আশিকী❤ #Madness_Of_Love,11,12

❤#আশিকী❤
#Madness_Of_Love,11,12
#Writer_Sanjana_Fahmida_Shabnam
#Part_11

আমাল সানার বাড়ির বাইরে কিছুটা দূরে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আমালঃ তোমার নীড়ের ঠিকানা পেয়ে গিয়েছে লাভ। now get ready to see my #Madness_Of_Love.

কথা গুলো মনে মনে বলে আমাল গাড়ি ঘুরিয়ে নেয় কলেজের উদ্দেশ্যে।

সানাহদের বাড়িতে,,

রাহেলাঃ এডমিশন হয়েছে গিয়েছে সানু??

সানাহ বসতে বসতে বলল,,,

সানাহঃ হ্যাঁ আম্মু হয়ে গিয়েছে।

রাহেলাঃ তাহলে আজকে মুড অফ কেন তোর। আর সাইকেলের এই অবস্থা কি করে হলো?

সানাহঃ You know what আম্মি আজকে কি হয়েছে !!

রাহেলাঃ না বললে জানবো কি করে,,, ( সানার পাশে বসে)

সানাহঃ আজকে একটা অন্ধ ড্রাইভার আমার সাইকেলের এক্সিডেন্ট করেছে। একটুর জন্য আমার বেচারী ব্লু হুইল বেঁচে গেছে।(বাচ্চা ভাব নিয়ে) আর স্যরি বলার বদলে আমার সাথে বেয়াদবি করছিল ভাবা যায় এগুলা। আমার ব্লু হুইল এর নাম শুনে ছ্যাবলা দের মতো হাসছিল রিডিউকিলাস। ইচ্ছে করছিল ওকে ধরে নাকানি চুবানি দিতে।

রাহেলাঃ ছেলেটা এত্তো কিছু করলো আর তুই কিছুই বলিস নি?

সানাহঃ নাহ আমি কিছুই বলিনি আজকে।

রাহেলাঃ ছেলেটা তোর সাইকেলের এক্সিডেন্ট করেছে তোর সাথে বেয়াদবি করেছে আর তুই তাকে ছেড়ে গিয়েছিস,,, ভাবতেই অবাক লাগছে।

সানাহঃ তোমার জন্য কিছু করতে পারি নি। তোমার ম্যাসেজ এসেছিল তারাতারি আসার জন্য তাই ওকে ওয়ার্নিং দিয়ে চলে এসেছি।

রাহেলাঃ বেচারা হয়তো এই দোয়াই করছে যেন তোর সাথে আর কখনো দেখা না হয়। 😂

সানাহঃ আম্মুউউউউউ,,,, ( গাল ফুলিয়ে উঠে গেল সানাহ)

রাতে,,,,

আমাল মানুষ দিয়ে সানার সম্পর্কে সব ডিটেইলস বের করেছে। সানার জন্ম তারিখ থেকে শুরু করে ওর ইন্সটা ও ফেসবুক আইডি পর্যন্ত সব 😑

আমাল বারান্দায় রকিং চেয়ারে বসে নিখুঁত ভাবে ডিটেইলস গুলো চেক করছে আর মুচকি মুচকি হাসছে।

আমালঃ ওয়াও…. আমি ভাবতেও পারিনি এতো সহজে তোমার কাছে যাওয়ার রাস্তা পেয়ে যাবো।
ভেবেছিলাম অনেক কাঠ খোড়া পোরাতে হবে বাট এখন দেখছি আল্লাহ নিজেই তোমাকে আমার এতো কাছে এনে দিয়েছে।

এটাকেই বলে,, [ যাভ কিসি চিজ কো পুরি শিদ্দাত সে চাহো তো পুরি কায়েনাত উসে তুমসে মিলানে কি কোশিষ মে লাগ জাতি হ্যায় 😎 SRK dialogue ]

আমাল ফোন বের করে সানার ছবি বের করে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

আমালঃ এক দেখায় কাউকে এতো ভালোবেসে ফেলা যায় জানা ছিল না আমার। কিন্তু তোমার মাঝে কিছু একটা স্পেশাল আছে যেটা আমাকে তোমার প্রতি এতো দুর্বল করে দিচ্ছে।অনেক বেশী ভালোবেসে ফেলেছি তোমায় সান।

কিন্তু আমার ভালোবাসা তোমার জন্য শুধু ভালোবাসা না this is the #Madness_Of_My_Love। এই ভালোবাসার জন্য যে কোন সীমা অতিক্রম করতে পারি আমি। কাউকে আমাদের মাঝে সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই সানাহ। প্লিজ কখনো এমন কিছু করোনা যেন আমার এই পাগলামো ভালোবাসা তোমার উপর উল্টো প্রভাব ফেলে।

কথা গুলো বলে আমাল সানার ছবিটা বুকে জড়িয়ে নেয়।

আমালঃ waiting for tomorrow…. কালকে তোমার লাইফে আমাল নামক আশিক ল্যান্ড করতে যাচ্ছে লাভ,,,,

In Morning…..

আজকে ইউনিভার্সিটি তে সানার প্রথম দিন। স্কাই কালার স্কার্ট আর হোয়াইট কালার গার্লস শার্ট পরেছে সানাহ। চুল গুলো একটু পাম্প করে ছেড়ে দিয়েছে পিঠে। স্কিনে কোন মেকআপ ইউস করে নি ও ন্যাচারাল ভাবে তৈরি হয়ে হালকা পিঙ্ক কালারের লিপস্টিক লাগিয়ে নিজেকে তৈরি করে নিল ও।

সময় কম কাধে ব্যাগ ঝুলিয়ে দৌড়ে বেড়িয়ে গেল রুম থেকে সানাহ।

সানাহঃ আম্মুউউউউউ আমি যাচ্ছি বাইইই,,,

রাহেলাঃ যাচ্ছি না আসছি সানু কতবার বলবো।

সানাহঃ স্যরি স্যরি আসছি,,,

In College…..

রিকশা থেকে নেমে কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সানাহ। ভয় করছে একটু হার্ট কাঁপছে।

সানাহঃ ভয়ের কিছু নেই সানাহ,,, u r a brave girl everything will be fine….

সানাহ ধীর পায়ে ভিতরে প্রবেশ করলো। কলেজটা বাইরে দিয়ে তত একটা বুঝা যায় না কিন্তু ভেতর দিয়ে অনেক সুন্দর আর পরিপাটি। তিন সাইড দিয়ে রাস্তা এবং তাদের সাঁড়ি বেধে গাছ লাগানো।

এক সাইডে বাস্কেটবল গ্রাউন্ড সেখানে ছেলেরা বাস্কেটবল খেলছে। আরেক সাইডে গাড়ির পার্কিং।

চারোদিকে মানুষ। অনেকে কর্নারে বসে ব‌ই পরছে। অনেকে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। সানাহ মুগ্ধ হয়ে চারপাশ দেখছে।

সানাহ চারপাশে দেখতে এতোই ব্যস্ত যে ওর খেয়াল‌ই নেই কেউ গভীর দৃষ্টিতে ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। চোখ দুটো তে অজস্র ভালোবাসা লুকিয়ে আছে সানার জন্য।

হঠাৎ সানাহ একটা ইটের কোনায় হোঁচট খেয়ে পরে যেতে। চোখ খিঁচে বন্ধ করে ফেলে ও। সানাহ অনুভব করছে কেউ ওকে জড়িয়ে ধরে আছে। কারো মাতাল করা গায়ের ঘ্রান নাকে বারি খাচ্ছে সানার। কারো নিঃশ্বাস সানার চেহারায় আছরে পরছে।

সানাহ পিটপিট করে চোখ খুলে যাকে দেখলো তাকে এই মুহুর্তে ও মোটেও এখানে আশা করে নি।

আমাল ক্যান্ডি স্মাইল দিয়ে তাকিয়ে আছে সানার দিকে। আমাল সানার অনেক কাছে। আমালের হার্টবিট শুনতে পাচ্চে সানাহ। অনেক জোরে বিট করছে আমালের হার্ট। আমালকে নিজের এতো কাছে দেখে সানার হার্ট বিট ও ফাস্ট হয়ে যাচ্ছে।

To be continued…..

❤#আশিকী❤
#Madness_Of_Love
#Writer_Sanjana_Fahmida_Shabnam
#Part_12

আমাল অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সানার দিকে। আর সানাহ‌ও যেন হারিয়ে যাচ্ছে আমালের দৃষ্টির গহীনে। আমালের এক হাত সানার কোমর জড়িয়ে আছে। হঠাৎ সানার ধ্যান ভেঙে যায় ও আশেপাশে তাকিয়ে দেখে সবাই ড্যাবড্যাব করে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে।

সানাহ আমালকে হালকা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। হঠাৎ ঘোরের মাঝে ধাক্কা লাগায় আমাল পিছিয়ে যায় তাও নিজেকে সামলে নেয়।

সানাহঃ হাও ডেয়ার টাচ মি,,,(রেগে)

আমালঃ এক্সকিউজ মি ম্যাম আমি আপনাকে না টাচ করলে এতক্ষনে আপনার কোমরে সোয়াহাহ হয়ে যেত।😏

সানাহঃ আসলেই তো,,, ( মনে মনে)

আমালঃ u should thanked me. কিন্তু থ্যাঙ্ক ইউ বলার বদলে আপনি আমাকে ধাক্কা দিচ্ছেন সাথে ঝাড়িও হাও রুড,,,,

সানাহ মনে মনে গিল্টি ফিল করছে বেচারা ওকে হেল্প করলো আর ও বেচারা কে ধাক্কা প্লাস ঝাড়ি শুনিয়ে দিল।

আমাল এখনো চোখ ছোট ছোট করে সানার দিকে তাকিয়ে আছে হয়তো স্যরি শোনার অপেক্ষায়। সানাহ আমতা আমতা করে স্যরি বলতে নিলেই হঠাৎ ওর খেয়াল হয় আমাল এখানে কি করে। আমাল নিশ্চয়ই ওকে ফলো করতে করতে কলেজ অবদি চলে এসেছে।

কথা গুলো ভাবতেই রাগ উঠে যাচ্ছে সানার।।সানাহ রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে আমালের দিকে তেড়ে গিয়ে বলে।

সানাহঃ ইউউউ,,, আমার পিছু পিছু কলেজ অবদি চলে এসেছো তুমি।😠 তুমি কি ভাবো আমি কিছু বুঝি না। তোমাদের মতো ছেলেদের চেনা আছে আমার। তুমি আসলেই এক নম্বরের BBN। সেজন্যই সেদিনের এতো অপমানের পরেও আমার পিছু পরে আছো।

আমালঃ what is BBN?? 😐😐

সানাহঃ বেশরম বেহায়া নির্লজ্জ তিনটে মিলে BBN। একদম তোমার জন্য পারফেক্টলি তৈরি। ( আমালের মুখের উপর বলল)

আমাল সানার কথায় হাসবে না রাগ করবে বুঝতে পারছে না। BBN এর ফুল ফর্ম শুনে হাসবে নাকি ওকে এতো বড় অপবাদ দিয়েছে তার জন্য রাগবে।

আমালঃ এক্সকিউজ মি এটা তোমার একার কলেজ না I’m also a student of this college 😎

আমালের কথায় সানাহ চুপ হয়ে গেল। সানাহকে চুপ করে থাকতে দেখে আমাল আবার বলতে শুরু করলো।

আমালঃ ইট্ট্স ওকেই মিস সানাহ। নিজেকে ব্লেম করার দরকার নেই একচুয়ালি “বারে বারে দেশো ম্যায় এসি ছোটি ছোটি বাতে হোতি রেহতি হ্যায়”।😉

সানাহঃ 😠😠😠😠

আমালকে একটা মেয়ের সাথে ঝগড়া করতে দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখছিল আবিদ। ব্যাপারটা বুঝার জন্য দ্রুত আমালের কাছে চলে আসে ও।

আবিদঃ কি হয়েছে আমাল?? তুই চিনিস এনাকে এভাবে ঝগড়া করছিস কেন?? ( আমালের দিকে তাকিয়ে)

আমালঃ আমি কোথায় ঝগড়া করছি এয়ার,,, তুই শুধু শুধু আমাকে ব্লেম করবি না। আমিতো মিস সানাহ কে পড়ে যাওয়া থেকে বাচিঁয়েছি।কিন্তু কোথায় ইনি আমাকে থ্যাংকস বলবে তা না ইনি গায়ে পড়ে আমার ঝগড়া করছেন😒। আমাকে ইনসাল্ট করছে আর BBN ও বলছে,,, ( মুখ ছোট করে)

আবিদঃ BBN 😐??

আমালঃ বেশরম বেহায়া নির্লজ্জ তিনটে মিলে একটা ফর্ম 😒

আবিদ কিছুক্ষন শক্ড হয়ে থেকে জোরে জোরে হেসে দেয়।

আবিদঃ OMG আমি এরকম শর্ট ফর্ম প্রথম বার শুনলাম। 🤣🤣🤣🤣🤣🤣 ইউ আর গ্ৰেট মিস…

সানাহঃ সানাহ,,,, 😒

আমালঃ 😡😡😡 তোকে আমি পরে দেখে নিব আবিদের বাচ্চা। হেসে নে যত ইচ্ছে। ( মনে মনে)

আবিদঃ ওকেই ওকেই এখন হাসা বাদ দিয়ে মেইন টপিকে আসি,,,, ( অনেক কষ্টে হাসি আটকে) আমি জানি না দোষ কার তাও আমার বন্ধুর তরফ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি। আ’ম স্যরি সানাহ। আমরা যেহেতু এক কলেজেই পরি ঝগড়া বাদ দিয়ে ফ্রেন্ড হয়ে থাকা যায় না??

সানাহঃ আপনার ফ্রেন্ড হ‌ওয়া যায় কিন্তু এনার না 😒( আমালের দিকে তাকিয়ে)। আমার ক্লাসের সময় হয়ে গেছে I have to go….

সানাহ আবিদকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চলে যায়।

সানাহ চলে যেতেই আবিদ আমালকে জিঙ্গেস করলো।

আবিদঃ এখন বল ব্যপারটা কি আর মেয়েটা কে ছিল,,,

আমালঃ তোর এই আশিক বন্ধুর #আশিকী।

আবিদঃ দ্যাট্স মিন এটাই সে মেয়ে 😱এখন আমাকে ভালোভাবে এক্সপ্লেইন করে বল কেমনে কি। কোথা থেকে খুঁজে বের করলি তোর জুলিয়েটকে।

আমাল সানার সাথে এক্সিডেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে একটু আগের সব ঘটনা খুলে বলল।

আবিদঃ যাই বলিস না কেন আমাল মেয়েটা পুরোই বারুদ 🤣🤣তোর লাইফটা পুরোই তেজপাতা হইয়া যাইবো দোস্ত 🤣🤣

In Class Room….

সানাহ ক্লাসে এসেই সবার সাথে ভালো ফ্রেন্ডশিপ করে ফেলেছে। সানাহ অনেক মিশুক তাই কারো সাথে মিশতে ওর বেশি সময় লাগে না।

সানাহ সেকেন্ড বেঞ্চে বসে আছে ওর পাশের সীটে একটা ছেলে বসা। সানাহ টুকটাক কথা বলছে ছেলেটার সাথে।

ক্লাসে টিচার ঢুকতেই সবাই দাঁড়িয়ে যায়। টিচার সবার সাথে পরিচয় হচ্ছেন যেহেতু আজকে প্রথম ক্লাস।

আমালঃ Can I come in….

সানাহ আর টিচার সহ সবাই দরজার দিকে তাকাতেই দেখে আমাল আর আবিদ দাঁড়িয়ে আছে।

টিচারঃ কাম ইন আমাল।

আমালঃ থ্যাংকস,,,

আমাল আর আবিদ ভিতরে প্রবেশ করে। আমাল সানার পাশের সিটের ছেলেটাকে চোখ রাঙিয়ে উঠে যেতে ইশারা করতেই ছেলেটি হন্তদন্ত করে উঠে একদম পেছনে চলে যায়। সানাহ ছেলেটির এভাবে উঠে চলে যাওয়াতে অনেক অবাক হয়। আমাল বাঁকা হেসে সানার পাশে বসে পরে। আবিদ অন্য সাইডে গিয়ে বসে পরে।

আমালঃ একটা কথা বলার ছিল সানাহ,,, ( আস্তে আস্তে)

সানাহ আড়চোখে আমালের দিকে তাকিয়ে বলল,,

সানাহঃ হোয়াট??

আমালঃ তুমি তখন ঠিক ধরেছিলে আমি তোমাকে ফলো করছি 🤣🤣

সানাহ রেগে আমালের দিকে তাকালো। দাঁত কটমট করতে করতে বললো ও।

সানাহঃ তুমি আসলেই,,,

আমালঃ BBN I know,,,, সানার আগে আমাল বলে ফেলল.🤣

এভাবে শুরু হয়েছে আমালের জালাতন। পুরো ক্লাস টাইম আমাল সানাহকে টিস করে রাগিয়েছে। এভাবে কেটে যায় অনেক দিন। আমালের জ্বালাতন কমার বদলে দিন দিন বেড়েই চলছে। সানাহ প্রচন্ড বিরক্ত হয় আমালের কথা গুলোতে তাও আমাল থেমে নেই। সানাহকে রাগানো যেন ওর ডেইলি রুটিন।

রাতে,,,

বিছানায় বসে ব‌ই পরছে সানাহ। কিন্তু কিছুতেই পড়ায় মন দিতে পারছে না ও। বারবার শুধু আমালের খেয়াল আসছে মনে। ও পাশে থাকলে অন্য রকম একটা অনুভূতি হয় সেটা আমালের সামনে প্রকাশ করে না ও। আমালের কথা মনে পরতেই আনমনে হেসে ফেলে সানাহ। আসলে আমালের পাগলামো গুলো সানার অনেক ভালো লাগে কিন্তু সেটা ও প্রকাশ করে না। আমালের সব কিছুতেই সানাহ ভালোলাগা খুঁজে পায়। আমালের স্মাইলটা সানার অনেক পছন্দ। কখনো আমালকে স্মাইল ছাড়া দেখে নি ও। আমালের ঠোঁটে অলওয়েজ স্মাইল থাকবেই। মাঝে মধ্যে সানাহ গভীর ভাবে চিন্তা করে এতো হাসি খুশি কেউ কিভাবে থাকতে পারে। এই হাসিটার প্রতিই গভীর ভাবে দূর্বল হয়ে পরছে সানাহ।

সানাহ আমালের কথা গুলো ভেবে ব্লাশিং হচ্ছে এমন সময় ফোন বেজে উঠে ওর।

সানাহঃ হ্যালো আসসালামু আলাইকুম (কল রিসিভ করে)

আমালঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম লাভ। কি করছো নিশ্চ‌ই আমার কথা মনে করছো আর আমাকে মিস করছো।

আমালের কন্ঠ শুনে হার্টবিট আবারো বেড়ে গেল ওর। আমালের মুখে লাভ শব্দটা সোজা হৃদয়ের গভীরে লাগে। অনেক বার আমালকে না করেছে সানাহ এসব নামে যেন ওকে না ডাকে। কিন্তু আমালতো আমাল‌ই।

সানাহকে চুপ করে থাকতে দেখে আমাল আবারো বলল।

আমালঃ বাহ আর সময় তো আমাকে রিন পাওয়ার হোয়াইট দিয়ে ধূয়ে ফেলো কিন্তু আজ এতো চুপচাপ ব্যপার টা কি।

সানাহঃ ক কই চুপ করে আছি আর তোমাকে বলেছিনা আমাকে কল করে ডিস্টার্ব করবে না। 😠সারাদিন কলেজে জ্বালাও তাও তোমার শান্তি হয় না রাতে কল করেও জ্বালাতন শুরু করো।

আমালঃ এটা ভালোবাসা শুরুর প্রথম ধাপ লাভ।

সানাহঃ তোমাকে ভালোবাসতে আমার বয়েই গেছে 😏

আমালঃ ভালো না বাসলে এতক্ষন আমার কথা ভাবছিলে কেন??

সানাহঃ ক ক‌ই তোমার কথা ভাবছি। এসব ফালতু কথা পাও কোথা থেকে ( হচকিয়ে গিয়ে)

আমালঃ আমি সব‌ই বুঝি সানাহ। সো ডোন্ট ট্রাই টু সে লাই,,

সানাহঃ ব্যাঙ বুঝো,,, 😠

সানাহ ফোন কেটে বালিশের নিচে গুঁজে রাখলো।

আমালঃ উফফফ কবে যে আমার লাভ স্টোরি শুরু হবে কে জানে 😪

To be continued….

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here