সুখ_পাখি #Ayrah_Rahman #part:–03

#সুখ_পাখি
#Ayrah_Rahman
#part:–03

পরদিন ফ্রাইডে তাই কলেজ অফ,,,,

দুপুরের খাবার খেয়ে আরু বসে বসে টিভি দেখছে,দেখছে বললে ভুল হবে শু’ধু শু’ধু চ্যা’নেল পরিবর্তন করছে,,মানে তার কিছু ই ভালো লাগছে না,,হ’ঠাৎ একটা চ্যা’নেলে তার চোখ আটকে যায়,,সেখানে একটা লোক খবর পরছে,,যেখানে বলা হ’চ্ছে,,

* শহরে নতুন করে নারী পা*চা*র ও মা*দ*ক ব্যবসার সাথে স’ম্পর্কিত একটা দ’ল ধ’রা পড়েছে,,যারা আর স’প্তাহ খানেকের মাঝে ১০০+ জন মেয়ে পা*চা*র করতো। তার সাথে আরো পাওয়া গেছে ই*য়া*বা র মতো আরো অনেক মা*দ*ক দ্র’ব্য,, কিন্তু এই না’রী*পা’চা’র দল টিকে পু’লিশ অনেক দিন ধরে খুঁ’জ করছিলো কিন্তু কোন ভাবেই ধরা যা’চ্ছিল না, তবে হ’ঠাৎ কি এমন হলো তা’রা নি’জেরাই এসে পুলিশের কাছে আত্ম*স’ম’র্পণ করলো।বি’স্তারিত সংবাদ জানতে সাথে থাকুন এস. আর.টিভির,,প’রবর্তী সংবাদে আরও বি’স্তারিত জানার আ*স’ঙ্কা করা যা’চ্ছে,,
এই টুকু দেখেই আরুর কপালে চি’ন্তা র ভাজ পড়লো,,
আরু মনে মনে ভাবতে লাগলো,, ব্য’পার টা কি? নারী পা*চা*র আবার কোথা থেকে উ’দয় হলো,,আবার আত্ম*স’মর্পনই বা করলো কেন,,কে আছে এর পে’ছনে??
হঠাৎ ড্রয়িং রুমে তরু এসে দেখে,, আরু চিন্তিত অ’বস্থায় বসে আছে,,
তরুঃ– কিরে,আরু কি হয়েছে? কি নিয়ে ভাবছিস এতো,
আরুঃ- আরে আর বলিস না,, শহরে যে কি উ*দ্ভ’ট কা’ন্ড শু’রু হয়েছে তা বোঝা মুশকিল,
তরুঃ– কি হয়েছে বলবি তো?
আরুঃ- নারী পা*চা*র কারীর দল ধরা পড়েছে,, ধ’রা পড়েছে বললে ভুল হবে তারা নি’জেরাই আ*ত্ম*সমর্পণ করেছে,কি’ন্তু কেন বলতো? কেউ কি তাদের বা’ধ্য করছে? তাহলে কে সে?
তরুঃ– দু’র বা’দ দে তো,, যার ই*চ্ছে সে থাকবে, তুই এতো চি’ন্তা করিস কেন,,
আরুঃ- আচ্ছা যা বাদ দিলাম,,এই শুন না( তরু কে উদ্দেশ্য করে)
তরুঃ– হুম বল,,,
আরুঃ– কাল না একটা ছেলের সাথে দেখা হয়ে’ছিল, জা’নিস,,কেমন জানি অ*দ্ভুত র’কমের,,আমার দিকে কেমন করে জা’নি তাকিয়ে ছিলো?
তরুঃ– তার পর?
আরুঃ- আমার না মনে হয়েছিল ছেলে টাকে আমি চিনি,,কি’ন্তু কোন কিছুই না মনে করতে পারছি না,,আ’চ্ছা আপুই আমার জীবনে কি এমন কিছু আছে যে’টা আমি জা’নি না কিং*বা ভুলে গেছি?
তরুঃ– আবব.. আ আরু( আমতা আমতা করে) আরু কি সব বলছিস,, কি ভুলে যাবি?সব তোর আ’জা’ইরা চি’ন্তা,, বাদ দে তো,,চল বাইরে থেকে ঘুরে আসি,,অনেক দিন কোথাও যা’য় না,,
আরুঃ- আ’চ্ছা চল,,দাড়া রেডি হয়ে আসি,,
তরুঃ– আরু সাড়ি পরবি?
আরুঃ- সাড়ি? আ’চ্ছা পড়বো,, তাহলে তো আ’ম্মু র কাছ থেকে সাড়ি নিতে হবে,,দাড়া আমিও নিয়ে আসি,,
তরুঃ– আচ্ছা যা,আমার টা’ও সু’ন্দর দেখে আনিস,,
( আরু তার মায়ের রুমে চলে গেলো)
আরু তার মায়ের রু’মে গিয়ে দেখে তার মা বই পড়ছে,,
আরু হ’ঠা’ৎ করে তার মায়ের কো’লে সু’য়ে পড়’লো,,
আরুঃ- আ’ম্মু ওওই আ’ম্মু
আয়েশা রাহমানঃ– হুম বল,,শুনছি,,
আরুঃ- তোমার আ’লমারি থেকে দুইটা সাড়ি দাও না!!
আয়েশাঃ– সাড়ি দিয়ে কি করবি,,
আরুঃ- পড়বো তো,,,আমি আর আপু একটু বাইরে যাবো,,
আয়েশাঃ– নিয়ে যা,
আরুঃ- তুমি পরিয়ে দিবা,,?
আয়েশাঃ– নিয়ে আয়,,সারি

আরু আ’লমারি খুলে,,নিজের জন্য একটা লা’ল পা’ড়ের সাদা সাড়ি আর তরুর জন্য সবুজ সাড়ি বের করে মায়ের হাতে দিলো,,
আরুঃ- নাও পড়াও,,( মা কে উদ্দেশ্য করে)
আয়েশাঃ– তরুকে ডাক দিয়ে আ’ন,,
বলতে বলতেই তরু হাজির,,
তরুঃ– আর ডা’কতে হবে না,, আমি’ও এসে গেছি,,
আয়েশা রাহমান খুব সু’ন্দর করে দুই মেয়েকেই সাড়ি প’ড়িয়ে দিলো,, সা’জিয়ে ও দিলো,, আসলে আয়েশা রাহমান খুবই সৌ’খিন স্ব’ভাবের মানুষ, সবকিছু তেই তার প’রিপূর্ণ হতে হয়,
আয়েশাঃ– মাশাআল্লাহ,, আমার মা দুটো কে অনেক সু’ন্দর লাগছে,,,কারো ন’জর না লা’গুক,,
আরুঃ- আমাকে নয় আপুকে হে’ব্বি লাগছে,,
তরুঃ– তোকে বি’ধবা লাগছে,,হি হি হি
আরুঃ- আম্মুওও দেখো তোমার মেয়ে কি বলে,,
আয়েশাঃ– ওকে যাও যাও পরে দেরি হয়ে যাবে,, আর তা’ড়া’তা’ড়ি বাড়ি ফিরো,,তোমাদের বাবা এসে তার মেয়েদের না দেখলে বাড়ি মাথায় তু’লবে,,,
আরু+তরুঃ– আ’চ্ছা আম্মু,, আসি,

আরুরা বের হয়ে প্রায় ১০ মিনিট যাবত অ’পে’ক্ষা করছে কি’ন্তু একটা রি’ক্সা’র ও দেখা নেই,,
আরুঃ- আপুওও চল হাঁটি,, আজ রি’ক্সা’র ভাটা পড়ছে
তরু মন খারাপ করে বলে কি আর করবো,, চল!

দু বোন রা’স্তা দিয়ে কথা বলছে আর হাটছে হ’ঠাৎ তরুর ফোনে ক’ল আ’সায় সে একটু সা’ইডে চলে আসে,, এরই মাঝে আরু নি’জে নি’জে কথা বলতে বলতে কখন যে রা’স্তা’র মা’ঝে এসে পড়েছে তার কোন খবর ই নেই,, তরু কথা বলে ফি’রে এসে দেখে আ’রু নেই একটু দুরে তাকিয়ে দেখে আরু রা*স্তা’র মাঝে আর অপজিট দিয়ে একটা ট্রা*ক আসছে,,আরুর তখন ও খেয়াল নেয়,,আরুর খেয়াল হয় তরুর চি*ৎ*কা*রে তত’ক্ষণে বেশ দেরি হয়ে যায়,,আরু সামনে তাকিয়ে দেখে ট্রা*ক তার কাছাকাছি প্রায়,,আরু চোখ বন্ধ করে ফেললো,,হঠাৎ আরু তার হাতে টান অনুভব করলো এবং কিছু বুজে উঠার আগেই কেউ একজন আরুকে তার বাহুডোরে আগলে নিলো,,,
আরু বুজতে পারছে লোকটির বুকে অজানা আ*ত*ঙ্কে ডিপ ডিপ করছে আর কাপন অনুভব করছে,,,
দীর্ঘ’সময় পর আরু লোকটির বুক থেকে মাথা তুলে দেখে,, সকালে ঝ*গড়া হওয়া সেই লোকটি,,
আরুঃ- এই যে মি’স্টার প্লি’জ ছাড়েন,,সবাই দেখছে,,
আরুর কথায় শুভ্রের ঘোর কাটে।
আরু আর কিছু বলার আগেই তার গালে ঠা*স করে একটা থা*প্প*ড় পড়লো,,
শুভ্র ঃ– এই মেয়ে তুমি কি সু*স্থ ভাবে রা’স্তায় চলতে পারো না,, যখন তখন ই রা’স্তার মাঝ’খানে চলে আসো,,এখন যদি আমি না আসতাম তাহলে কি হতো ভাবতে পারছো? নন*সে*ন্স কোথাকার,,
তখনই তরু সেখানে উপ*স্থিত হয়,,
তরু ঃ– ধন্যবাদ ভাইয়া,,আপনাকে কি বলে ধঅ( এটুকু বলেই তরুর গলার স্ব*র আটকে গেলো কারন এতক্ষণে সে শুভ্রের মুখ দেখতে পেলো)
শুভ্র ঃ– ধন্যবাদ দেয়ার কোন দরকার নেয় মিস তরুওও।আজ বরং আসি,,ভাগ্যে থাকলে আরও বহুবার যে দেখা হবে,, ধন্য*বাদ টা নাহয় তোলা থাকলো,,আর বোন কে একটু দেখে শুনে রাখবে তো,,বলা তো যায় না কবে যানি কে তু’লে নিয়ে চ’লে যায়,,
বলেই শুভ্র চলে যায় আর এদিকে তরুর মুখে পড়ে চি’ন্তার এক বি’রাট ছাপ,,
আরুঃ- কিরে আপু ওই লোকটা তোকে চিনে কিভাবে?
তরুঃ–ওওওও কিছু না,,একবার ব’ব”বা’সে হে বাসে দেখা হয়েছিল আর কি,,চল বাসায় চল,,
আরুঃ- হুম,, চল
রাতে….
তরুর নিজের ঘরে সুয়ে সুয়ে ভাবছে আবার এই শুভ্র,,, কেন আবার এসেছে আমার বোনের জীবন টা ন*ষ্ট করতে,, কি চাই কি শুভ্র,,, আর শুভ্রের জানে জি’গার বন্ধু ওই শা*লা অভ্রটা ই বা কোথায়,,,যাকে ছাড়া শুভ্র নিজের জীবন টাও ক’ল্পনা করতে পারতো না,যার জন্য নিজের ভালোবাসা কে অ’প’মান করতে দু বার ভাবলো না,,কোথায় সে ,দুর এসব কি ভাবছি,,অতীত তো অতীত ই,, যা চলে গেছে সেটা আর রি’পিট করতে চাই না,,ভালোই ভালোই আরুর এইচএসসি টা শেষ হোক,, ওকে দুরে কোথাও পাঠিয়ে দেবো,,যেখানে অতীত ওকে কখনোই ছুতে পারবে না,,এসব ভাবতে ভাবতে তরু ঘুমিয়ে গেছে,,,

এদিকে আরু গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে,,কি’ন্তু ঘুমের মাঝেই মনে হ’চ্ছে কেউ যেন ওকে গভীর ভাবে প’র্যবেক্ষণ করছে,,কখনো গা*ল,, কখনো বা ঠোঁ*ট,, আরু বুজতে পারছে কি’ন্তু ঘুমে সে এতটাই কাতর চোখ খুলার সা’ধ্য তার নেই,,এই দেখে অ’জানা লোকটি মুচকি হাসছে,,আরুর গালে হাত দিয়ে বলতে লাগলো,,
হায় পা’গলি রে আমার, এখনো ছোট বা’চ্চায় রয়ে গেলে,,জানো তো চ’ড়ুই আমার না পুরানো সেই নে*শা টা আবার মা’থা চারা দিয়ে উঠেছে,,দুই দুটো বছর তোমাকে পাগলের মতো খুঁ’জেছি,, দিনে পাগলের মতো খুঁজেছি আর রাতে তোমার ছবি বুকে নিয়ে কল্পনা সাজিয়েছি, নাহ, আমি কোন এ’ল’কোহলের নে*শা করিনি,,আমার তো একটাই নে*শা,,সেটা কি জানো?,, উহুম জানো না,,জানলে আমাকে একা ফেলে কখনোই আসতে না,,একবার ও কি আমার কথা ভাবলে না?তুমি ছাড়া আমার কি হবে,,বলতে বলতে সেই লোকটির চো’খ দিয়ে দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো হ’ঠাৎ ই উ’ঠে দাড়িয়ে বলতে লাগলো,,,সব কিছুর হিসাব নেবো,,কিন্তু শা*স্তি টা যে এভাবে নয় ঐভাবে হবে,মাই ডিয়ার চড়ুই পাখি ,বলেই আরুর কপালে ঠোঁ*ট ছোঁ’য়া’লো,,উ*ষ্ণ ঠোঁ*টের স্প*র্শে আরুর ঘুম পুরোপুরি ছুটে গেল,, কিন্তু সামনে কাউকে দেখতে না পেয়ে স্ব*প্ন ভেবে ফের ঘুমিয়ে পড়লো,,আর অচেনা লোকটি যেদিক দিয়ে এসেছিলো ঠিক সেদিক দিয়েই চলে গেলো,,

পরদিন সকালে,,,
আজ কেন জানি সকাল সকাল আরুর ঘুম ভে’ঙ্গে গেল। আর কাল রাতের কথা ভাবতে লাগলো,, কাল কে এসেছিল আমার রু’মে নাকি আমি স্ব’প্ন দেখেছি,,বুজতে পারছি না, দুর ভাল্লাগে না,,আরু ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে মোটে সকাল ৬ বাজে,,
আরু বসে বসে ভাবতে লাগলো,,, ধুররর এতো সকালে কেউ উঠে,,যাক উঠে যখন পড়েছি,,ছাদে থেকে ঘুরে আসি,,,এই বলে বিছানা থেকে নামতে গিয়ে দেখে মেঝেতে আংটির মতো কিছু একটা পরে আছে,,আরু সেটা নিয়ে কিছুক্ষন থম মেরে বসে রইলো আংটি টা দেখতে খুব সুন্দর এবং এর মাঝে খুদায় করে খুব সূক্ষ্ম ভাবে কিছু একটা লেখা,,,আরু খুব ভালো ভাবে পর্যবেক্ষন করে লেখা টি পড়ে সেখানে খুব সুন্দর করে লেখা”” সুখ_পাখি “”আরু ভাবছে এই আংটি টা কার হতে পারে এটা তো তার না,,আর তরু আপুর হবার কথা না,,আব্বু – আম্মু তো এসব আংটি পড়ে না,,তাহলে কার? তারমানে কেউ কি সত্যি এসেছিল,,যদিও আসে কে সে?,,দুরররর এত এত চিন্তা কিভাবে করমু??আরু আংটি টাকে আলমারিতে রেখে ফ্রেস হতে গেছে,,
ফ্রেস হয়ে এসে দেখে সকাল সাত টা বাজতে আর ১৫ মিনিট বাকি,,
আরু আর কিছু চিন্তা না করেই বাইরে বের হলো,,রান্নাঘরে মা কাজ করছে,,বাবা জগিং করতে গেছে,,আরু সোজা তরুর রুমে ঢুকে দেখে তরু সাতসকালে বসে বসে গান শুনছে,,
আরু বুজতে পারলো তার আপুর মন ভালো না কারণ তরু যখন ই মন খারাপ থাকে তখন ই সে গান শুনে তবে তরু শুধু একজনের গান ই শুনে,,সে কে তরু আজও নাম ও জানে না,, মানে সে সিক্রেট সিংগার,, তবে তার গান মানে কন্ঠ টা তরুর খুব ভালো লাগে,,কন্ঠ টা ঠিক তার ভিষণ কাছের কারো যদিও এখন সে তরুর থেকে অনেক দুর,, কোথায় আছে তরু তা জানে না আর না জানতে চাই,,কিন্তু কথায় আছে না শরীর কে মানানো গেলেও মন কে মানানো যায় না,,না চাইতেও বারবার সেই মানুষ টার কথায় তরুর মনে হয়,,
আরু হঠাৎ গিয়ে তরুর পাশে বসে গান অফ করে দেয়,,গান অফ হবার সাথে সাথে তরু চোখ খুলে সামনে তাকিয়ে দেখে আরু বসা,,
তরুঃ– কিরে বনু কখন আসলি?আর এত সকালে?
আরুঃ- হুম ঘুম ভেঙ্গে গেল তাই উঠে পরলাম,,
তরুঃ– ওহহ,
আরুঃ- আপুনি??
আরুর তাকে তরু চমকে ওঠে,, সেদিকে পাত্তা না দিয়ে তরু বলে,,হুম বল,,কিছু বলবি?
আরুঃ- কি হয়েছে তোর,মন খারাপ নাকি কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করছিস?
তরুঃ– আরে না কি চিন্তা করবো, আজব,এমনি ভালো লাগছে না তাই গান শুনছি,
আরু মনে মনে ভাবতে লাগলো, আপুকে কি ওই আংটি টার বিষয়ে বলবো? না থাক এমনিতেই কোন বিষয় নিয়ে চিন্তিত আর চিন্তা বাড়ানো লাগবে না, আমি ই বিষয় টা ভেবে দেখবো নে,,
আরুকে অন্য মনস্ক দেখে তরু বলে উঠলো, কিরে তুই কি ভাবছিস?
আরুঃ– আরে কিছু না,, আবব ( আমতা আমতা করে) আপু ওই আজকে না আমাদের কলেজে মেডিকেলের স্টুডেন্ট আসবে,,আমাদের নিয়ে নাকি কিসের সংগঠন করবে,,
তরুঃ– তোদের নিয়ে?
আরুঃ- হ্যা,, সেটাই তে বলল,আজ তাদের লিডার আসবে, আমাদের সবকিছু বুঝিয়ে দিতে,আশা করা যায় সপ্তাহ খানেকের মাঝে কাজ শুরু হবে।
তরুঃ– ওহ,সাবধানে থাকবি,
আরুঃ- হ্যা হ্যা থাকবো থাকবো
বলেই আরু তরুর রুম থেকে বেরিয়ে গেলো, এদিকে তরু বসে বসে চিন্তা করছে,,শুভ্র আবার কেন আসলো? আর কাল সে কি বলে গেলো? আরুর কি কেন ক্ষতি করবে? কাল থেকে এসব চিন্তায় তরুর ঘুম হারাম হয়ে গেছে,,

___________________

কলেজ ক্যাম্পাসে…

চলবে?..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here