অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত-৫

অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত-৫
এ রহমান

মন খারাপের রাতগুলো দীর্ঘ হয়। এতো বছরে এই অভিজ্ঞতাটা পুরোপুরি ভাবে অর্জন করে ফেলেও যেন আজ মনে হচ্ছে নতুন করে অনুভূতি গুলো সজাগ হচ্ছে। এই নিস্তব্ধ রাতটা আরও ভয়াবহ রকমের নিস্তব্ধ হয়ে উঠছে। বুকের ভেতরের ক্ষতটা দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে আসছে কিছুক্ষন পর পর। ভীষণ এলোমেলো লাগছে নিজেকে। সেই কিশোরী বয়সের অবুঝ হৃদয় ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাওয়ার পর যেমন ক্ষত হয়েছিলো ঠিক তেমনই ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে আজও। নিজেকে পৃথিবীর সব থেকে অসহায় মানুষ হিসেবে আখ্যা দিতে ইচ্ছা হচ্ছে ঈশার। জানালার সাথে আটকে রাখা ছোট্ট টেডিটা বাতাসে দুলছে। এটা আজ ইভান তাকে দিয়েছিল। গাড়ি থেকে নামার মুহূর্তে ইভান এটা হাতে ধরিয়ে দেয়। ছোট্ট টেডিটা হাতের মুঠোয় আর বুক ভর্তি হাহাকার নিয়ে ফিরে আসে ঈশা। ঠাণ্ডা হাওয়া তার শরীরে কোন অনুভূতি তৈরি করতে পারছে না। অবহেলায় খুলে রাখা চূলগুলো হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সেদিকে কোন খেয়াল নেই তার। চোখ বেয়ে অনবরত পানি গড়িয়েই পড়ছে। কান্নার দাপটে মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে পুরো শরীর। মাথায় ঘুরঘুর করছে একটাই প্রশ্ন এই গভীর রাতে কি সেই মানুষটাও এভাবে তার কথা ভাবছে? নাকি বরাবরের মতো আজও তার এসব কষ্টতে ঐ মানুষটার কিছুই যায় আসেনা। গভীর রাতে রাস্তায় তেমন লোকজনের আনাগোনা চোখে পড়ছে না। মন খারাপটা আরও বেশী করে হানা দিতেই চোখের পানির বেগ বেড়ে গেলো। ডুকরে কেদে উঠলো। হঠাৎ করেই মানুষটার অনুপস্থিতি মৃত্যু সমতুল্য হয়ে উঠলো। দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হতেই জানালার কাছ থেকে ছুটে আসলো বিছানায়। ফোনটা তুলে নিয়ে নাম্বার বের করে সেদিকে তাকিয়ে থাকলো অনেকক্ষণ। চোখ বেয়ে অঝরে পানি পড়ছে আর মস্তিস্কের সাথে চলছে ভয়াবহ যুদ্ধ ফোন দেবে কিনা। অবশেষে সেই দোটানা থেকে নিজেকে বের করে ডায়াল করেই ফেললো। ইভান তখন ফাঁকা রাস্তায় তুমুল গতিতে গাড়ি চালাতেই মগ্ন। পকেটে ফোনটায় কম্পন অনুভুত হতেই কানের ব্লু টুথটা কানেক্ট করে ফেললো। বেশ সহজ স্বাভাবিক ভাবেই বলল
–হ্যালো!

ইভানের গুরু গম্ভীর আওয়াজ ঈশার হৃদপিণ্ডের গতি বাড়িয়ে দিলো। চোখের পানি মুছে ফেললেও মুখের কথাটা গলায় আটকে গেলো। অপরপাশ থেকে কোন আওয়াজ না আসায় অস্থিরভাবে কয়েকবার হ্যালো বলল ইভান। ঈশা কি করবে বুঝতে না পেরে ২০ সেকেন্ডের মাথায় ফোনটা কেটে দিলো। সস্তির নিশ্বাস ফেললো। কলটা কেটে যেতেই ইভান বেশ বিরক্ত হল। গাড়ি চালানর কারনে ফোনটা বের করে নাম্বার দেখার সুযোগ পায়নি। মন ভালো না থাকায় সেদিকে তেমন গুরুত্ব দিলো না। ঈশার ভয়টা কেটে যেতেই আবারো মন খারাপটা হানা দিলো। এবার নিজের মস্তিস্ক স্থির করে ফেললো। সবটা গুছিয়ে নিয়েই ঠাণ্ডা মাথায় কল দিলো। ইভান ওপাশ থেকে কল ধরে বিরক্তিকর কণ্ঠে দুই তিনবার হ্যালো বলতেই ঈশা কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল
–আস সালামু আলাইকুম।

কণ্ঠটা কানে আসতেই ইভান চমকে গেলো। স্টিয়ারিং এ থাকা হাতটা সামান্য বেকিয়ে ঘড়িটা দেখে নিলো। ২ টা বেজে ৩০ মিনিট। এই সময় ঈশার ফোন? গাড়ীটা রাস্তার পাশে সাইড করে ফেললো। পকেট থেকে ফোনটা বের করে নাম্বারটা দেখে সিওর হয়ে নিলো। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ঈশার মনে হল ইভান কথা বলবে না। তাই মন খারাপ হল তার। হতাশ শ্বাস ছাড়তেই ওপাশ থেকে এলো গুরু গম্ভীর কণ্ঠস্বর
–মাঝরাতে নাটক শুরু করছ?

সালামের জবাব না দিয়েই ভীষণ অসভ্যের মতো ধমকে উঠলো ইভান। মন খারাপটা মেজাজ খারাপে পরিণত হয়ে গেলো। ঈশাও প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ নিয়ে বলল
–আমি নাটক করছি না।

ইভান বিরক্ত হল। বলল
–এতো রাতে এভাবে কল দিয়ে বিরক্ত করাকে নাটক করাই বলে। তোমার মনে না হলে আমার কিছু করার নাই। আমাকে এভাবে বিরক্ত না করে ঘুমাও।

ঈশা কঠিন হয়ে উঠলো। গম্ভীর আওয়াজে বলল
–আপনার নাটক মনে হলেও আমার কিছুই করার নাই। আমি একশ বার কল দেবো। আপনি কি করবেন?

কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে ইভান বলল
–নাম্বার ব্লক করে দেবো তারপর যত ইচ্ছা কল দিতেই থাকো আমার আপত্তি নাই।

বলেই ফোনটা কেটে দিলো। রাগটা আচমকাই তরতর করে বেড়ে গেলো ইভানের। গাড়ির স্টিয়ারিং এ হাত দিয়ে ভীষণ জোরে আঘাত করলো। হাতে ব্যথা পেলেও সেটা এই মুহূর্তে গুরুত্ব পেলো না। এমন কথা শুনে ঈশার চোখ বড় বড় হয়ে গেলো। এই মুহূর্তে ইভান কে জব্দ করতে যে কোন উপায় অবলম্বন করতেও ভাববে না। তাই আবারো কল দিলো। গাড়ি স্টার্ট দেয়ার মুহূর্তেই আবার ফোন কেঁপে উঠলো। বিরক্তিকর একটা শব্দ করে ফোনটা আবারো ধরল ইভান। আবারো ধমকে উঠে বলল
–তুমি কি চাও আমি সত্যি সত্যি তোমার নাম্বারটা ব্লক করে দেই? এভাবে বিরক্ত করতে থাকলে তোমাকে সব কিছু থেকেই ব্লক করে দেবো। আমাকে আর কোনভাবেই খুঁজে পাবে না। আমি কিন্তু সিরিয়াস। কথাটা মাথায় রেখো।

দিশেহারা ঈশা কথার উত্তর খুঁজে পেলো না। কয়েক সেকেন্ড ভেবে দৃঢ় সরে বলল
–যদি এমন কিছু করেন তাহলে আমি কিন্তু আমার হাত কাটব।

কথাটা শুনেই ইভান চেচিয়ে বলে উঠলো
–হোয়াট? ডোন্ট ট্রাই টু বি সো স্মার্ট!

–এভাবে চেচামেচি করে কোন লাভ নাই। আমি কিন্তু সিরিয়াস। ছুরি হাতে নিয়েই বসে আছি। কথার সত্যতার প্রমান চাইলে নাম্বারটা ব্লক করেই দেখেন।

ইভান চোখ বন্ধ করে ফেললো। মাঝ রাতে আচ্ছা রকম মুসিবতে পড়ে গেলো। ঈশাকে হালকা ভাবে নেয়া ঠিক হবে না। এই মেয়ের পাগলামি সম্পর্কে ধারনা আছে ইভানের। জেদের বশে এমন কিছু করে ফেলতেও একবার ভাববে না। কণ্ঠস্বর একদম নামিয়ে নিয়ে বলল
–ঈশা এমন পাগলামি করো না।

ইভান বেশ জব্দ হয়েছে বুঝতে পেরেই ঈশা ঠোঁট চেপে হাসল। কিন্তু ইভান কে বুঝতে না দিয়েই কঠিন কণ্ঠে বলল
–আমি নাটক করি। পাগলামি করি। তাতে আপনার কি? আপনি আপনার কাজ করতে থাকেন। আমাকে আমার কাজ করতে দেন।

ইভান ভীষণ অসহায়ের মতো বলল
–ঠিক আছে। আমি এমন কিছুই করবো না। তুমিও এমন পাগলামি করবেনা। কেমন?

–আমি কেন আপনাকে বিশ্বাস করবো? আর এমনিতেও আমার ভীষণ মন খারাপ। তাই যা করতে ভালো লাগবে তাই করবো।

–কি করলে বিশ্বাস করবে বল? আমি তাই করবো। তবুও বিশ্বাস করো। আমি সত্যিই এমন কিছুই করবো না। প্রমিস!

ইভানের এমন অনুনয়ের কণ্ঠ শুনেই ঈশা সন্দিহান কণ্ঠে বলল
–সত্যি তো?

–সত্যি। তুমিও করবে না বল?

–করবো না।

–প্রমিস?

–প্রমিস।

ঈশা আবারো ঠোঁট চেপে হাসল। ফোনের এপাশ থেকে ইভান সেটা ধরতে পারলো না। ইভানকে আরও জালাতে ঈশা ভীষণ অসহায় কণ্ঠে বলে উঠলো
–কিন্তু আমার যে মন খারাপ। তার কি হবে?

ইভান কিছু একটা ভেবে বলল
–আমাকে ১০ মিনিট সময় দাও।

ঈশা কোন উত্তর দিলো না। মস্তিস্ক ভাবতে বসে গেলো ১০ মিনিটে কি এমন করবে যে ঈশার মন ভালো হয়ে যাবে? সেটাই দেখতে চায় সে। তার চুপ করে থাকা দেখেই ইভান কিছু একটা আন্দাজ করে অত্যন্ত অসহায়ের মতো বলল
–প্লিজ!

ঈশা মুচকি হেসে বলল
–ঠিক আছে।

সাথে সাথেই ফোনটা কেটে গেলো। ঈশা মুখে হাত দিয়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। উল্লাসে মেতে উঠলো সে। ইভানের মতো বুদ্ধিমান ছেলেকে বোকা বানানোর জন্য নিজের উপরেই ভীষণ গর্ব হচ্ছে। হাসি কিছুতেই থামছে না তার। এভাবেই কেটে গেলো ১০ মিনিট। কিন্তু ইভানের কোন খবর নেই। ঈশা এবার ভাবতে বসে গেলো। মাঝরাতে কি তাকে বোকা বানাল? নাকি কোন বিপদে পড়ে গেলো। অতিবাহিত হল আরও ৫ মিনিট। ১৫ মিনিটের মাথায় কল এলো ইভানের নাম্বার থেকে। ঈশা দ্রুত ফোন রিসিভ করেই বলে উঠলো
–আপনার ১০ মিনিট পার হয়ে গেছে অনেক আগেই। আরও এক্সট্রা ৫ মিনিট হয়ে গেলো। এর জন্য একটা শা…।

–নিচে নামো।

তার কথার মাঝেই ইভানের গম্ভীর আওয়াজ শুনেই থমকে গেলো ঈশা। কথাটা ধরতে পেরেই সত্যতা বুঝতেই দৌড়ে গেলো বারান্দায়। নিচের দিকে তাকাতেই চোখ কপালে উঠে গেলো তার। ঠিক মেইন গেটের সামনে গাড়িতে হেলানি দিয়ে কানে ফোন ধরে দাড়িয়ে আছে ইভান। দৃষ্টি ঈশার বারান্দায় স্থির। এবার রাস্তার ঐ পাশে গাড়ি দাঁড় করায় নি। ঈশা শুকনো ঢোক গিলে ফেললো। এখন নিজের গালেই চড় মারতে ইচ্ছা করছে। নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনল। কেউ যদি কোনভাবে জেগে যায় তাহলে ঠিক কি পরিস্থিতি দাঁড়াবে সেটা ভেবেই পেলো না। অস্থির কণ্ঠে বলল
–আপনি কেন এসেছেন? প্রতিদিন এভাবে নিচে যাওয়া অসম্ভব ব্যপার। কেউ দেখে ফেললে কি হবে বুঝতে পারছেন? কত বড় বিপদ আসবে সেটা ধারনা করাও সম্ভব না।

ঈশা থেমে যেতেই ইভান তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে ভীষণ সহজ স্বাভাবিক ভাবে বলল
–আমি আসবো?

ঈশা থমকাল। অসহায়ের মতো বলল
–প্লিজ না। আমি আসছি। একটু দাঁড়ান।

ফোন কেটে নিঃশব্দে দরজা খুলে বের হল। কিন্তু বুকের ভেতরে ঢিপঢিপ আওয়াজটা যেন নিজের কানেই শুনতে পাচ্ছে। এতো জোরে হার্ট বিট করার কারনে শরীরটাও বেশ দুর্বল লাগছে। মাথাটা ঘুরে গা ঘেমে আসছে। মেইন দরজা খুলে পা বাড়াতেই চোখে পড়লো কাঙ্ক্ষিত মানুষটা। ভীষণ শান্ত দৃষ্টি। গোছালো অনুভূতিতে চোখ জোড়া ভরপুর। ঈশা সেদিকে তাকিয়েই কয়েক কদম এগিয়ে এসে ল্যাম্পপোষ্টের নিচে দাঁড়ালো। অসহায়ের মতো তাকিয়ে বলল
–এভাবে রোজ রোজ মাঝরাতে বাইরে আসার ব্যাপারটা বাবা জানতে পারলে আমাকে মেরেই ফেলবে। ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।

ইভানের মাঝে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো না। এমন কি দৃষ্টিরও কোন পরিবর্তন হল না। ঈশা ভীষণ অসহায়বধ করলো। কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলল
–আপনি চুপ করে আছেন কেন?

এবার ইভান মুখ খুলল। দৃষ্টি স্থির রেখেই বলল
–ভাবতেছি থাপ্পড়টা কোন গালে মারব।

ঈশা ভড়কে গেলো। অসহায় দৃষ্টিতে ভয় ধরা দিলো। ইভান সেটা বুঝতে পেরেই মনে মনে হাসল। ঈশা ফ্যলফ্যাল করেই তাকিয়ে থাকলো। ইভান এগিয়ে এসে ঈশার সামনে দাঁড়ালো। পকেটে হাত গুঁজে শীতল কণ্ঠে বলল
–দূরত্বর আন্দাজটা ভুল ছিল। যার কারণ এই এক্সট্রা ৫ মিনিট! অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য সরি।

ঈশার কোমল দৃষ্টিতে তাকাল। ইভান তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে নিজেকে কিছুটা কঠিন করে নিয়েই বলল
–কাঁদছিলে কেন?

তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ঈশার কোমল দৃষ্টির উপরে ভারী হয়ে গেলো। চোখ নামিয়ে বলল
–মন খারাপ তাই।

–কেন মন খারাপ?

ঈশা এবার তাকাল। বাচ্চাসুলভ কণ্ঠে বলল
–আপনি খারাপ। ভীষণ খারাপ একটা মানুষ। সাথে অনেক অসভ্য।

দূরত্ব মিটিয়ে কাছাকাছি এসে দাঁড়ালো। শীতল কণ্ঠে বলল
–অসভ্য কেন? অসভ্য উপাধি পাওয়ার মতো এখনো কিছু করিনি তো। এই মুহূর্তে করতেও চাইছি না। তাই এখন বাসায় যাও। ঘুমাও। ভালো লাগবে।

ঈশার মনটা আবারো খারাপ হয়ে গেলো। তীব্র মন খারাপ নিয়ে মুখভার করে বলল
–আপনি না বললেও যাবো। এখানে আর থাকতে ইচ্ছা করছে না। অসহ্য লাগছে।

–কি অসহ্য লাগছে?

–আপনাকে। আপনি অসহ্য মানুষ।

ইভান সেই অমায়িক ভাবে হেসে উঠলো। ঈশা চোখ তুলে তাকাল। এই হাসিতেই আটকে গিয়েছিল তার কিশোরী বয়সের আবেগ। এতো বছর পরে সেই হাসি আবার নতুন করে তাকে এলোমেলো করে দিলো। এতো সুন্দর করে মানুষ হাসতে পারে? হয়তো পারে নাহলে কেন সে বারবার এই মানুষটার হাসির জালে ফেসে যাবে। এই মন খারাপের বিষাক্ত রাতটার সব থেকে বড় উপহারটা পেয়ে গেল সে। সমস্ত মন খারাপ অভিমান হাওয়ায় মিলিয়ে চোখ চকচক করে উঠলো খুশীতে। ইভান সবটাই বুঝে নিলো। ঈশার মন ভালো করতে পেরে নিজের মাঝে অদ্ভুত এক প্রশান্তি কাজ করছে। ঠোঁটে হাসি রেখেই আবেগি কণ্ঠে বলল
–এই মুহূর্তে নিজের অসভ্য উপাধিটার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে আমি মোটেও ইচ্ছুক না। তাই বলছি ভেতরে যাও। শুয়ে পড়ো। আজ রাতে ভীষণ ভালো ঘুম হবে। প্রমিস!

চলবে……

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here