একজন_অনন্যার_গল্প_পর্ব_২

একজন_অনন্যার_গল্প_পর্ব_২

অমিতের কাছ থেকে পাওয়া কষ্টগুলি অনন্যা তার শ্বশুর বাড়ির কাউকে প্রকাশ করতে পারতো না বা তার
নিজের বাবা-মা, ভাই-বোনকেও না। কারণ তার বাবা-মা, ভাই বোন জানলে সবাই খুব কষ্ট পাবে,তাই
এই কষ্টগুলি সে একাই বুকের মধ্যে লালন করতো, তাই সব সময় তার মনটা দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়ে থাকতো।

আরেকদিনের একটি ঘটনা আজো অনন্যার মনে দাগ
কেটে আছে । নামিরার জন্মের চল্লিশ দিন পর অমিতের একদিন ইচ্ছা হলো তার এক বন্ধুর বাসায় কয়েক বন্ধু মিলে সারারাত কাটাবে, আনন্দ করবে। অনেক রাতে অনন্যাকে জানালো, সেদিন সে আর বাসায় ফিরে আসবে না।

অনন্যা তার শ্বশুরবাড়ির যে ফ্ল্যাটে থাকে, তার চতুর্দিকে গাছপালা দিয়ে ভরপুর থাকায় রাতের বেলা
চারিদিকে কেমন যেনো একটা ভুতুরে পরিবেশ বিরাজ
করে আবার সেখানে মাঝে মাঝে ইলেকট্রিসিটিও চলে যায়। অমিত বাসায় থাকলে ও রাতের বেলা অনেক সময়, একা পাশের রুমে অনন্যার কেমন যেনো ভয় ভয় করে। কারণ সে শুনেছে, অনেক আগে এ বাড়ির পাশেই একটা শ্মশান ছিলো।

অনন্যার শ্বশুরবাড়ির লোকদের আন্তরিকতাহীন মন-মানসিকতায়, সে এতো রাতে কাকেই বা তার সাথে রাতটি কাটানোর জন্য ডাকবে , একথা ভেবে ভেবে সে
অস্থির হয়ে যেতে লাগলো। তাছাড়া তাদের ডাকলেও তারা এরমধ্যে কোন রহস্যের গন্ধ খুঁজে বেড়াবে এতে করে অনন্যার হিতে বিপরীত হবে।

অনন্যা উপায়ান্তর না দেখে অমিতকে ফোন করে চলে আসার জন্য অনুরোধ করলো। শেষ পর্যন্ত অমিত বাসায় মাঝরাতে এসে অনন্যার সাথে চরম দুর্ব্যবহার করলো। অমিত ইচ্ছে করলেই তাদের বাসায় তার বন্ধু বান্ধব নিয়ে আনন্দ ফুর্তি করতে পারতো, যাতে অমিত বাসায় রাত কাটানোর অনন্যা স্বস্তিবোধ করতে পারে কিন্তু তার চিন্তাধারা ছিলো অনেক সময়ই বিপরীতমুখী।

:

অনন্যা তার ডেলিভারির জন্য কলেজ থেকে মাত্র
দুই মাসের ছুটি পেয়েছিলো। নামিরার তিন মাস বয়সের সময় অনন্যাকে কলেজে জয়েন করতে হলো। তার কলেজের চাকুরীটা ছিলো ছিলো নব্বই ভাগ সরকারী। তাছাড়া তার ক্লাসের সময়টা ছিলো মাত্র
দেড় থেকে দুই ঘন্টা। তারপর ও অনন্যার মনটা সারাক্ষণ নামিরার কাছেই পড়ে থাকতো। তার চাকুরীতে জয়েন করার পর শ্বশুর বাড়ির কেউ কেউ নমিরাকে অনন্যার অনুপস্থিতিতে খাওয়ানোর দায়িত্ব নিতে চাইলো। অনন্যা সরল মনে রাজি হয়ে গেলো। নামিরার চার মাস বয়সের সময়, একদিন কলেজ থেকে এসে নামিরার খাবারে এমন একটা জিনিস দেখতে পেলো, যা দেখে সে তার শ্বশুর বাড়ির কারো প্রতি নির্ভর করতে ভয় পেয়ে গেলো। কারন চার মাসের বাচ্চার দুধ যে পাত্রে রাখা হয়েছিলো সে পাত্রে মুরগির হাড্ডি পাওয়া গেলো । কি করে এই হাড্ডি চার মাসের বাচ্চার খাবারে আসলো, অনন্যা যেনো নিজের চোখকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলো না।

:

একদিকে তার স্বামী অমিতের হঠাৎ হঠাৎ পাগলামি
অন্যদিকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকদের উপর ভরসা
করতে না পারা, অনন্যার মনকে অনেক পীড়া দিতে লাগলো। তারপর ও শত কষ্টের মাঝে অনন্যা তার সন্তানকে নিয়ে সুন্দর সুখস্বপ্ন আঁকতে লাগলো ।

অমিত যখন নামিরার সাথে অনেক সুন্দর সময় কাটায়,তখন অনন্যার মনটা খুশিতে ভরে উঠে। কারন অমিত কন্যাসন্তান পছন্দ করতো না বলে অনন্যার
মনে একটা ভয় কাজ করতো যে সে তাদের কন্যাসন্তানকে ভালোবাসবে কি-না?? কিন্তু নামিরার মন কাড়া হাসি, তার বাবা অমিতের মনটা ঠিকই জয় করে নিয়েছে। অমিত অনন্যার প্রতি শত অবহেলা করলে ও তাদের মেয়ে নমিরার ক্ষেত্রে কখনো কোনরূপ অবহেলা করলে তা অনন্যার পক্ষে সহ্য করা
ছিলো কঠিন ব্যাপার।

:
অনন্যা সব সময় চেষ্টা করে অমিতের মন জয় করে চলার কিন্তু সে কিছুতেই তার মন জয় করতে পারে না।
অমিতের ব্যবহারে সব সময় অবহেলা মেশানো থাকে। এজন্য অনন্যা ভাবতে লাগলো, আমাদের সমাজে
এমন কিছু পুরুষ আছে যারা সব সময় ভাবে, **বউটা যেহেতু তার,তাই বউয়ের সব কিছুতেই সব রকম অধিকার আছে তার , সেখানে ভালোবাসা দিয়ে জয় করার কোন প্রয়োজন নেই, স্ত্রীর প্রতি শত অবহেলা করলেও তার স্ত্রীর ভালোবাসাটা শুধুমাত্র সেই পুরুষটির জন্য নির্ধারিত থাকবে। অনন্যা চেয়েছিলো তার স্বামী তাকে ভালোবাসা দিয়ে জয় করুক। কিন্তু সে দেখলো, অমিতের কাছে সে রকম আশা করাটা বৃথা। তাই অমিতের শত অবহেলা, অনাদর সত্ত্বে ও তার মেয়ে নামিরাকে নিয়ে খুব সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে হবে বলে সে মনে মনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়।

অনন্যা, বিয়ের দু’বছরের মধ্যেই অমিতের পুরো চরিত্রটি বুঝে গিয়েছিলো। অমিতের বাবার এতো বড় ব্যবসা, কিন্তু এ ব্যবসাতে তার সে রকম কোন মন নেই।সে জীবনটাকে খুব উপভোগে বিশ্বাসী। অনন্যা অমিতের ব্যাপারে যে-রকম ধারণা করেছে,
অনন্যার শাশুড়ি ও এ কথাগুলি অমিতের ব্যাপারে তাকে জানিয়েছে বলে অনন্যাও স্পষ্ট বুঝে গেলো ,
অমিতের স্বভাবটা বদলানো তার পক্ষে কঠিন ব্যাপার।

:

নামিরার জন্মের পর, অমিতের কাছে তার স্ত্রী-সন্তানের কোনো প্রয়োজন আছে বলে অনন্যার কখনো মনে হয়নি। কারণ অমিত কখনো অনন্যার বুদ্ধি,পরামর্শ গ্রহণ করতো না।
:

অমিতের অনেক বুদ্ধিমান বন্ধু ছিলো, যারা সব সময়
অমিতকে অনন্যার বিষয়ে বুঝাতো যে ,অনন্যার মতো এতো ভদ্র পরিবারের সহজ, সরল বুদ্ধিমতি একটা
মেয়েকে অমিত পেয়েছে, সেটা অমিতের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু অমিতের এ বিষয়টি বোঝার ক্ষমতা একেবারেই ছিলো না। কারণ সে কখনো নিজের বুদ্ধিতে চলতে পারতো না। চলতো সব সময় তার সেই তোষামোদকারী দুই/একজন বন্ধুর পরামর্শে।
আর তারা কখনো চাইতো না, অনন্যা আর অমিতের সংসারটা সুখের হোক। কারন সুখের হলেই, ঐ তোষামোদকারীরা অমিতের কাছ থেকে,তাদের সুযোগ সুবিধাগুলি থেকে বঞ্চিত হবে। তাই তারা সব সময় চাইতো কিভাবে অনন্যার দোষ ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে অমিতকে, অনন্যার বিরুদ্ধে লাগিয়ে রাখা যায়।
তাই অনন্যা যেনো কিছুতেই অমিতের তোষামোদকারী
বন্ধুদের ডিঙিয়ে অমিতের কাছে পৌঁছাতে পারতো না।

:

নমিরার যখন দেড় বছর বয়স তখন অমিত একবার
তার পরিবার, আর তার কয়েকজন বন্ধুর পরিবারের
জন্য কক্সবাজার যাওয়ার সমস্ত বন্দোবস্তো করে ফেললো। যেদিন তারা কক্সবাজার রওয়ানা হবে,তার আগের দিন নামিরার চোখে প্রচন্ড ইনফেকশন দেখা দিলো। তাই অনন্যা তাদের বাচ্চার এই অবস্থায় কক্সবাজার যেতে একেবারেই রাজি ছিলো না। সে কারণে অমিত, অনন্যা আর নামিরাকে ফেলেই কক্সবাজার চলে গেলো।

অনন্যা ভাবলো, অমিতের যদি সদিচ্ছা থাকতো তাহলে তার কন্যা নামিরার চিকিৎসা করে, পরে তারা একসাথে কক্সবাজার বেড়াতে যেতে পারতো। কিন্তু অমিত বিন্দুমাত্র ও তার প্রয়োজন বোধ করেনি।অমিতের সাথে যারা ট্যুরে গিয়েছিলো,অনন্যা তাদের মুখ থেকেই পরে শুনেছিলো,কক্সবাজারের সেই ট্যুরটিতে অমিতের সীমাহীন আনন্দের কথা। অনন্যা ভাবতে লাগলো, নামিরার জন্মের আগে অমিত তাকে অবহেলা করলে ও কখনো একা ফেলে কোথাও যায়নি। সব সময় তাকে সাথে নিয়ে যেতো। কিন্তু এখন কেনো তাকে আর নামিরাকে এতোটা অবহেলা করছে? অনন্যা তার নিজের প্রতি অমিতের অবহেলাটা মেনে নিয়েছে কিন্তু নামিরার প্রতি তার বাবা অমিতের অবহেলাটা কিছুতেই মেনে নিতে পরছে না।

:

অনন্যা খুব বুঝতে পেরেছিলো,তার বিবাহিত জীবনটা
একটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। এখানে তাকে লড়াই করে
টিকে থাকতে হবে। এই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সে কিছুতেই পিছপা হতে পারবে না। তাই অনন্যা অমিতের শত অবহেলা,অনাদরকে পদদলিত করে সামনে এগিয়ে যেতে মনঃস্থির করলো। কারণ অমিতের এই নির্মম আচরণ সে ধরে রাখলে, তাকে মানসিক রোগী হতে হবে। অনন্যা নিজেই নিজেকে বলতে লাগলোঃ

তোমার ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ে নিভৃতে ঝরে ব্যথার ঝরনা,

তুমি সর্বকালে, সর্বযুগে কখনো হয়েছ মহীয়সী, কখনো
অনন্যা,

তোমার ন্যায়নিষ্ঠায়, তুমি প্রজ্জ্বলিত করো,

তোমার হাতেই সজ্জিত সন্ধ্যাবাতি–

তোমার উজ্জ্বল মহিমায় তুমি হও মহিয়ান সগর্বে,

সবাই তোমায় দেবে পুষ্পবাতি।।

:

নামিরা, অনন্যার জীবনকে কানায় কানায় ভরে দিয়েছিলো। নামিরা, ধ্রুবতারার মতোই তার জীবনকে আলোকিত করে রেখেছে। নামিরার বয়স যখন দুই
বৎসর,তখন অনন্যা মাঝে মাঝে নামিরাকে নিয়ে তার কলেজে যায়। নামিরাকে কলেজের এক আয়ার কাছে
রেখে , অনন্যা তার ক্লাসগুলি সেরে নেয়। অনন্যা আস্তে আস্তে নামিরাকে ইংরেজি, বাংলা বর্নমালা,অংকের সংখ্যাগুলি , অনেক ছড়া, কবিতা এগুলি শিখাতে লাগলো। তিন বৎসর হতে না হতেই নামিরা অনেক কিছু শিখে ফেললো। অনন্যা নামিরাকে যা বলে, নামিরা সবকিছু সেভাবেই খুব সহজে শিখে ফেলে,এতে করে অনন্যার আনন্দ যেনো আর ধরে না।

তিন বৎসর হতে না হতেই নামিরাকে তার কলেজের কাছে একটা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করে দেয় অনন্যা। এতো ছোট বাচ্চাকে কেনো স্কুলে ভর্তি করিয়েছে, এতে করে তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা প্রচন্ড আপত্তি করলে ও অনন্যা ছিলো তার সিদ্ধান্তে অটল। নামিরা অনেক অল্প সময়ে বাংলা, ইংরেজি শব্দ,অংকের নাম্বার অনেক কিছু রপ্ত করে ফেললো, যা তার মতো এতো ছোট বাচ্চার জন্য ছিলো অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু নামিরাকে কোনো কিছু শেখাতে অনন্যার কোনো বেগ পেতে হলোনা।

একদিন হঠাৎ করেই অমিত,অনন্যাকে বললো, তারা যেখানে থাকে সেখানে কোনো ভালো স্কুল নেই আর তাদের বাসার পরিবেশটাও ভালো নয়। তাই সে তার বাচ্চা ঢাকায় রেখে পড়ালেখা করাতে আগ্রহী। আর সে কারনে হয়তো অনন্যাকে তার কলেজের এতো ভালো চাকরিটা ছেড়ে ঢাকায় চলে যেতে হবে।কিন্তু অনন্যা তার কলেজ থেকে জানতে পেরে ছিলো, আর বছর খানেক পরে তার কলেজটা একশত ভাগ সরকারি হয়ে যাবে তাই ঢাকায় তাদের যাওয়ার বিষয়টা নিয়ে কখনো সেভাবে চিন্তা করেনি। আর কিছুদিন পর তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হবে, এসময় সে কি করে অমিতকে ছাড়া ঢাকা যাবে?? অমিতের ব্যবসা ছেড়েই বা সে কিভাবে ঢাকা থাকবে ?? তাই অনন্যা, এ কথাটি তার মন থেকে একেবারেই বাদ দিয়ে ফেললো।

তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের দুই মাস পর অনন্যা তার কলেজে আবার জয়েন করলো। জয়েন করার পর থেকেই অমিত অনন্যাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেবার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে লাগলো। অনন্যা, অমিতকে বললো তার দুটি ছোটো ছোট বাচ্চা নিয়ে ঐ মুহূর্তে অমিতকে ছাড়া, তাদের একা, এভাবে থাকা সম্ভব নয়। অনন্যা তাকে বোঝালো, সম্ভব হলে এখানে আশেপাশে কোনো ভাড়া বাসায় তারা থাকবে। কারণ অমিত ময়মনসিংহের ব্যবসা ফেলে ঢাকায় গিয়ে থাকতে পারবে না। অনন্যার শাশুড়িও এতো ছোট দুটি বাচ্চাকে নিয়ে, অনন্যাকে ঢাকায় অমিতের পাঠিয়ে দেয়াকে একেবারেই সমর্থন করেনি। কিন্তু অমিত সবকিছুকে উপেক্ষা করে ,, অনেকটা জোর করেই, তার ছোট কন্যাসন্তানের জন্মের ছয়মাস পর, ঢাকায় অনন্যাদের থাকার কোনরুপ ব্যবস্থা না করেই অনন্যার বাবার বাসায় অনন্যা আর তার দু’টি কন্যা সন্তানকে পাঠিয়ে দিলো।

অমিতের যুক্তি হলো,তার দুটি কন্যা সন্তানকে লেখাপড়া করিয়ে মানুষ করার দায়িত্ব অনন্যার একার। তার যখন সময় সুযোগ হবে, তখন সে তার দুই
বাচ্চাসহ অনন্যাকে দেখতে যাবে আর অমিত, তাদের শহরে থেকে তার বাপ দাদার ব্যবসাটা চালাবে।
:

অমিতের খুব ইচ্ছে ছিলো ঢাকার যে এলাকায় কম খরচে জীবন যাত্রা নির্বাহ করা যায়, সে এলাকায় যেনো অনন্যা তার দুই সন্তান কে নিয়ে বাস করে।
অথচ যেখানে তাদের কোন আত্মীয় পরিজন নেই।অমিত নিজেও যেখানে থাকতে পারবে না,সেখানে অনন্যা কিভাবে থাকবে?? অনন্যা ভাবতে লাগলো, অমিতের এই টাকাপয়সা, তাহলে কার পিছনে সে ব্যয় করতে চায়? এই নিষ্ঠুরতা অনন্যার হৃদয়কে কাচের মতো ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিলো। অনন্যার জায়গায় অন্য যে-কোন মেয়ের পক্ষে এই কঠিন সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নেয়া সম্ভব ছিলো না । কিন্তু অনন্যা ছিলো অতিমাত্রায় ধৈর্য্যশীল। যে কারণে অমিত তাকে এতোটা কঠিন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পেরেছিলো। তারপর অনন্যা নিরুপায় হয়ে তার দু’টি সন্তানকে নিয়ে ঢাকায়, তার বাবার বাসায় এসে উঠলো।

চলবে……………

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here