ভালোবাসি_তোমাকে পর্বঃ৩য়_এবং_শেষ

ভালোবাসি_তোমাকে
পর্বঃ৩য়_এবং_শেষ
লেখাঃ Md_Sumon_Kobir

আমি প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গিয়ে এক অদ্ভুত লোককে দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম।লোকটার পরনে ছিলো,, লম্বা কালো কোট, চোখে কালো চশমা, মাথার চুল গুলোও অনেক লম্বা। তাকে পুরাই জোকের মতো লাগছে।সবথেকে অবাক করা বিষয় হলো এই অদ্ভুত লোকটা নাকি তিনটা কোম্পানির এমডি।অথচ তাকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে না।
প্রিন্সিপাল স্যার আমাকে বলে,,,,,,,,সুমন তুমি কাল যার কাছে চাকরির সন্ধানে গিয়েছিলে,ইনিই তার বাবা।তোমার চাকরির জন্য এসেছে।

আসলে এই মুহুর্তে আমার একটা চাকরি খুব দরকার।গ্রামে বাবা মা, ছোট ভাই বোন রয়েছে। এদিকে আমার পড়ালেখার খরচ চালানো আমার বাবার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

আমি একটা টিউশনি করাই, এতে কি আর জীবন চলে।তাই পার্ট-টাইম কাজ করার জন্য একটা ছোট খাটো চাকরি করতে চাচ্ছি।

আমি লোকটার সাথে কিছু সময় কথা বলে ক্লাস রুমে চলে এসেছি।লোকটার সাথে কথা বলে মনে হলো চাকরি কনর্ফম।আজ আর ক্লাস করা হলো না। আমি ক্লাস রুম থেকে বের হতে যাবো তখনি সাঈদ এসে আমার পা জড়িয়ে ধরে,আর বলতে থাকে,,,,,,,,,,ভাই আমাকে বাচান ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।ওরা আমাকে অনেক মেরেছে।আমাকে বাচান।
আমিঃ কে মারবে তোমাকে।আর কেন মারবে।
সাঈদঃ আফিয়ার জন্য।ওরা অনেক মারছে আমাকে আর আফিয়াকে আটকে রেখেছে।
আমিঃ ওরা কোথায়, আমাকে নিয়ে চলো।

আমি আর সাঈদ ওদের কাছে যেতে দুজন ছেলে সাঈদকে ধরতে আসে।আমি ওদের বাঁধা দিয়ে বলি,,,,,,,,,,আস্তে ব্রাদার। ও এখন আমার সাথে রয়েছে।ওকে নিয়ে যেতে চাইলেই তো আমি নিয়ে যেতে দেবো না।
ছেলেগুলোঃ আ’বে কে রে তুই।আমাদের কাজে বাঁধা দিস।
আমিঃ আমি কে এটা না জানলেও চলবে।এখন আফিয়াকে ছেড়ে দে।
ছেলেগুলোর একজন আমার কাছে এসেই আমার শার্টের কলার ধরে।আমি ওকে কিছু না বলে আস্তে করে হাতটা সরিয়ে দিয়ে বলি,,,,,,,,,যা করেছিস অনেক করেছিস।এখন ভালোই ভালোই কেটে পড়।তা না হলে কলেজ গেট পার হতে পারবি না।
ছেলেটাঃ কি করবি তুই।দেখে তো মনে হচ্ছে ভাজা মাছ উল্টে খেতে পারিস না।
আমিঃ হুম তুই ঠিকি বলেছিস।আমি ভাজা উল্টে খেতে জানিনা। আসলে আমি ভাজা মাছ উল্টে খায় না। কাটাসহ মুখের মধ্যে পুরে দেয়।
ছেলেটাঃ মানে।কে আপনি।
আমিঃ আমি কে এটা জেনে লাভ নেই।আফিয়াকে ছেড়ে দে আর এখান থেকে কেটে পড়।
ছেলেটাঃ এই সজিব এর কথাই তো সাইফ ভাইয়ের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।তোরা তাড়াতাড়ি কেটে পড় এখান থেকে।

এরপর ওরা চলে গেলো।আমি আফিয়ার কাছে গিয়ে বলি।আর কি পরিক্ষা নিতে চাও।আফিয়া মাথা নিচে করে আছে।আমি আবার বললাম,সবাইকে পরিক্ষা নিতে হয় না।দুনিয়ার সব মানুষ এক না।এমন অনেক মানুষ আছে যারা একটু খানি ভালোবাসা পাওয়ার জন্য দুনিয়াটা উলটপালট করে ফেলে। আবার এমন অনেক মানুষ আছে যারা প্রিয় মানুষটার দেওয়া কষ্টকে আপন করে নেই।নিরবে সব কষ্ট সহ্য করে।কিন্তু কখনো কাউকে বুঝতে দেয় না।আবার এমনও মানুষ আছে যারা ভালোবাসে শুধুমাত্র ভালো থাকার জন্য।তারা ভালোবাসা চাই না তারা চাই ভালো থাকতে।কারন তার কাছে ভালোবাসার মানুষটার থেকে ভালো রাখার মানষটার প্রয়োজন অনেক বেশি। অনেক কিছু বললাম এখন ডিসিশন তোমার।
আফিয়াঃ আপনার কথা আমি বুঝেছি এবং আপনার কথা গুলোকে আমি অনেক সম্মান করি।কিন্তু আজ আমি নিজের চোখে যেটা দেখলাম এমনকি আপনিও দেখেছেন।এখন আপনিই বলে আমি কিভাবে ওকে বিশ্বাস করবো।
আমিঃ হুম,কিন্তু তোমার দু-চোখের আড়ালে অনেক কিছু লুকিয়ে আছে।যার কিছুই তুমি জানো না। আজ সাঈদ যার সাথে কথা বলছিলো ওই মেয়েটা সাঈদের আপন বোন।আর তুমি তাকে যা না তাই বলে অপমান করেছো।
আফিয়াঃ কি বলছেন এসব। ওই মেয়েটা ওর বোন।
তাহিয়াঃ শুধু বোন না।আমি ওর বেস্টফ্রেন্ড।
আমিঃ তুমি এখানে।এখনো বাড়িতে যাও নাই।
তাহিয়াঃ বাড়িতে গেলে কি হবে। এই দুটোকে মিলিয়ে দিতে হবে না।
আফিয়াঃ I’m sorry, বোন।আসলে তখন আমার মাথা ঠিকছিলো না।তাই কি বলতে কি বলে ফেলেছি।
তাহিয়াঃ থাক আর সরি বলতে হবে না।এখন আমার সাথে চলো।
আমিঃ কোথাই নিয়ে যাবে ওকে।
তাহিয়াঃ মি. সুমন সেটা আপনার জানার বিষয় না।আমার সাথে যেতে চাইলে যেতে পারেন।

এরপর আমরা একসাথে কলেজ থেকে বেরিয়ে পড়লাম।গেটের কাছে এসেই দেখি সাঈদের বাবা দাঁড়িয়ে আছে।আমি কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করে নিলাম।তারপর সবাইকে গাড়িতে উঠতে বলে উনি ড্রাইভিং সিটে গিয়ে বসলেন।আমরা গাড়িতে উঠতেই আমাদেরকে নিয়ে ছুটতে থাকে অজানা গন্তব্যে। প্রায় ৪৫মিনিট পরে একটা কাজি অফিসের সামনে গাড়ি থামে।আমি মুহুর্তেই বুঝে গেছি কি হতে চলেছে।গাড়ি থেকে নেমে সাঈদ বলে,,,,,,,,,,,আমরা এখানে কেনো এসেছি।
সাঈদের বাবাঃ কাজ আছে। একটু পরেই জানতে পারবি কেনো এসেছি।
তাহিয়াঃ আব্বা আমি আফিয়া আপুকে নিয়ে যাচ্ছি।
সাঈদের বাবাঃ হ্যা যা।আর সুমন তুমি আর সাঈদ ফ্রেশ হয়ে আসো।
তাহিয়া আফিয়াকে নিয়ে চলে গেলো।আমি আর সাঈদ ফ্রেশ হতে গেলাম।
একটু পরে আমি সাঈদকে বর সাজিয়ে নিয়ে আসলাম। ওদিকে তাহিয়া আফিয়াকে বধু সাজে সাজিয়ে আনলো।
এখন সাঈদ আর আফিয়ার বিয়ের পালা।।।

কেউ মন খারাপ করেন না।বিয়েটা কাজি অফিসে হচ্ছে তাই দাওয়াত দেওয়া সম্ভব না।পরে এক সময় দাওয়াত দেবো।

বিয়ে শেষে,,,,,,

সাঈদঃ অবশেষে তাহলে তুমি আমারই হলে।তোমাকেই আপন করে পেলাম।
আফিয়াঃ ঠিক এই জন্যই তো সেদিন তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।
সাঈদঃ মানে।
আফিয়াঃ মানে,আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি।কিন্তু আমি কখনো চাই নি বিয়ের আগে আমাদের মাঝে কোনো সম্পর্ক তৈরি হোক।
সাঈদঃ হুম,আমিও তোমাকে বিয়ের আগে নয়, চেয়েছিলাম বিয়ের পরে ভালোবাসবো।কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করে রাখতে পারি না।
আফিয়াঃ এখন তো আমাকে পেয়েই গেছো। তাহলে এখন আমাকে সাথে নিয়ে জান্নাত পর্যন্ত যেতে পারবা তো।
সাঈদঃ হ্যা পারবো খুব পারবো। আমি তোমাকে শুধু দুনিয়ায় পেতে চাই না।আমি তোমাকে পরকালীন জীবনেও চাই।
আমিঃ এজন্যই তো আমি বলি মাঝে মাঝে একটু অপমান জনক কথা বলা ভালো।দুই জীবনেই আপন করে পাওয়া যায়।
সাঈদের বাবাঃ এবার খুশি তো তোরা।
সাঈদঃ হ্যা বাবা আমার আর কিছু লাগবে না। এই পাগলীটা হলেই হবে।
তাহিয়াঃ আব্বা ভাইয়াকে বলে দাও আমার ভালোবাসার ভাগ টা যেন ঠিক থাকে।
সাঈদঃ তোর ভালোবাসা কখন কম হবে না।তোর ভাগ তুই পাবি।
আফিয়াঃ আমি একটা কথা বলতে চাই।
সাঈদঃ এখনো আর কোনো কথা নয়। যা বলবা পরে বলবা।ঠিক আছে।
আফিয়াঃ আচ্ছা ঠিক আছে।পরেই বলবো।

এরপর আমরা সবাই চলে আসলাম।আমাকে আমার মেসের সামনে নামিয়ে দিয়ে সাঈদরা বাড়িতে চলে গেলো।আমি রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে একটা লম্বা ঘুম দিলাম।

ঘুম থেকে উঠে আব্দুল করীম চাচার দোকানে চা খেতে গেলাম।চা খেয়ে সন্ধার সময় টিউশনিতে চলে গেলাম।টিউশনিতে গিয়ে আমি তো অবাক। আসলে আমার খেয়ালই ছিলো না।আমার ছাত্রীর ভাইয়ের আজ বিয়ে হয়েছে।আজ ও পড়বে না।ভাবিকে নিয়েই যত ব্যস্ততা।

আমি চলে আসবো তখনই আফিয়া আমার হাত ধরে বলে,,,,,,,,,,,,,ভাইয়া আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।অনেক উপকার করেছেন আমাদের।

আমি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলাম।আমি সন্ধার পরে তাহিয়াকে পড়াই।জানি অনেকেই ধরতে পেরেছেন আবার অনেকেই ধরতে পারেন নাই।
আমাকে তাহিয়া কিছু মিষ্টি এনে দেয়।আমি মিষ্টি খেয়ে চলে আসলাম।
সাঈদ আফিয়া খুব খুশি দুজন দুজনকে পেয়ে।ওদের ভালোবাসা অটুট থাকুক। সবাই দোয়া করবেন।

একদিন দু-দিন,,এক মাস দু-মাস করে একটা বছর পার হয়ে গেলো। ওরা অনেক সুখে আছে। ওদের মাঝে কোনো ঝামেলা নেই।আজ সাঈদ আর আফিয়ার প্রথম বিবাহ বার্ষিকী।এই কারনে আজ কলেজে যেতে পারি নাই।সকাল থেকে সাঈদদের বাড়িতে রয়েছি।কারন এই শহরে আফিয়ার আপন বলতে কেউ নেই।তাছাড়া আফিয়া মা আমাকে নিজের ছেলের অধিকার দিয়েছেন।বড় ভাইয়ের দায়ীত্বটা আমাকেই পালন করতে হয়।

সন্ধার পর থেকে মেহেমান আসতে শুরু করেছে।রাত ৮টার সময় মুল আয়োজন। খুব ভালো লাগছে।

,,,,,,,,,,,,,,,,

যথা সময়ে অনুষ্ঠানের মুল পর্ব সমাপ্ত করা হলো।সব আয়োজন শেষ হলেও শেষ হয়নি আফিয়ার মনের আয়োজন।

হটাৎ আফিয়া বলে উঠে,,,,,,,,,,,আব্বু আমি আজ এই অনুষ্ঠানেই একটা খুশির খবর দিতে চাই।যদি আপনি অনুমতি দেন।
সাঈদের বাবাঃ কি খুশির খবর দিবি,তাড়াতাড়ি দে।
আফিয়াঃ আমার কিন্তু কিছু দায়িত্ব আছে আমার ননদীনির উপর।
সাঈদের বাবাঃ হ্যা তা তো আছেই।
আফিয়াঃ আমি সেই দায়ীত্বটাই পালন করবো।
সাঈদঃ হ্যা তা তো করবা।
আফিয়াঃ আব্বা আপনি কি বলেন।
সাঈদের বাবাঃ হ্যা করো।

এদিকে উপস্থিত অতিথিবৃন্দু অধীর আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আফিয়া কথা শোনার জন্য।সাঈদ আর শ্বশুরের অনুমতি পেয়ে আফিয়া বলতে শুরু করে,,,,,,,,,,,,সম্মানীত উপস্থিতি,আপনারা এখানে উপস্থিত হয়েছে শুধু মাত্র বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে,কিন্তু আমি এই অনুষ্ঠানেই একটা বিশেষ ঘোষনা দিতে চাচ্ছি।আর তা হলো আমার একমাত্র ননদিনীর এংগ্রেজমেন্ট এর অনুষ্ঠান আগামী শুক্রবার।

কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই হাতে তালি দিলো।

এরপর সবাইকে খাওয়া দাওয়া করে চলে গেলো।আমি বিদায় নিয়ে চলে আসবো তখন আফিয়া আমাকে নিয়ে ওর ঘরে গেলো। ঘরে গিয়ে দেখি সবাই ওখানে রয়েছে। সাঈদ,সাঈদের বাবা-মা,তাহিয়া সবাই।

আমি যেতেই সাঈদ আমার দিকে তেড়ে এসে আমাকে মারতে গেলো কিন্তু মারলো না।আমি ওকে বলি,,,,,,,,,কি করছো এসব।
সাঈদঃ আমার বোনকে পাড়ানোর নাম করে প্রেমের জালে ফাসিয়েছেন আপনি।
আমিঃ মানে কি বলছো এসব।আমি তোমার বোনকে প্রেমের জালে ফাসিয়েছি মানে।
আফিয়াঃ মানে আমার ননদীনি তোমাকে Love. করে।ওর ফোনের স্ক্রিনে তোমার ছবি ভাসে।

এই বলে আফিয়া তাহিয়ার ফোনটা নিয়ে আমার কাছে দিয়ে দিলো। এটা দেখে আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

তাহিয়া দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। আমি যখন ওর দিকে চোখ গরম করে তাকায় তখন ও পালাতে চাইলে।বুঝলাম ও লজ্জা পেয়েছে।কিন্তু আমি একে কোথাও যেতে দিলাম না।আমি ওকে ধরে ফেলি।আর বলি,,,,,,,,,,,,ছবি স্ক্রিনে সেভ করার সময় এই লজ্জা কোথায় ছিল।আর আমার ছবি কোথায় পেয়েছো।
তাহিয়াঃ একদিন পড়ানোর সময় তুলে ছিলাম।
আমিঃ তার মানে তুমি আমাকে!
তাহিয়াঃ আচ্চা ভাবি তুমি জানলে কিভাবে ওর ছবি আমার ফোনে রয়েছে।
আফিয়াঃ আমরা যখন নিচে বসে গল্প করছিলাম তখন দেখেছিলাম।আচ্চা আব্বা আপনি কিছু বলছেন না কেন।
সাঈদের বাবাঃ কি বলবো।আজ যে আমি বড় অসহায়।ছেলে মেয়ে দুজনই এখন অন্য কারোর হয়ে গেছে।
সাঈদঃ বাবা তুমি ওদের মেনে নিয়েছো।
সাঈদের বাবাঃ হ্যা মেনে নিয়েছি।তাছাড়া কি করবো।
আমিঃ যদি অনুমতি পায় তাহলে একটি কথা বলবো।
সাঈদের বাবাঃ হুম বলো।
আমিঃ আপনি যদি আমাদের মন থেকে মেনে নেন তাহলে আপনি হবেন চার ছেলে মেয়ের পিতা।
সাঈদের বাবাঃ হ্যা তোদের তো আমি মেনে নিয়েছি।তোরা তো আমার ছেলে মেয়ে।

এই বলে আমাদের সবাইকে বুকে টেনে নিলেন। এরপর কিছু সময় গল্প-গুজব করে মেসে চলে আসলাম।পরের দিন আমি আর সাঈদ সোজা আমাদের গ্রামে চলে আসলাম।আব্বা-মা আর ভাই-বোনদেরকে নিতে।একদিন থেকে পরের দিন সবাইকে নিয়ে আবার শহরে চলে আসলাম।

আদছে শুক্রবার আমার আর তাহিয়ার এংগ্রেজমেন্ট।কিন্তু আমার আব্বা মা দুজনেই চাচ্ছে শুক্রবারেই তাহিয়াকে তাদের ঘরের বউ করতে।

এদিকে আমার হবু শশুর আব্বা আমার আব্বা-মার কথা মতো শুক্রবার বিয়ের দিন ঠিক করে সবাইকে দাওয়াত দিতে লাগলো। একমাত্র মেয়ের বিয়ে বলে কথা।দাওয়াত না দিলে কি চলে।

হয়তো আপনারা বিয়ের নিমন্ত্রণ কার্ড পেতে পারেন। আমি বলে দেবো আপনাদেরকেও বিয়ের দাওয়াত দিতে।

সমাপ্ত
আল্লাহ_হাফেজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here