❤#আশিকী❤ #Madness_Of_Love,05,06

❤#আশিকী❤
#Madness_Of_Love,05,06
#Writer_Sanjana_Shabnam_Fahmida
#Part_5

আমাল জানালার বাইরে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। আর সানাহ!!! ওতো রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গাড়ি ড্রাইভ করছে। মনে মনে হাজারো গালি দিচ্ছে ও আমালকে।

অফিসের সামনে গাড়ি থামতেই আমাল সানার আগে নেমে ভিতরে চলে যায়।

সানাহ গাড়ি থেকে নেমে আমালের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করে,,,

সানাহঃ তুমি কী ভেবেছো আমাল আমি এতো সহজে হার মেনে তোমাকে জিততে দিব?? নোওও ওয়ে,,, আমাকে ব্লেকমেইল করা তাইনা!! জাস্ট ওয়েইট সুযোগ পেলে আমিও তোমাকে জব্দ করবো 😈

কথা গুলো বলে সানাহও ভিতরে চলে যায়।

আমাল নিজের কেবিনে বসে ভাবছে কিভাবে ও সানাহকে মানাবে। সানার রাগ সম্পর্কে আমাল ভালো করেই জানে,,,, ওর রাগ ভাঙাতে আমালের কম কাঠখোড়া পুরতে হবে না তা ভালো করেই উপলব্ধি করছে ও।

সানাহ কেবিনে এপাশ থেকে ওপাশ পাইচারি করছে আর ভাবছে কিভাবে আমালকে জব্দ করবে ও। কিন্তু কোন বুদ্ধিই মাথায় খেলছে না।

ল্যান্ড লাইনে কল আসতেই সানাহ বিরক্তিকর ভাব নিয়ে রিসিভ করে বলল।

সানাহঃ Hello RJ Sanah speaking….

>> Come to my cabin right now…. সানাহ কিছু বলতে যাবে তার আগেই আমাল কল কেটে দিল।

সানাহ শব্দ করে ফোনটা টেবিলে রাখলো।তারপর হনহন করে আমালের কেবিনের দিকে গেল।

সানাহ কেবিনের বাইরে দাঁড়িয়ে নক করলো।

সানাহঃ May I come in bosss 😒

আমালঃ সিওর।

সানাহ ভিতরে গিয়ে ম্যানেজারকেও দেখতে পেলো।

সানাহঃ আপনি ডেকেছিলেন??

আমাল সানার দিকে কয়েকটা ফাইল এগিয়ে দিয়ে বলল,,,

আমালঃ এগুলো আজকের মধ্যে কম্পপ্লিট চাই আমার।

সানাহ একবার ফাইলের দিকে তাকালো তারপর ম্যানেজার এর দিকে। ম্যানেজার ইশারায় বলছে ‘I can’t help’

সানাহঃ আমি এই অফিসের RJ একাউন্টেড না। এই কাজ আমার না একটু পর আমার শো আছে সো আমি পারবো না এই ফাইল কম্পপ্লিট করতে 😏

আমালঃ বস আমি না আপনি,,, obviously আমি। তাই যেটা আমি বলবো সেটাই এই অফিসে হবে। আর আমি জানি আপনি RJ। আমাকে মনে করানোর প্রয়োজন নেই। আর হ্যাঁ আজকে আপনার শো করতে হবে না।

আজকের শো আমি করবো। এ্যান্ড আই এম সিওর আমি আপনার থেকে ব্যাটার RJ। আপনি এই ফাইল গুলো রেডি করেন।

নাও ইউ ক্যান গোও,,

সানাহ দাঁতে দাঁত চেপে আমালের কথা গুলো শুনছিলো। রাগে জেদে চোখে পানি চলে এসেছে ওর।

টেবিল থেকে ছো মেরে ফাইল গুলো নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে গেল ও।

সানাহ চলে যেতেই ম্যানেজার বলল।

ম্যানেজারঃ স্যার ফাইল গুলো এতো ইম্পর্টেন্ট ছিল না তাহলে….

আমাল ম্যানেজারকে থামিয়ে দিয়ে বলল।

আমালঃ ওকে কাজে আটকিয়ে রাখার জন্য এমনটা করলাম। যতটুকু আমি সানাহ কে চিনি এখন ও কাজ কম্প্লিট হ‌ওয়ার আগে কেবিন থেকে বের হবে না আর এটাই আমি চাই। কারন সানাহ কেবিন থেকে বের হলে আমার প্লান সব ভেস্তে যাবে।

কেবিনে এসে সানাহ রাগে গজগজ করতে করতে কাজ করছে আর বলছে।

সানাহঃ আসছে শো করতে। আমিও দেখে নিব কি শো করেন উনি। উনি নাকি আমার থেকে ব্যাটার RJ. হুহ্ জীবনে রেডিওতে কথা বলে দেখেনি উনি আসছে শো করতে। দেখি যাবে কি শো করে ও।

প্রায় দুই ঘণ্টা লাগিয়ে সানাহ কাজ করছে। আমালের শো এর সময় হয়ে গেছে তাই ও রেডিও কেবিনে গিয়ে সব রেডি করে বসে পরে।

আমাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,,,

আমালঃ I’m sure সানাহ আজকের পর থেকে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিবে। আমার ভালবাসাকে আবার এক্সেপ্ট করে নিবে। আজকের এই শো টা শুধু তোমার জন্য।

কাজ করার মাঝেই আমালের কন্ঠ কানে আসলো সানার। আমাল শো স্টার্ট করে দিয়েছে। অফিসের স্পিকারে আমালের কথা গুলো স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।

To be continued….

❤#আশিকী❤
#Madness_Of_Love
#Writer_Sanjana_Fahmida_Shabnam
#Part_6

প্রায় দুই ঘণ্টা লাগিয়ে সানাহ কাজ করছে। আমালের শো এর সময় হয়ে গেছে তাই ও রেডিও কেবিনে গিয়ে সব রেডি করে বসে পরে।

আমাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,,,

আমালঃ I’m sure সানাহ আজকের পর থেকে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিবে। আমার ভালবাসাকে আবার এক্সেপ্ট করে নিবে। আজকের এই শো টা শুধু তোমার জন্য।

কাজ করার মাঝেই আমালের কন্ঠ কানে আসলো সানার। আমাল শো স্টার্ট করে দিয়েছে। অফিসের স্পিকারে আমালের কথা গুলো স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।

আমালঃ Hello dear listener’s I’m Amaal….. I know আপনারা কিছুটা অবাক হচ্ছেন। কারন RJ Sanah এর বদলে আপনারা আমাকে এক্সপেক্ট করেন। সবাই হয়তো কনফিউজ কি আমি কে আর কেন আজকে এই শো টা হোস্ট করছি।

ওয়েলল,,, আপনাদের সবার প্রশ্নের উত্তর আমি দিচ্ছি।

আমি আমাল খান। এখন হয়তো আপনারা আমাকে অবশ্যই চিনতে পেরেছেন। বাংলাদেশের টব হোটেল বিজনেস অর্গানাইজেশন এর মালিক। ব্যাস্ট বিজনেস ম্যান এয়োর্ড উইনার আমাল খান।

কিছু দিন যাবত আমি রেডিও স্টার এর স্টুডিওটা কিনেছি। অবশ্যই এর পিছনে একটা গুরুত্ব পূর্ন কারন আছে। আর সেই কারনের জন্যই আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি।

আজকের শো টা আমি হোস্ট করবো। কিন্তু শো টার নাম ভালোবাসার রংধনু না,,,,

#শুধু_তোমারি_জন্যে,,, আই নো আপনারা ভাবছেন এতো নাম থাকতে এই নামটাই কেন। একচুয়ালি আজকের এই শো টা আমি আমার স্পেশাল পার্সনকে ডেডিকেট করছি তার জন্যই শো টা করছি তাই আজকের এই শো টার নাম‌ও তাকে নিয়ে,,, #শুধু_তোমারি_জন্যে।

আজকের শো তে আমি আমার ভালবাসার কনফেশন করতে চাই আপনাদের সামনে। তার প্রতি করা ভূলের ক্ষমা চেয়ে নিতে চাই।

তো ক্যান ইউ গাইজ হ্যাল্প মি???…..

সানাহ কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। আমাল কি করতে চাচ্ছে কিছুই ওর মাথায় আসছে। ব্রেন বলছে আমালকে গিয়ে থামিয়ে দিতে কিন্তু মন!! মন বলছে আমালের মুখ থেকে ভালোবাসার কথাটা আবার শুনতে।

একে একে অনেক গুলো ম্যাসেজ জমা হয়ে গেছে। সব গুলো তেই একটাই রিপ্লাই যে আমাল যেন আজকে শো টা হোস্ট করে। সবাই আমালের সাথে আছে। আমাল ম্যাসেজ গুলো পরে মুচকি হেসে দিল।

আমালঃ Thank you guys for being with me…. তো আমি আমার ভালবাসার প্রথম অনুভুতিটা আগে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই,,,,

আমার ভালোবাসার শুরুই হয়েছিল এক বৃষ্টি ভেজা দিন থেকে। তাকে প্রথম দেখেছিলাম সাদা জামা খোলা চুলে বৃষ্টির ফোঁটার মিষ্টি সুরের সাথে তাল মিলিয়ে নাচতে। তাকে দেখার আগে কখনো কারো প্রতি এরকম ফিল আসে নি। তার চুল গড়িয়ে পানি যখন তার গালে নামছিল আমার যেন দুনিয়া থমকে গেল। চোখের বড় বড় পাপড়ি গুলোর মধ্যে বিন্দু বিন্দু পানির ফোঁটা। যা তার সৌন্দর্য কে দ্বিগুণ করে দিচ্ছিল। আর চোখের এক্সপ্রেশন ঠোঁটের হাসি। সব কিছুই আমার কাছে অমায়িক লাগছিল।

বৃষ্টির প্রতিটা ফোঁটা তাকে ছুইয়ে দিচ্ছিল বার বার and u know what আমার তখন বৃষ্টির ফোঁটা গুলোর সাথে অনেক হিংসে হচ্ছিল কেন হচ্ছিল তা জানা নেই। তার সাথে প্রথম দেখাতেই I miss my heart….( বুকে হাত রেখে)। কোন কিছুর শব্দ আমার কানে আসছিল না কারন তার মন ভুলানো সেই মিষ্টি হাসির প্রতিধ্বনি আমার কানে গুঞ্জন করছিল। আমি যেন আমার মাঝে আর ছিলাম না হারিয়ে যাচ্ছিলাম তার মাঝে। এমন লাগছিল কোন পরী আমার সামনে। তার মাঝেই হারিয়ে ছিলাম ঠিক কতক্ষন তা জানা নেই।

কিন্তু হঠাৎ করেই মানুষের ভীরে হারিয়ে গেল সে। পরীটি উধাও হতেই ঘোর ভেঙ্গে গেল আমার। পাগলের মতো চারপাশে খুঁজতে লাগলাম তাকে। কিন্তু পেলাম না।

কথা গুলো বলেই আমাল দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আমাল চুপ হতেই কয়েকটা ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো। আমাল স্কৃনে তাকিয়ে দেখলো listener’s রা ম্যাসেজ দিচ্ছে।

ম্যাসেজ গুলো এরকম ছিল,,,

আপনি কি তাকে আর খুঁজে পান নি??

কে ছিল সে??

সে কি এখন আপনার কাছে আছে??

Who is that lucky girl…?

নাম কি তার??

আমালঃ হুম খুঁজে পেয়েছিলাম তাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত নিজের কাছে রাখতে পারি নি। আমার একটা ভুলের কারনে হারিয়ে ফেলেছি তার বিশ্বাস তার ভালোবাসা।

আর সে এখন আমার কাছেই আছে। বলতে গেলে কাছে থেকেও দূরে। I know আমার ম্যাসেজ টা তোমার কাছে পৌছাচ্ছে,,,, u can hear me…

জানি না আমার আগে এমন ভাবে কেউ কখনো তার ভালবাসার প্রকাশ করেছে কিনা,,,, কিন্তু আমাল খান সবার থেকে আলাদা তাই তার প্রপোজের স্টাইল ও আলাদা,,, ( টেডি স্মাইল দিয়ে)… This is only for u Love…..

আমাল পাশ থেকে তার গিটার তুলে নিল। তারপর গিটারে ধুন্ দিয়ে গান স্টার্ট করলো।

Janam Janam Janam saath chalna yuhi
Kasam tumhe Kasam aake milna yahi….
Ek jan hain bhalein do badan ho juda
Meri hoke hamesha hi rehna….
Kabhi na kehna alvida

Meri Subha ho tumhi
Or tumhi sham ho…..
Tum dard ho tumhi aaram ho
Meri duya o se aati Hain…
Bass yeh Sadah….
Meri hoke hamesha hi rehna
Kabhi na kehna alvida…..

সানাহ বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছে। ও ভাবেও নি আমাল এরকম কিছু একটা করবে। সব কিছুই ওর ভাবনার বাহিরে ছিল।

সানাহঃ তুমি যাই করোনা কেন আমাল I will not forgive u. তোমার দেওয়া ঘা আমি কখনো ভুলবো না। ( কান্না মাখা চোখে)

আমালঃ আমি শুধু ওকে একটাই কথা বলতে চাই,,,, I do love you…. I madly in love with…. তুমি ছাড়া আমার কোন অস্তিত্ব নেই। without u I’m incomplete…… my life is incomplete… Our love is incomplete… একটা শেষ সুযোগ চাই তোমার কাছে,,, প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিও না। I I really love u San…..

আমাল সানার পুরো নাম নেওয়ার আগেই কেউ এসে স্পিকার টা ছুড়ে ফেলে দিল। রেডিও অফ হয়ে গেল।

আমাল বসা থেকে দাঁড়িয়ে যায়। সানাহ দাঁড়িয়ে আছে আমালের সামনে।। চোখ দুটো অসম্ভব লাল হয়ে গেছে ওর দেখতেই বুঝা যাচ্ছে কান্না করেছে।

আমালঃ সান আই…..

ঠাসসসসস,,,,,,

ঠাস করে চর বসিয়ে দিল সানাহ আমালের গালে। আমাল গালে হাত দিয়ে অপ্রস্তুত ভাবে তাকিয়ে আছে সানার দিকে। এটা ও আশা করে নি সানার কাছ থেকে।

সানাহ আমালের কলার চেপে বলতে শুরু করে,,,

সানাহঃ আই হোপ এর পর থেকে তুমি আর আমার কাছে আসার চেষ্টা করবে না। বারবার নিজের মিথ্যা ভালোবাসার কথা মুখে আনবে না। আমার মনে তোমার প্রতি এখন আর কোন অনুভূতি নেই,,, আছে তো শুধু ঘৃনা।

I’m warning u Amaal Khan…..

আমাল শুধু তাকিয়ে আছে সানার দিকে। আজ ও কোন সানাহকে দেখছে তা ভেবে পাচ্ছে না। এক সময় কি এই সানাহ‌ই ওকে পাগলের মতো ভালোবাসতো। আর এখন এতই ঘৃনা করে যে আমালের উপর হাত উঠাতেও দ্বিতীয় বার ভাবলো না।

সানাহ আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। কি করেছে কেন করেছে বুঝতে পারছে না সানাহ। সানাহ দ্রুত কেবিন থেকে বেরিয়ে যায়। দরজার দিকে গিয়ে আবার পেছনে ফিরে তাকালো ও। আমাল এখনো ওর দিকে তাকিয়ে আছে। আমালের চোখের দিকে তাকিয়ে সানাহ বলল,,

সানাহঃ ভালোবাসায় বিশ্বাস জিনিসটা বড্ড বেমানান আমাল। এটা কাচের মতো যা একবার ভাঙলে দ্বিতীয় বার আর জোরা লাগে না।

সেদিন যদি তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে তাহলে আমাদের জীবনটা আজ অন্যরকম হতো। যেখানে শুধু ভালোবাসা থাকতো।

কথা গুলো বলেই সানাহ বেড়িয়ে গেল কেবিন থেকে। আমালের চোখের কোনা দিয়েও পানি গড়িয়ে পরছে। নিজের একটা ভূলের কারনে তার ভালোবাসা আজ তার থেকে এতো দুরে।

চোখের পানি বাধ মানছে না সানার। কান্না করতে করতে বেরিয়ে পরলো ও অফিস থেকে। হাতটা প্রচন্ড রকম কাঁপছে ওর। ইচ্ছে করছে হাতটা শরীর থেকে আলাদা করে দিতে। কিভাবে পারলো ও আমালের উপর হাত তুলতে।

ফ্ল্যাটে ঢুকে সোজা নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে বসে পরলো সানাহ। ওকে এভাবে আসতে দেখে ঘাবরিয়ে যায় ওর মা। এক বছর আগেও ঠিক এভাবেই বাড়ি ফিরেছিল সানাহ। তখন সম্পুর্ন রুপে ভেঙে পরেছিল ও। অনেক কষ্টে রাহেলা সানাহকে আগের মতো নরমাল করেছিলেন। আগের কথা ভাবতেই চিন্তা হতে লাগে উনার।

সানার দরজায় বারি দিচ্ছেন আর ডাকছেন উনি।

রাহেলাঃ সানু কি হয়েছে ?? দরজা বন্ধ করলি কেন?? সানাহহহ,,,,

একনাগাড়ে ডেকেই যাচ্ছেন। মাকে এভাবে চিন্তায় দেখে সানাহ হালকা আওয়াজে বলল।

সানাহঃ আম্মু প্লিজ তুমি এখন যাও। আমি ঠিক আছি। কিছুক্ষন একা থাকতে চাই প্লিজ গোও।

সানার কন্ঠ শুনে চিন্তা কিছুটা কমলো উনার। রাহেলা রুমের সামনে থেকে সরে যান। উনি জানেন মন ভালো হলে সানাহ নিজে থেকে উনাকে কি হয়েছে বলবে।

প্রায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হয়ে আসছে। সানাহ এক‌ই ভাবে মুখ গুঁজে কান্না করছে। হঠাৎ বারান্দায় কিছুর শব্দ শুনতে পায় ও।

বারান্দার দরজা লাগানো। সানাহ দরজার সামনে যেতেই আমালের কন্ঠ কানে আসলো ওর।

আমালঃ সান প্লিজ ওপেন দ্যা ডোর। আমি তোমাকে সব এক্সপ্লেইন করবো। প্লিজ গিভ মি আ্য লাস্ট চান্স। ( করুন স্বরে)

সানাহ কিছু বলল না হাত দিয়ে মুখ চেপে বসে পরলো দরজায় পিঠ ঠেকিয়ে। সম্পূর্ণ না হলেও সানার কান্নার আওয়াজ কিছুটা আমালের কানে আসছে।

আমাল‌ও সানার বরাবর দরজায় পিঠ ঠেকিয়ে বসে পরে। তারপর বলে,,,,,

আমালঃ সান তুমি জিদ্দি হলে আমিও সুপার জিদ্দি। যে পর্যন্ত তুমি দরজা না খুলো আমি এখান থেকে এক ইঞ্চিও নরবো না।

দেখি তোমার জেদ জিতে নাকি আমার ভালোবাসা।

আমাল আর সানাহ এক‌ই ভাবে বসে আছে। দুজনের পিঠ ঠেকে আছে দরজার দু দিকে। হঠাৎ অনেক জোরে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। আমাল চোখ বন্ধ করে আছে। বৃষ্টির পানি ভিজিয়ে দিচ্ছে আমালকে। আমাল চোখ বন্ধ করে সানাহকে প্রথম দেখার মুহূর্ত টা মনে করছে।

To be continued…….

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here