই বেশি,, এতো লম্বা ভালো না।

রিয়াদ,,,,,,, হুমম হুমম

ফারা,,,,,,,,, বেশ স্টাইলিশ

রোহান,,,,,,,, রিয়াদ ও কম না,, মাঝে মাঝে একটু ছেছরা লাগে কিন্তু স্টাইলিশ ও আছে।

রিয়াদ,,,,,, অপমান করলি নাকি সুনাম,,,, যাই হোক পরে৷

ফারা,,,,,,,,, দেখে মনে হচ্ছে টাকা ওয়ালা।

রোহান,,,,,, ওদের আবার টাকা লাগে,,, যাই হোক রিয়াদ বেকার হলেও ওর বাবার অনেক টাকা আছে।

রিয়াদ,,,,,, হুমম হুমম।

রোহান,,,,,,, দরকার পরলে সারা জীবন বাপের কাছে ভিক্খা কইরা খাইবো।

রিয়াদ,,,,,, হুমম হুমম,,, মানে কি,,, তুই কি কইতে চাস 😒😒 ভাই পড়ালেখার পর আমিও বাবার অফিসে জয়ন করমু বেকার থাকমু না।😕😕

রোহান,,,,,,, আর

ফারা,,,,,,,, আররর

রোহান,,,,,,, এক মিনিট তুমি ওর এতো কিছু খেয়াল করলা কেনো।

ফারা,,,,,,, না মানে ঐ আরকি।

রোহান,,,,,,,,, মানে চলো বুঝাচ্ছি,,, আমার কি কি গুন আছে বলা লাগবো না হয়লে। চলো,,

রিয়াদ,,,,,, দোস্ত দ দ দোস্ত

ফারাকে টেনে নিয়ে গেলো।

রিয়াদ,,,,,,,, শালা বেজ্জতি কইরা চলে গেলো।

,,,,,,,
রাতে,,,,,,,,

রোহান,, ফারা,, রিয়াদ,,মেহেরিমা আর আবরাম বাসর ঘর সাজাচ্ছে।

রিয়াদ,,,,,,, বাসর ঘর সাজিয়ে কি লাভ কাল তো হয়েই গেছে 🙄🙄। এক কাজ করি আমরা সবাই এখানে শুয়ে থাকি ভালো হবে।

ফারা,,,,,,, কি কথা দেখো।

রোহান,,,,,, আমাদের বাসর ঘর আমি এভাবেই সাজাবো ( ফারার দিকে রোমান্টিক নজর দিয়ে )

রিয়াদ ওদের ভালোবাসায় পানি ঢেলে,,,

রিয়াদ,,,,,,, I think তদের বাসর ঘর আমরা সাজাবো, তুই না। আর ফারা তদের বাসায় গিয়ে যে ভেলকি দেখাইছে আগে দেখ তোর মা রাজি হয় নাকি পরে বাসর কইরো।

ফারা,,,,,,,, ঐ আমি কি করছি হুমম

রিয়াদ,,,,,, মনে নাই রোহানের বাসায় কি সাজ দিয়া গেছিলা,, মনে হয় কোনো মডেল। তারপর আন্টি যখন জিজ্ঞেস করছিলো,, তোমার কি করতে ভালো লাগে,

তখন কি বলছিলা,,,, আমার শপিং করতে ভালো লাগে,, সপ্তাহে দু তিন দিন শপিং না করলে ভালো লাগে না।

আর যখন বলছিলো কি রান্না করতে পারো তখন কি বলছিলা,,,, আমি নুডলস রান্না করতে পারি। আর হ্যাঁ ভাত ও রান্না করতে পারি কিন্তু মার ফেলতে পারি না। ( ভেঙ্গ করে বলে )

আর রোহান তখন মাথায় হাত দিয়ে বসে ছিলো। আরে তোর থেকে রান্না তো আমি পারি।

ফারা,,,,,,,, হয়ছে ভাই থাম এবার।

রিয়াদ,,,,,, যা মাফ করলাম।

ফারা,,,,,,,, 😑😑😑

মেহেরিমা,,,,,,,, ঘরটা কিন্তু অনেক সুন্দর লাগছে।

আবরাম,,,,,,, হুমম 😊😊

রিয়াদ,,,,,,, ( এই শালা এভাবে কেনো তাকিয়ে আছে আমার মেহুর দিকে,, বাসর দেখে আবার কিছু উল্টা পাল্টা ভবছে নাতো মেহুকে নিয়ে )

আবরাম ভাই দেখো ওদিকে ফুল লাগানো হয়নি যাও লাগাও।

মেহেরিমার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে তুরি মেরে ফুল লাগিয়ে দেয়।

রিয়াদ,,,,,,, ( শালা এখনো তাকিয়ে আছে, শকুনের নজর )

আমি গিয়ে ওদের মাঝখানে দাঁড়ায় যাতে মেহেরিমাকে না দেখা যায়।

আবরাম,,,,,, আরে।

রিয়াদ,,,,,, মেহেরিমা যাও যীন্নাতকে নিয়ে আসো।

ও গিয়ে যীন্নাতকে নিয়ে আসে।

,,,,, ঘরটা একদম আমার মন মতো সাজানো হয়েছে। সাদা লালা গোলাপ দিয়ে। সাদা চাদরে লাল গোলাপের পাপড়ি অসাধারণ লাগছে।

আমাকে হালকা গোলাপি পাতলা সারী পরানো হয়। একদম হালকা সাজ। আমি গিয়ে বসে থাকি সবাই নানা ধরনের মজা করে চলে যায়।

একটু পর মুগ্ধ আসে, দরজা বন্ধ করে,, এখন কেমন জানি লাগছে ঠিক বুঝতে পারছি না।

এসে আমার পাশে বসে, আমার হাত ধরে একটা আংটি পড়িয়ে দেয়।

,,,,,, এটা তোমাকে সব খারাপ থেকে রক্ষা করবে।

,,,,, ধন্যবাদ।

,,,,,,,, এখন !!!!!

,,,,, এখন????

মুগ্ধ হঠাৎ আমার কাছে চলে এলো,, আমার চুল গুলো খোপা করা ছিলো,ছেড়ে দিলো।

,,,,, খোলা চুলে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে। বলে আমার গলায় মুখ ডুবিয়ে দিলো।,,,,,,,,,,*,,,,,,,,*,,,,,,,

রিয়াদ,,,,,,,, মেহু আমার সাথে চলো কথা আছে।

মেহু,,,,,,, ঠিক আছে চলো।

ওকে নিয়ে এক কোনায় গেলাম।

,,,, কি হয়েছে এখান ডাকছো কেনো।

,,,,,,, তুমি আর আবরামের সাথে কথা বলবা না, আমার ভালো লাগে না।

,,,,,, কেনো ভালো লাগে না।

,,,,,,,,, কারন কারন

,,,,,,, কারন ( কাছে এসে )

রিয়াদ,,,,,,, কা কা কারন আমি আমি

,,,,,, আমি কি ( আরো কাছে এসে )

,,,,,,,,, কারন আমি তোমায় ভালোবাসি।

,,,,,,,, আমাকে ভালোবাসার সাহস আছে তোমার কছে।

,,,,,, অবশ্যই। আমার মতো সাহসি আর কোথাও পাবে না।

,,,,,,,, তাহলে এক কাজ করো, কাল সবার সাথে না ভয় পেয়ে হেসে হেসে কথা বলবে। বাহিরে যাবে সবার সাথে কথা বলবপ কিন্তু কেও যাতে বুঝতে না পারে যে তুমি ভয় পাচ্ছো।

তাহলে আমি ভেবে দেখবো।

,,,,, এটা কোনো ব্যাপার হলো।

,,,,,,, কালকেই দেখা যাবে।

,,,,, ঠিক আছে আমি রেডি ( রিয়াদ তুই তো গেছোস )

চলবে,,,,,,

জ্বীন রহস্য (love story) ❤
Writer Maishara Jahan
Part 25

,,,,, কালকেই দেখা যাবে।
,,,,, ঠিক আছে আমি রেডি ( রিয়াদ তুইতো গেছস )

সকালে,,,,,,,,,

চোখ খুলে দেখি আমি মুগ্ধের খালি বুকে শুয়ে আছি। মুগ্ধের ঘুমন্ত চেহেরা দেখে মুখে মুশকি হাসি আসলেও নিজের দিকে তাকিয়ে লজ্জায় পরে গেছি।

নিজেকে এই অবস্থায় দেখবো ভাবিনি। যাই হোক মুগ্ধ উঠার আগে আমাকে এখান থেকে সরে যেতে হবে, না হলে লজ্জায় মরে যাবো।

আমি আস্তে করে চাদরটা কোনো মতে শরীরে প্যাচিয়ে আস্তে করে খাট থেকে নামি, যেই দৌড় দিবো, অমনি মুগ্ধ আমার চাদরটা ধরে এমন ভাবে টান দেয়।

যে আমি সোজা মুগ্ধের বুকে পরি আর চাদর দুজনের উপরে৷ আমি লজ্জায় ওর চোখে দিকে তাকাতে পারছি না।

আমি এমন অবস্থায় আছি না উঠতে পারছি না এভাবে থাকতে পারছি।

,,,,,,,, ভাভা এতো লজ্জা,,,, এতো লজ্জা তো কাল রাতেও পাওনি যতোটা এখন পাচ্ছো।

,,,,,,,, ছাড়ো আমাকে, লজ্জা সরম কিছু নাই।

,,,,,,, কাল তো সব লজ্জা সরম ভাঙিয়ে দিয়েছি, মনে নেয়।

,,,,,, না আমার মনে নেয়৷

,,,,,, ঠিক আছে আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি।

,,,,,, মানে।।

,,,,, মানে বুঝাচ্ছি *********

,,,,,,,,,,,,

রিয়াদ,,,,,,,,, সকালটা কি সুন্দর,,,, আজ দিনটা আমার জন্য কেমন হবে কে জানে। আজ যায় হোক আমার মুখ থেকে হাসি যাবে না। কাল সারা রাত প্রেকটিস করেছি।

রোহান,,,,,,,,, রেডি আছো তো হারার জন্য।

রিয়াদ,,,,,,, yess,,,,,😶😶 মানে কি কইতে চাস তুই কাল সারা রাত প্রেকটিস করছি কি হারার জন্য।

,,,,,, না কাল তোর সারা রাতের অবস্থা দেখেই আমি এই কথা বলছি।

রিয়াদ,,,,,,, তোর ফালতু কথা রাখ আর আমাকে সাহস দে।

,,,,,,, সাহস বুকে থাকা লাগে যেটা তোর বুক চিরে ডুকিয়ে দিলেও কোনো না কোনো দিক দিয়ে বেরিয়ে যাবে।

,,,,,,,,,, কি বলতে চাস 🙄🙄😑

,,,,,, ঐটাই যেটা তুমি শুনতে পারবে না।

,,,,,,, তোর সাথে কথা বলে যাও সাহস জমিয়ে ছিলাম তাও চলে যাচ্ছে। দোস্ত আমার একটা উপকার করবি।

,,,,, বোল কি উপকার

,,,,,, তোর মুখ বন্ধ রাখ পিল্জ।

রোহান,,,,,,,, চল নিচে যায়।

,,,, হুমম চল ( বুক ফুলিয়ে )

নিচে গিয়ে দেখি সবাই টেবিলে বসে আছে,,, হাসতে হাসতে গেলাম।

মেহেরিমা,,,,,,, আমি এখন যেতেই নিয়েছিলাম তোমাদের ডাকতে।

আমরাও গিয়ে বসি, মেহেরিমা আমাকে নানুর পাশে বসতে দিলো,, এমনেই এই বুড়ি আমাকে দেখতে পারেনা৷

কি আর করার হাসি মুখে বসলাম।

রোহান,,,,,,, ফারা কাল রাতে তোমার ঘুম কেমন হয়েছে।

ফারা ইশারা দিয়ে বুঝালো ভালো হয়েছে 👌👌

রিয়াদ,,,,,, আরে দুরর ওরে জিজ্ঞেস করে লাভ কি যীন্নাতকে জিজ্ঞাসা কর কাল ঘুম কেমন হয়েছে 😁😁

নানু,,,,,,,, কাশি দিয়ে,, ( আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে উঠে )

আত্মায় পানি না থাকলেও হাসি দিয়ে বলে।

,,,,, নানু বন্ধুদের সাথে এটুকু মজা তো চলেই তাই না। 😅😅

নানু,,,,,,, চুপচাপ খাবার খাও।,,,,,, তা যীন্নাত ঘুম কেমন হলো নতুন ঘর।

রিয়াদ,,,,,,, ( আমি অন্য কিছু জিজ্ঞেস করছিলাম নাকি 😤😤)

যীন্নাত,,,,,,,, জ্বী নানু ভালো হয়েছে।,,, রিয়াদ আজ মনে হচ্ছে একটু বেশিই হাসছোস।

মেহেরিমা,,,,,, ওকে হাসার ঔষধ দিয়েছি।

রিয়াদ,,,,,, কেন আমি কি প্রতি দিন কান্না করি নাকি। 😒😒

যীন্নাত,,,,,,, না তাও আজ একটু

রিয়াদ,,,,,,, আমাকে হাসির রোগ ধরছে।

মুগ্ধ,,,,,,, মনে হয় আমি জানি।

রিয়াদ,,,,,, দেখো শালা না দুলাভাই,, আরে দুরর মুগ্ধ জানলে ভালো না আরো ভালো কিন্তু বর্তমানে চুপ থাকো।

মেহেরিমা,,,,,, তাড়াতাড়ি খাও আমরা বাহিরে যাবো।

রিয়াদ,,,,,,, হুমম ( না চাইতেও হাসি দিয়ে )

খাওয়া শেষে,,,,,

মেহেরিমা,,,,,, চলো এবার।

,,,,, হুমম,, রোহান চল।

রোহান,,,,,,, আমার শরীরটা ভালো লাগছে না আমি ভাই যেতে পারবো না।

,,,,,, ( ধোকা বাজ ) ফারা তুই চল।

ফারা,,,,,, রোহান এখানে একা থাকতে পারবে না ওর শরীরটাও তো ঠিক,,,,,,,

রিয়াদ,,,,,,, হয়ছে বুঝছি,,,, যীন্নাত তু,,,,,,,

মুগ্ধ,,,,,,, আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে আমরা একটু একা থাকতে চাই বুঝোই তো।

রিয়াদ,,,,,,,, সারা রাত তো একাই ছিলা আর কতো একা থাকবা। শালা দেখে নিমু সবাইকে😭😃😭

আমি একা যাচ্ছি পিছনে তাকিয়ে দেখি সবাই বত্রিশটা দাঁত বের করে হেঁসে হাত দিয়ে টাটা দিচ্ছে ( হারামখোর )

মেহেরিমার সাথে বাহিরে যায়। সবাই জানে যীন্নাত মানে ওদের রানীর বন্ধু এসেছে তাও আবার মানুষ। আমাকে দেখেই চিনে ফেলছে তাই যেইয়ি দেখছে কথা বলতে আসছে।

এতো কথা বলার কি আছে। না চাইতেও হেঁসে হেঁসে কথা বলতে হচ্ছে।

আমরা যাচ্ছি এসময় মেহেরিমার কি জেনো লাগে ও আসছে কেমন যে দেখতে বলে বুঝাতে পারবো না। এটা হাসতে হাসতে মানুষ মেরে ফেলবে।

ওনার সাথেও কথা বললাম,, ওনি বললো আমার তারিফ করলো ভাবা যায়।

,,,,, এই মানুষ দেখি অনেক সাহসী জ্বীন রাজ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আবার সবার সাথে হেসে হেসে কথা বলছে। তোমার মতো সাহসী আমি আর দেখিনি।

,,,,, ( প্রথম বার কেও আমাকে সাহসী বললো শুনে ভালো লাগছে কিন্তু সত্যটা তো আমি জানি, আমি নিশ্চিত এইটা আর কিছু খন থাকলে আমি প্যান্ট ভিজিয়ে দিবো,😨 আগে জানলে ডাইপার নিয়ে আসতাম )

মেহু চলো আমরা যায়। অনেক খন হয়েছে এবার আমরা বাড়ি ফিরছি আল্লাহ এবার যাতে সামনে কেও না পরে৷

মেহু শুনোনা আমি আর হাঁটতে পারছি না, আমার পা ব্যাথা করছে।

,,,, তাহলে এখানে কিছু খন বসে আরাম করো।

,,,,,, না থাক আমার ব্যাথা ভালো হয়ে গেছে।

,,,,,,,, হিহিহি শুনো আমার হাত ধরো।

যেই বললো সাথে সাথে লাফ দিয়ে ধরে নিলাম এি চান্স কি মিস করা যায়।

সেকেন্ডের মধ্যে আমরা মহলে এসে পড়লাম।

রিয়াদ,,,,,,, এবার বলো।

,,,,, কি বলবো

,,,,, মানে কাল রাতের কথা মনে নেয়।

,,,,,, মনে আছে, কিন্তু আজ দিন তো শেষ হয়নি।

কোথায় থেকে জেনো মেয়েদের হাসির আওয়াজ আসছে, পিছনে তাকিয়ে দেখি অনেক গুলো পরী বাগানে বসে কথা বলছে।

রিয়াদ,,,,,, তোমাদের এখানে পরীরা দেখি অনেক সুন্দর।

মেহেরিমা ব্রু কুজকে উওর দিলো।

,,,,,,, এতো দিকে নজর যায় কেনো। আর মনে রেখ সুন্দর জিনিস ভয়ংকর হয় হুহহহ।

চলে গেলো, দেখে তো মনে হলো একটু জ্বললো। আরো জ্বলাতে হবে। কিন্তু তার জন্য সাহসের দরকার আছে আর না জানি আমার সাহস কোথায় আছে।

যীন্নাত,,,,,,,,, কিরে কি হলো।

রোহান,,,,,, কি আর হবে নিশ্চিত ভয়ে ঐখানে কান্না শুরু করে দিয়েছে।

রোহান,,,,,,,, সবাইকে নিজের মতো ভেবো না, আমি পাশ করেছি 😎😎

ফারা,,,,,,, সত্যি । বিশ্বাস হলো না তাও মানলাম।

রোহান,,,,,, মনে কর তোদের বিয়ে হয়ে গেলো,, তোর মা বাবা যদি জানে তোর বউ পরী তাহলে কি হবে।

রিয়াদ,,,,,, বেশি কিছু না শুধু হার্ট অ্যাটাক করবে। কিন্তু ওদের বলবে কে।

আচ্ছা সর আমার কাজ আছে।

যীন্নাত,,,,,, তোর আবার কাজ। তুই নিজের বাসায় কোনো কাজ করোস না এখানে কি করবি৷

রিয়াদ,,,,,,,, আছে আছে,, ফারা তুই এক কাজ কর।

ফারা,,,,,, পারমু না।

রিয়াদ,,,,,,,, 😶😶😶 ,,,,, আগে শুনে তো নে।

,,,, বল

,,,,, কিছু একটা বলে মেহুকে এখানে পাঠিয়ে দে।

,,,,,, ঠিক আছে।

সবাই চলে গেলো আমি মনে এক বালতি সাহস নিয়ে গেলাম পরীদের দিকে। আমার মেয়ে পটানোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগালাম।

এখন সবাই আমার সাথে অনেক হেসে হেসে গায়ে পরে কথা বলছে। অবশ্য খারাপ লাগছে না, আমিও চান্সে ডেন্স মারলাম।

দেখি মেহেরিমা এদিকে আসছে, ওকে দেখে হাসার আওয়াজটা বারিয়ে দিলাম। আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে।

ও রাগে আমার দিকে এগিয়ে আসে।

মেহেরিমা,,,,,, তোমাদের কি কাজ নেয় সবাই এখানে বসে আড্ডা দিচ্ছো। আর তুমি আমার সাথে আসো কথা আছে।

রিয়াদ,,,,, তুমি যাও আমি আসছি।

,,,,, তুমি ভালোই ভালো যাবে নাকি আমি

,,,,, ভালোই ভালো যাবো চলো।

মেহেরিমা মহলের এক কোনায় নিয়ে আসে।

মেহেরিমা,,,,,,, এমনে তো অনেক ভয় পাও এখন কি হয়লো এতো হেসে কথা বলছিলা যে।

,,,,,,,, তুমিই তো হেঁসে হেঁসে কথা বলতে।

,,,,,৷ ওদের সাথে তো আর বলি নাই।

,,,,,,, তুমি না ও করো নাই।

,,,,,, এখন না করছি।

,,,,,, কেনো তোমার হিংসে হচ্ছে বুজি।

,,,,,, আমি এটা কখন বললাম।

,,,,,, তাহলে আমি ওদের সাথে কথা বলবো।

,,,,,,,, না বলবে না । বলবে না মানে বলবে না।

বলে যেতে নে আর আমি হাত ধরে টেনে আমার কাছে আনি৷

,,,,, বলবো না শুধু একটা কথা বলো প্রমিজ করছি আর কোনো মেয়ের দিকে ফিরে তাকাবো না।

,,,,,, কি বলবো।

,,,,,, জানোনা না।

এমন সময় আবরাম এসে পরে৷

,,,,৷ কি হচ্ছে এই সব। তোর সাহস কি করে হলো ওকে ধরার।

আমি এখনো ওকে ধরেই আছি। আবরাম এসে জোরে ছারিয়ে নেয়।

রিয়াদ,,,,,, দেখেন আমরা ভালোবাসি দুজন কে।

আবরাম,,,,, তোর ভালোবাসা আমি ছুটাচ্ছি। কালকেই বিয়ে করবো আমি ওকে দেখি কে আটকায় ।

আর তুমি, তোমার লজ্জা করে না এক জনের সাথে বিয়ে ঠিক করা হচ্ছে আর তুমি আরেক জনের সাথে ছিঃ।

রিয়াদ,,,,,, মুখ সামলে কথা বল,, মেহেরিমার ব্যাপারে আর একটা উল্টা পাল্টা কিছু শুনবো না

,,,,, বলবো কি করবি,,,

,,,,,, মুখ ভেঙ্গে দিবো।

তুই আমার মুখ ভাঙ্গবি, বলে আমার কলার ধরে, মেহেরিমা ছাড়াতে আসলে ও মেহেরিমাকে ধাক্কা মারে, মেহেরিমা পরে যায়, এটা দেখে আমার মাথা গরম হয়ে যায়।

আমি এক গুশি দিয়ে ফেলে দিয়। তারপর আর মার কারে কই।

আপনারা ভুল বুঝছেন, আমি মারছি না মার খাচ্ছি। আমি যখনি মারতে যাই তখনি হাওয়া হয়ে যায়। এভাবে মারা যায়। মানুষ হলে খেয়েই ফেলতাম।

না পেরে যীন্নাতকে ডাক দিয়। যীন্নাত মুগ্ধ মিলে আটকায়।

আমার অবস্থা দেখে যীন্নাতের রাগ উঠে আর সে ইচ্ছে মতো দেয় বেটারে। মেহেরিমা এসে আমাকে ধরে।

রিয়াদ,,,,,,, ওই তুই আগে আসতে পারলি না, এতো মাইর খাওয়ার পরে আসলি। এর থেকে ভালো না আসতি।

যীন্নাত,,,,,, ঠিক আছে আবরামকে ছেড়ে আমরা চলে যায়।

রিয়াদ,,,,,, না থাক মাফ করলাম তদের যা।

মেহেরিমা আমাকে ঘরে নিয়ে যাচ্ছে, পিছনে পিছনে তারাও আসছে।

রিয়াদ,,,,,, তদের আসতে বলছি তোরা এখানেই থাক৷

কোনো মতে দম যায় চর আসে। মেহু আমাকে ঘরে নিয়ে আসে। তারপর শুয়িয়ে ঔষধ লাগিয়ে দিচ্ছে। চোখে পানি দেখা যাচ্ছে।

রিয়াদ,,,,,, কি হলো।

,,,,, আমার কারনে তোমার এই অবস্থা হলো।

,,,,,, আমার পরীকে কেও খারাপ কথা বলবে আর আমি বসে থাকবো।

,,,,, তোমার এতো সাহস জানতাম না।।

,,,,, সেটা তো আমিও জানতাম না,, হয়তো এটাকেই ভালোবাসার শক্তি বলে।

,,,,,, হুমমম

,,,, এখন বলো ভালোবাসো।

,,,,, যদি না বাসতাম তাহলে কি এতো রাতে তোমার ডাকে দেখা করতে যেতাম৷

,,,,, তাহলে কি আগে থেকে

,,,,, হুমম যেদিন প্রথম দেখা হয়েছিল সেদিনই তোমার ফানি কথা আর ফেস আমার মনে ধরে নিয়েছিলো

,,,,,, তুমি কি ইন ডাইর্কিলি আমাকে জোকার বললা। 😐😐

,,,আরে না৷

,,,,, জোকার বলো আর যাই বলো পছন্দ করো এটাই অনেক। আগে থেকে ভালোবাসো তাহলে এতো কষ্ট করালে কেনো। 😑😑

,,,,,, বিয়ের পরে যাতে কোনো সমস্যা না হয় তাই অভ্যাস করালাম।

,,,, আয় হায় আমি তো লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছি। জরিয়ে ধরতে মন চাচ্ছে কিন্তু থাক বুকে ব্যাথা পাইছি।

চলবে,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here