আমার_অপ্রিয়_আমি,পর্বঃ৬ক

আমার_অপ্রিয়_আমি,পর্বঃ৬ক
রিলেশন_সিরিজ
Ipshita_Shikdar (samia)


কাব্যর কথার পরিপ্রেক্ষিতে আমি কিছু বলবো তার আগেই সে বিছানা থেকে উঠে গটগট করে ঘর থেকে বের হয়ে গেলো। আমি তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে আছি। কি এমন হয়েছে কাব্যর সাথে বা তার কি এমন অতিত আছে যা জানলে আমায় হারাবে! আসলে কাব্যর অতিত সম্পর্কে জানতে কখনো কৌতুহলই হয়নি আমার, তাই জানাও হয়নি। কারণ আমি সর্বদাই বর্তমান ও ভবিষ্যতে বিশ্বাসী, অতিতে নয়। আমার কি নিজে থেকে খুঁজে বের করা উচিত? নাহ, সেটা আমার ভালোবাসা ও বিশ্বাসের অমর্যাদা হবে। আমার বিশ্বাস আমি ভুল মানুষকে ভালোবাসিনি। নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে আর কারণটা না জানলেও কিছুটা অনুমান করতে পারছি এখন। তাই সামনে সব সেভাবেই করবো। এগুলো ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখ জোড়ায় ঘুম এসে ভর করেছে জানিও না।

এদিকে কাব্য বেডরুম থেকে বের হয়ে ছাদে চলে গেলো। চিলেকোঠার ঘরের দরজার সামনে বসে পড়ে সে। এই স্থানটি তার অনেক প্রিয় তাই ছোটবেলা থেকে অতিরিক্ত খুশি হলে বা কষ্ট পেলে এখানে চলে আসে। সে দরজায় মাথা এলিয়ে দিয়ে আপনমনেই বলে উঠে,

— জীবনটা এমন কেনো? যখন অতিতের সবটা ভুলে নতুন করে সবটা গড়তে যাওয়া হয় তখনই অতিতগুলো সামনে এসে পড়ে বর্তমানকে নষ্ট করতে!

কথাটুকু বলেই এক দীর্ঘশ্বাস ফেললো। যেই দীর্ঘশ্বাসে বিদ্যমান ছিল কিছু না বলা বেদনাময় স্মৃতি, কিছু অজানা কষ্ট, কিছু আড়ালের দুঃখ। সে আবার আনমনেই বলতে লাগলো,

— যার ভালোবাসার স্পর্শ আমার প্রতিদিন মগ্ন থাকার কথা ছিলো, তার স্পর্শ তো পাচ্ছি তবে তাতে ভালোবাসার বিন্দুমাত্র নেই। যার উপর শুধু আমার অধিকার সে কিনা বলে তার উপর আমার অধিকার নেই। কেনো এমন হলো সবই তো ঠিক চলছিলো আমাদের মাঝে…

বলতেই চোখজোড়া টুপ করে একবিন্দু পানি পড়লো। তারপর ডুব দিলো অতিতের স্মৃতিপাতায়…

অতিত,

সেদিন ইপশি বাসায় যেয়ে তার আব্বু, আম্মু আর ভাইয়াদের ভার্সিটি বদলানোর কথা বললেও তারা রাজি হয়না এবং কারণ জানতে চায়। ইপশি কারণ হিসেবে কি বলবে বুঝতে না পেরে আমতাআমতা করতে থাকে। শেষমেশ রাজি করাতে না পেরে বাধ্য হয়ে সেই ভার্সিটি পড়বে বলেই ঠিক হয়। নিলাকে কল করলে সেও বলে চারটা বছর ওই কাব্যর সব কাহিনী সহ্য করে কাটিয়ে দিতে তারপর মাস্টার্স অন্য কোথাও করতে। তাই ইপশিও উপায়ন্তর না পেয়ে সেটাই করবে বলে ভেবে নেয়…

আজ সেই ঘটনার তিনদিন পর ইপশি গাড়িতে করে ভার্সিটিতে যাচ্ছে। অনেক অনুভূতির সংমিশ্রণে এক অদ্ভুত অনুভব হচ্ছে যার জন্য ইচ্ছে করছে সব ভার্সিটির পথ থেকেই ফিরে যেতে কিন্তু তাতো পারবে না। পরিবারের সকলের একটিই প্রশ্ন এতোদিন ধরে ভার্সিটিতে যাচ্ছে না কেনো যার উত্তর ইপশির কাছে নেই। তাই ইচ্ছে করছে না বলে কাটিয়ে আসছে। তবে আজ যদি বাসায় ফিরে যায় নির্ঘাত সবাই আসল কথাটাই জেনে ফেলবে। তাই যেতেই হচ্ছে। ইপশি পার্কিংলটে নামিয়ে ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে চলে যায়…

— আল্লাহ! ভার্সিটিতে তো যাচ্ছি কিন্তু সবাই ওইসব ঘটনার পর নিশ্চয়ই আগের মতো বা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। বরং সকলেই অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাবে আমার দিকে। আবার নিলাও তার আম্মুর অসুস্থতার জন্য আজ আসবে না বললো… আমি কি করে সব সামলাবো! লা ইলাহা ইল্লাহ আন্তা সুবহান দূরে রেখো আমার থেকে সব ধরনের তুফান!

কথাগুলো বিড়বিড় করে বলতে বলতেই ইপশি যেই না ভার্সিটির চৌকাঠটা পাড় করবে তখনই কেউ দৌড়ে এসে তার হাত ধরে টেনে এক ক্লাসরুমে নিয়ে যায়। ঘটনার আকষ্মিকতায় ইপশি থ হয়ে যায়। অন্যদিকে সামনে থাকা ব্যক্তিটি তাকে টেবিলের উপর বসিয়ে তার দিকে ঝুঁকে দাঁড়ায়। ইপশি মুখ তুলে সামনে উপরে তাকাতেই কাব্যকে দেখে। অবশ্য এতে সে একটুও অবাক না কারণ এই ধরনের কাজ যে তার সাথে শুধু কাব্য করতে পারে তা তার জানা হয়ে গিয়েছে।

— আপনি আমাকে এখানে কেনো নিয়ে আসলেন? আপনার কি কাজ নেই সারাদিন একেকজনের হাত টেনে ফাঁকা ক্লাসরুমে নিয়ে আসেন। যতসব ফাউল! ভাই তুই আমাকে ভালোবাসলেই কি হবে? আমি কি বাসি নাকি সেটাও তো বুঝতে হবে, তাই না? নাহ, পাগলের মতো শুরু কর…

এমনিতেই মেজাজ খারাপ তিনদিন পর ভার্সিটিতে এসেছে। এতোদিন কেনো আসছিলো না তা জানতে পেরে আমার অবস্থা পাগলপ্রায়। আর সে এখন আমাকে আজাইরা প্যাঁচাল শুনাচ্ছে। তাই রাগান্বিত গলায় বললাম,

— জাস্ট শাট আপ! একটাও ফালতু কথা বলবে না বলে দিলাম। এতোদিন ভার্সিটি কেনো আসোনি সেটা বলো? ডু ইউ হ্যাভ এনি আইডিয়া আমি কতটা টেন্স ছিলাম? কত দুর্ভাবনা মাথায় আসছিলো ডু ইউ নো। কখনো লাগছিলো তুমি এই ভার্সিটি ছেড়ে দিয়েছো তো কখনো মনে হচ্ছিলো তুমি সিক না তো! আই ওয়াজ জাস্ট গোইং ম্যাড! কি হলো কথা বলছো না কেনো!

আমার কথার উত্তরে ইপশু মিনমিনে গলায় বললো,

— বালাইষাট! আমি কি বলছি এতোকিছু ভাবতে নিজেই ভেবে বসে আছে এখন আমার দোষ। আসলেই যত দোষ নন্দ উপস্ ইপশির দোষ বাকি সবাই নির্দোষ। কিন্তু এই কথাগুলো তো ব্যাটারে সোজাসুজি বলা যাবে না তাহলে আমার সাথেই রাগ দেখাবে… হুহ! কোন ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছি যে, আল্লাহ একটা মই ফালাও পাঁচ ঘণ্টার জন্য উপরে উঠি এই বজ্জাতটা গেলে আবার নিচে নামবো।

ইপশুর কথাগুলো শুনে পেট ফেটে হাসি এলেও মুখে আগের গম্ভীরতা বজায় রেখে কিছু না শুনার ভাব করে বললাম,

— কি হলো এমন মিনমিন করে কি বললে? কিছুই তো শুনিনি আবার বলো তো প্লিজ।

— কোথায় আমি তো কিছু বলিনি। আমি তো বলছিলাম যে আজ কত গরম পড়েছে হিজাবের ভিতরে চুলগুলো ভিজে যাচ্ছে আর জামাও ভিজে গিয়েছে।

— একবার বললে কিছু বলোনি আবার বললে এটা বলছিলে। যাকগে এখন তো ফ্যানের নিচেই আছো তাহলে আমার প্রশ্নের উত্তর দাও! তিনদিন আসোনি কেনো?

আমার দিকে তীক্ষ্মদৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে উঠলো,

— আসবো কি করে ভার্সিটিতে, আসার অবস্থা রেখেছেন আপনি আমার জন্য? এগুলো করার আগে তো একবারও ভাবেননি কাজটার পরিণতি স্বরূপ মেয়েটাকে কতটুকু লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে! একবারও ভাবেননি ভার্সিটির সবার দৃষ্টিকোণ কতটা অস্বাভাবিক হবে কিংবা বদলাবে! আপনি একজন ছেলে তাই দুতিনটা গার্লফ্রেন্ড পাললেও সবার কাছে তা দুধভাত আর আমি একজন মেয়ে হয়ে যদি কারো দ্বারা ইভ টিজিং এর স্বীকার হই তবুও সমাজের দৃষ্টিতে আমিই দোষী হবো। এভাবে যখন তখন আমার হাত ধরলে বা ফাঁকা ক্লাসরুমে নিয়ে আসলে মানুষ কতটা খারাপ ভাবে নিবে আমাকে তা আপনারও জানা। তাছাড়া বেগানা পুরুষ আপনি আমার জন্য জেনেশুনে কতটা পাপ লিখাচ্ছি বুঝতে পারছেন তো? আর আগামীকাল যা করলেন তারপর কি আমার এখানে আসা নিয়ে সংকোচিত হওয়া কি অযাচিত?

আমি তার কথায় মৃদু হেসে তার হাতটি নিজের হাতের মাঝে নিয়ে বললাম,

— আই নো অল দিস জানপাখি। বাট বিলিভ মি আমি সব প্ল্যান করে রেখেছি এন্ড এই যে রেজিস্ট্রেশন পেপার্স আইনমাফিক এখন বিয়ে করে রাখি পরে নাহয় ধর্মমতে আবার বিয়ে করবো। আর শোনো ভার্সিটি আমার তাই এখানে তোমায় নিয়ে দুর্ভাবনা পোষণ কিংবা কটূক্তি বলার সাহস কারো হবে না। তবে নিজেদের সন্তুষ্টি ও আল্লাহর রহমতের জন্য এটা জরুরি।

সে আমার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লো এমন একটা ভাব করে বলে উঠে,

— হোয়াট! ভাই সকাল সকাল কি এক্সপায়ার্ড গাঁজা খাইছিস নাকি যে উল্টাপাল্টা কথা বলোস! বিয়ে কি ছেলের হাতের মোয়া নাকি যে বললাম আর করে ফেললাম। আর বিয়ে কি আপনার একা হবে নাকি… আমারও তো মত লাগবে, তাই না? আর আমার মত নেই বিয়েতে কারণ আমি আপনাকে না পছন্দ করি না ভালোবাসি।

আমি তার কথাকে উপেক্ষা করে তার পাশে বসে তাকে কোলে তুলে নিলাম। ইচ্ছে করছিলো তার চুলে মুখ ডুবাতে কিন্তু সে রীতিমতো লাফালাফি করছে আমার কাছ থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য। যা দেখে আরেজদফা মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো।

— উফফফ ইপশু এমন ছুটাছুটি করলে কিন্তু কোলে তুলে আছাড় দিবো। দেখো তুমি আমাকে ভালো না বাসলেও অন্যকাউকেও তো বাসো না। তার মানে আমি চাইলে তোমার মনের কোণে নতুন অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারি যেহেতু সেখানে অন্য পুরুষের বসবাস নেই। তবে যদি আমি অপেক্ষায় বসে থাকি তোমাকে প্রেমে ফেলার দেখা যাবে অন্য শিকারির খাঁচায় আমার পাখি বন্দিনী। তাই আমার ভালোবাসা অন্যদের মতো স্বাধীন কিংবা স্বার্থহীন নয় বরং অত্যন্ত স্বার্থপর সে।

— ধুরর! আপনার সাথে কথা বলাই বেকার।

— কি আপনি তুই লাগায় দিয়েছো। তুমি বলে সম্বোধন করবে আমায়। আর শোনো হিজাবটা খুলো তো কারণ আমি খুললে তুমি ব্যথা পেতে পারো। পরে আমাকে বলো না।

— আজিব! হিজাব খুলবো কেনো আমি? গরম লাগছিলো বলেছি তা ঠিক কিন্তু খুলার হলে তো পড়ে আসতাম না।

— উফফ! এতো বেশি কথা বলছো কেনো? যেটা বলেছি সেটা করে। নাহ, দরকার নেই তোমার করার আমিই খুলে নিচ্ছি।

এটা বলেই তার হিজাব খুলে দিলাম। ক্লাচার দিয়ে আঁকাবাঁকা চুলগুলো আটকানো তবে কিছু বেবি হেয়ার সেখানে স্থান না পেয়ে কপাল ও ঘাড়ের কাছটাতে ঝুলছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে তাকে এভাবে দেখেই সারা বছর পাড় করে দেয়া যাবে। সত্যিই কি তাকে দেখতে মায়াবতী লাগছে? নাকি শুধু আমার চোখেই সৌন্দর্য ধরা পড়েছে? হুম, তাই হবে হয়তো। নাহ, আমার মায়াবতীর চুলগুলো দেখার অধিকার, ছোঁয়ার অধিকার, অনুভব করার অধিকার আজ থেকে শুধুই আমার। আর কাউকে তাকে দেখতে দিবো না। আমি সম্মোহিত ও নেশাগ্রস্ত প্রেমিকের ন্যায় তার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যে তাকে আরও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরেছি বলতে ও পারবো না।

— ঐ মিয়া! ঐ মিয়া! করেন কি? এমন করে ধরবেন না প্লিজ। আমার ভালো লাগছে না… ছেড়ে দিন না আপনি না অনেক ভালো মানুষ।

ইপশুর চেঁচামেচিতে আমার জ্ঞান হলো আমি কি করছি। তাই তাড়াতাড়ি তাকে কোল থেকে নামিয়ে বলে উঠলাম,

— সরি সোনা কখন যে তোমাতে এতোটা মগ্ন হয়েছি বুঝতেও পারিনি। বাট আই প্রমিস আজকের পর থেকে এমন কখনো হবে না যদি হয় তো তোমার যেকোনো শাস্তি আমি মাথা পেতে নিবো। আই লাভ ইউ এন্ড আই নিড ইউ বাট নট ইউর বডি। ইউ আর মাই প্যাশন বাট নট মাই সেটিসফেকশন অর এ্যাট্রাকশন। ইয়াহ আই লাইক ইউর আইস, ইউর লিপস, ইউর নোজ, ইউর হেয়ার বিকজ আই লাভ দ্যা হোল ইউ। আই লাভ ইউর এভ্রিথিং ইউর বডি, ইউর লাইকস, ইউর ডিজলাইকস, ইউর হ্যাভিটস এভেন ইউর ব্যাড হ্যাভিটস টু। ডু ইউ নো হোয়াই? বিকজ আই লাভ ইউ।
“কাউকে ভালোবাসলে তার সবটাকেই ভালোবাসি, ভালো লাগে, পছন্দ হয়। তা তার খারাপ গুণাবলি বা অভ্যাস হোক আর ভালো গুণাবলি বা অভ্যাস। হ্যাঁ, ভালোবাসার মানুষের নিন্দনীয় অভ্যাস বদলানোর কথা আমরা বলি। কিন্তু যখন সেগুলো বদলায় সবচাইতে বেশি কষ্ট আমরা পাই কারণ সেই অভ্যাসগুলোকেও আমরা ভালোবেসে ফেলি মনের অজান্তেই।”

কাব্যর কথাগুলো শুনে ইপশি অবাক ও ছলছল চোখে তার দিকে তাকায়। ইপশির সেই দৃষ্টির অর্থ হয়তো কাব্য বুঝতেই পারেনি কারণ সে তো তার দিকে না তাকিয়েই কথাটুকু বলে চলে গেলো। যা দেখে ইপশি মনে মনে বলে উঠে,

— সে তো এসব বলে চলে গেলো কিন্তু সে কি জ্ঞাত যে তার কথাগুলো বুকের বাঁপাশ কতটা ঝড় তুলে ফেলেছে! কতটা গ্রাসিত হচ্ছি আমি তার দেয়া অনুভূতিগুলোতে! এভাবেও যে কেউ কথা বলতে পারে তা তো জানতাম না। এতোটা বুকের মধ্যখানে তুফান কেউ উঠাতে পারে শুধুমাত্র কয়েকটি কথার দ্বারা! এতোটা কেনো অস্থির হচ্ছি তোমার এই ভালোবাসাযুক্ত এবং প্রেমানুভূতি মাখা কথা নিয়ে? তার মানে কি এই কথাটুকুই যথেষ্ট ছিলো তোমার জন্য, আমার মনের কোণে ঠাই পেতে! কিন্তু তোমাকে যে আমি ঠাই নয় সম্পূর্ণ হৃদয়টাই দিয়ে বসলাম।

সেদিন থেকেই ইপশি মেনে নিয়েছিলো কাব্যকে তবে তাকে জানতে দেয়নি। তার ইচ্ছে ছিলো কাব্য তাকে আরেকবার প্রপোজ করলে সে হ্যাঁ বলে দিবে। কথায় আছে বাচ্চা কান্না না করলে মাও দুধ দেয়না খেতে তাহলে কাব্য কি করে বুঝতে পারতো ইপশির না বলা কথাগুলো। তার কাছে মনে হতো তখনও সে ইপশির ভালোবাসা ও মনমঞ্জিলের বাইরে অবস্থান করছে। কিন্তু একদিন যা হলো তাতে সে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে গেলো রাণী এখন তার কবলে।

চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here