রোমান্টিক_বর,পর্বঃ৪

#রোমান্টিক_বর,পর্বঃ৪
(ডাইরিতে আরহা)
#আসিফ_আহমেদ

মিঃআসিফ মাথা চুলকাতে চুলকাতে কিচেন থেকে চলে গেলো।আর এদিকে আমার লজ্জায় যায় যায় অবস্তা।
–বাহ!বাবা এতো লজ্জা আমার পাগলিটার?এতো লজ্জা কোথায় রাখিস(শাশুড়ি মা)
.
–মাআআআ(আমি লজ্জা জরিত কন্ঠে)
.
–আচ্ছা আচ্ছা আর কিছু বলবোনা(মা)
.
আমি মার কাঁধে মাথা রাখলাম। মা আমার মাথা হাত বুলিয়ে দিলো।এই একদিনে কেউ একটা মানুষকে কতটা আপন করে নিতে পারে তা আমার জানা নেই?তবেঁ আমি বলবো মানুষ চিনতে বেশি সময় লাগে না।অল্প একটু ভালোবাসার ছোঁয়া পেলেই হয়।একটা মেয়ের তখন একাকিত্ব মনে হয় যখন নতুন বিয়ে হয়।তখন তার খুব বাবা-মার কথা মনে পরে তবেঁ তা আমার হচ্ছেনা।কখনো ভাবিনি এরকম একটা ফ্রেমেলি পাবো।আজ আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া।বাড়ির সবাই জেনো ভালোবাসার ডিব্বা।এতো অল্প সময়ে কাছের কেউ হয়ে যাবো ভাবতে পারিনি।শাশুড়ি মা একেবারে নিজের মেয়ে ভাবে।
.
.
এখন দুপুরে লান্স করতে বসছি সবাই।শুধু মিঃবজ্জাতটা নেই।বাইরে বলে গেছে একটু কাজে।আমাকেও বলে যায়নি।আর বলবেই বা কি করে আমিতো কিচেনে ছিলাম।তখন যে লজ্জা পেয়েছে সে জন্যই বোধহয় আসেনি।সবাই এটাওটা গল্প করছে অথচ আমি চুপ করে আছি।কারণ খুব লজ্জা লাগছে যে।মানুষ গুলো কত রোমান্টিক।হাসাহাসি ছোলেও ভালোবাসায় ভরপুর।আমি শুধু তাদের মুখ পানে চেয়ে আছি।
–কিরে তুই না খেয়ে এরকম চেয়ে আছিস কেন?(মা)
.
–মা ভাবি বোধহয় কাউকে মিস করছে(সুমাইয়া মিঃএর বোন)
এই বলে সকলে হেসে উঠলো আর এদিকে আমি মাথা নিচু করে আছি লজ্জায়।ইস!মানুষ গুলো খুব পাজি বার বার শুধু লজ্জা দেয়।লজ্জায় আমার যায় যায় অবস্তা আর এদিকে ওরা হেসে গুলুগুলু।এরি মাঝে কোথা থেকে মিঃআসিফ এলো।
–কি ব্যাপার এতো হাসাহাসি কেনো তাও আবার আমাকে ছাড়া(আসিফ)
.
–ভাইয়া হাসাহাসি কারণটা তো তুই নিজেই(সুমাইয়া)
.
–আমি নিজেই মানে(আসিফ)
.
–তুই নিজেই মানে তুই নিজেই তোর বউ এর থেকে শুনে নিস(সুমাইয়া)
.
–যা আমার শুনা লাগবেনা।এক কাজ কর এই ফাইল গুলো রুমে রেখে আয়(আসিফ)
.
–আমি রেখে আসবো মানে?আমি কি তোর চাকর(সুমাইয়া)
.
–ওহে!তাই তো তুই তো আমাদের চাকর না তুই হলি আমাদের চাকরানি
কথাটা শুনে সবাই হেসে উঠলো।আর সুমাইয়া রাগে ফসতে লাগলো।এই বুঝি ভাই বোনের কান্ড হাহা আমারি হাসি পায় তাদের কান্ড কিত্তি দেখে।
তারপর সবাই খেতে থাকলাম।মিঃ বার বার আমার দিকে দেখছে আর মাঝে মাঝে চোখ টিপি দিচ্ছে।মাংস খাওয়া ছোলে।তবেঁ তার চোখ দুটোই কেমন জেনো মায়া আছে।এমায়া জেনো আমার বহু দিনের চেনা।এচোখ জোড়া জেনো কোথায় একরঙ্গা ভালোবাসা ছেয়ে দিয়েছে।
–আসিফ শোন তুই বরং বউমাকে নিয়ে বিকেলে কোথাও থেকে ঘুড়ে আয়।তোদের বিয়েটা তো আর এতো ধুমধাম করেও দিতে পারিনি।হঠাং করেই সব তাই তুই একাজ কর(বাবা)
.
–হে তাই কর।এতে হয়তো বাবা-মার জন্য বিষন্নতা থাকবেনা।বউমার মনটা ভালো হয়ে যাবে(মা)
.
–আচ্ছা ঠিক আছে(আসিফ)
.
তারপর সবাই খাওয়া শেষ করলাম।এঁকে একেঁ সবাই চলে গেলো রুমে।আমি থালা-বাসন ধুতে গেলাম।যদিও মা যেতে দিতে চাননি তবুও জোড় করে গেলাম।তারপর সব গুছিয়ে গেলাম রুমে।
!!
এখন পড়ন্ত বিকেল।সূর্যের আলো রয়েছে তবুও তার তেজ কম।বসে আছি বাইকের উপর আর মিঃ রোমান্টিকের ডিব্বা বাইক চালাচ্ছে।জানিনা কোথায় নিয়ে যাচ্ছে।তবেঁ আমার খুব ভালো লাগছে বসে থাকতে।এই প্রথম কোনো ছেলে মানুষের বাইকে চরলাম।ছেলে বলতে আমারি বর মিঃবজ্জাতের হাড্ডি হাহাহা।বজ্জাতটা মাঝে মাঝে ব্রেক কসছে।আর মুচকি মুচকি হাসছে।সালা বজ্জাতের হাড্ডি এতো শখ শরিলের সাথে লাগানো।বাসায় গিয়ে নি তার পর দেখবো কত ধানের কত চাল।তারপর মিঃএকটা পার্কের সামনে বাইক থামালো।তারপর দুজনে পার্কের ভিতরে ঢুকলাম।খুব পাশাপাশি হাটছি দুজনে।আমি আকাশীরং এর শাড়ি পরেছি আর মিঃহ্যাংলাটা নীল পান্জাবী পরেছে।খুব সুন্দর লাগছে তাকে।ফরসা মুখ,মাথা ভোরতি চুল,ঠোঁটের নিচে ক’টা দাড়ি।চাপ দাড়ি না থাকলেও এদাড়িতে তাকে বেশ লাগছে।হুট করে কোনো মেয়ের মন কেরে নিতে পারে।তবেঁ পান্জাবীতে বেশ লাগলেও আমার জানি কেমন লাগছে।জেনো অনেক দিনের খুব চেনা।সেই চোখ,সেই পোশাক জেনো তাকে আরো কাছে টানছে।কেনো এতো মায়া তার চোখে?
[একটু সমস্যার জন্য আজ পূর্বটা ছোট করে দিলাম ইনশাল্লাহ আগামি কাল থেকে বড় করে দিবো]
!!
!!
#চলবে,,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here