তুমিই_আমার_প্রিয়_নেশা পর্ব:3

তুমিই_আমার_প্রিয়_নেশা
পর্ব:3
Suraiya_Aayat

ক্রশম আয়াশের গরম নিশ্বাসগুলো নূরের পিঠের ওপর এসে পড়ছে ৷ ভোরের ঠান্ডা হাওয়াতে আয়াশের নিশ্বাসের গরম হাওয়া নূরের সমগ্র শরীরে শিহরন বইয়ে দিচ্ছে ৷ আয়াশ নেশাধরা কন্ঠে বলল
” মরতে চাইছিলে আফু সোনা ?”
নূর কিন্তু কিন্তু করে বলল ” কইইই নাআআআ তো ৷ আমি তো এমনিই এলাম ৷”
আয়াশ হঠাৎই অদ্ভুতভাবে বাতাসে ঘ্রান নিয়ে বলল
” আফু সোনা তুমি বড্ড নারভাস ফিল করছো এখন, বড্ড ঘামছে তোমার শরীর , তবে এতো ভয় পাচ্ছো কেন? আমি কি কোন ভ্যম্পায়ার যে এক্ষুনি তোমাকে মেরে ফেলবো ৷” নূরের কপাল বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে, হঠাৎ আয়াশের এমন অদ্ভুত কথা শুনে ওর হৃদস্পন্দন বাড়ছে, শরীর দরদর করে ঘামছে, গলা শুকিয়ে আসছে যেকোনো সময় জ্ঞান হারানোর উপক্রম ৷ আয়াশ নেশালো চাহনিতে নূরের দিকে তাকিয়ে বলল “ভয় পেয়ো না আমি কোন রাক্ষস না আর না আমি কোন ভ্যাম্পায়ার যে তোমাকে শেষ করে দেবো, আই এম দা ডেভিল,ওনলি ডেভিল ৷” কথাটা বলে নূরের গলায় আলতো করে কামড়ে দিতেই নূর দূরে সরে গেল ৷ নূর পিছনে সরে গিয়ে কাঁপাকাঁপা গলায় বলল ” কারনে অকারনে এভাবে ব্যাথা দেন কেন ? আর আপনি সত্যিই একটা ডেভিল যার মনে কোন অনুভূতি নেই ৷ শুধু সব কিছুকে জোর করে পেতে চান, আর সবার থেকে ব্যাতিক্রমী একটা ব্যাক্তিত্ব ৷ আপনি এমন কেন ?” কাঁপা কাঁপা গলায় কোনরুপ সংকোচ ছাড়াই নূর কথাগুলো আয়াশকে বলে ফেলল , মনের মধ্যে ভয়লাগা অনুভূতিটা প্রখর তবুও ওর মনের মাঝে গেঁথে থাকা প্রশ্নের উত্তরগুলোও জানার প্রয়োজন ৷ মানুষটাকে মেনে না নিতে পারলেও একছাদে থাকার জন্য মনের ভয়টাকে কাটানো ভীষনরকমভাবে দরকার ৷ আয়াশ হেসে বলল
” তোমার আর আমার বাকি জীবনের চলার মধ্যে একটা নির্দিষ্ট শব্দ আছে ৷ কি জানতে চাও ?”
নুর ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল ” কিইইই ?”
আয়াশ আচমকাই নূরকে কোলে নিয়ে বলল ” জীবনে যে জিনিসটা অতি সহজে হাসিল করা যাই সেই জিনিস পেয়ে মজা নেয়, এমন অনেক কিছুই করতে হবে যাতে জীবনটা একটা গোলক ধাঁধায় পরিনত হয় ৷ বুঝলে আফু সোনা ?”
নূর আয়াশের শেরওয়ানির কলারটা চেপে ধরে বলল
” এতো রহস্যময় কেন বানাচ্ছেন আমার জীবনটাকে ? আমাকে ভালো থাকতে দিন প্লিজ ৷”
আয়াশ নুরকে কোলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গিয়ে বসিয়ে একটা ধাক্কা মেরে বিছানায় ফেলে দিয়ে নুরকে দুই হাতের মাঝে আবদ্ধ করে নিয়ে বলল ” যতদিন না আমি ভালো থাকতে শিখবো ততদিন তোমাকেও ভালো থাকতে দেবো না আমি ৷”
নূর আর কিছু বলার সাহস পেলো না , চুপটি করে রইলো ৷আয়াশ নুরের দিকে খানিকটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে নূরের কপালে একটা ভালোবাসার পরশ একে বলল ” নেশা , তুমিই আমার নেশা ৷”

____

সকাল 8টা বাজে ৷ আয়াশদের খানদানী পরিবার,ওদের পুরোনো বাসা রাজশাহীতে ,তবে আয়াশের বাবারা অনেক ভাই ছিলেন সেই কারনে সম্পত্তি প্রচুর ভাগে ভাগ হওয়ার দরুন সকলেই আলাদা আলাদা জায়গাতে থাকেন ৷ আয়াশের চাচারা যে পরিমান সম্পত্তি পেয়েছে তা বিক্রি করলেও আয়াশের পর আরো দশটা জেনারেশন বসে বসে খেতে পারবে ৷ আয়াশদের বাড়িটা ছোটোর মধ্যেও সবচেয়ে বড়ো বলতে গেলে ৷ বাড়ির মানুষ বলতে কেবল পাঁচ জন থাকেন ৷ আয়াশ , আয়াশের বড়ো ভাইয়া আহান, আয়াশের বাবা, আয়াশের খালমধি আর তার মেয়ে ৷ আয়াশের বাবার নাম হলো আবরার ইশতিয়াক মহফিজুল ৷ আয়াশের নামটাও এতো বহৎ আকৃতির,আবরার আয়াশ ইহসান ৷খানদানী পরিবারের সূত্রেই আয়াশের পূর্বপুরুষরা এমন নাম ঠিক করে দিয়েছিলেন ৷ নূরের পুরো নাম-
আফসান নূর, যেটাকে আয়াশ ছোট্ট করে ডাকে আফু সোনা আর সেই নামে ডাকার অধিকার হয়তো কেভলমাত্র তারই ৷ নূর আয়াশের সমন্ধে কিছুই জানেনা, আয়াশ নামক মানুষটা ওর কাছে সম্পূর্ণ অজানা, এমনকি মানুষটা কি করে সেটাও নূর জানেনা , শুধু ওর কাছে তার একটাই পরিচয় ” হি ইজ আ ডেভিল অফ হার লাইফ ৷” নূর যতদূর জানে যে আয়াশের বাবা প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল ঘরবন্দি করে রেখেছেন নিজেকে, দরকার ছাড়া কারোর সাথে কথা বলেন না এমনকি খাবার টুকুও নিজের ঘরেই খান আর ছেলেদের সাথে একান্তেই কোন কথা থাকলে ছেলেদেরকে তার রুমের মধ্যে ডাকেন , পুরো বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে তাকে একটি বারের জন্যও দেখা যাইনি ৷ আর এই সব কথাগুলো নূর জানতে পেরেছে সেই মেয়েটার কাছ থেকে যে মেয়েটা আগের রাতে নূরকে আয়াশের গোপন কক্ষের কথা জানিয়েছিলো ৷ মেয়েটার নাম ইফা ৷ মেয়েটার বয়স কতই বা হবে,খুব জোর 17 কিংবা 18, নূরের থেকে খানিকটা ছোট তাই হয়তো নূরকে নির্দ্বিধায় সবটা বলতে পেরেছে ৷ ইফার থেকেই সকাল সকাল এতো সব কথা জানলো ৷ ইফা মেয়েটা সম্পর্কে আয়াশের খালাতো বোন হয়, ইফা আর ওর মা আয়াশের মায়ের মৃত্যুর আগে থেকেই এই বাড়িতে আছেন, ইফা এই বাড়ির মেয়ের মতোই থাকে আর পুরো সংসার ইফার মা অর্থাৎ আয়াশের খালাম্মু নিজের হাতে সামলান ৷ ইফার থেকে নূর এটাও জানলো যে আয়াশের মায়ের মৃত্যুটা একটু অস্বাভাবিক , তা যেন একটু ঘোলাটে অতীত ,যদিও তা নিয়ে এ বাড়িতে আর কোন কথা ওঠেনা, এমনকি আয়াশ বা আহান কেউ ই এ বিষয়ে কোন কথা বলেনা ৷ সকালে ইফা প্লেট ভরে খাবার এনে নুরকে দিয়েছিলো , সেটা দুজন খেতে খেতে গল্প করছিলো , তখন কথার ছলে নূর এতো কিছু জেনেছে ৷ তবে আয়াশ সমন্ধে জানতে গিয়ে নূর সবচেয়ে বেশি অবাক হলো যখন ও জানতে চাইলো আয়াশ কি করে ৷ তখন ইফা মুখের মধ্যে লুচিটা পুরে মুখ নাড়তে নাড়তে অত্যন্ত সাবলীল ভাবেই বলল
” কি আর করবে কিছুই করে না ৷” নূর অবাক হলো, অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো ” কিছু কে না মানে !ভবঘুরে ?” ইফা মুখের লুচিটা শেষ করে বলল ” আরে ভাবী ভাইয়াদের খানদানী পরিবার, প্রচুর সম্পতির মালিক তাই ওদের আর কি চাই !”
ইফার এমন অবুঝের মতো যুক্তিহীন কথা নূরের মোটেই ভালো লাগলো না ৷ প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা নির্দিষ্ট এইম বা গোল তো থাকেই আর সেখানে আয়াশ সে সম্পর্কে উদাসীন, সে কিছুই করে না দেখে নূর কথাটা শুনে বিরক্তবোধ করলো খুব , এটা শোনার পর আয়াশের ব্যাপারে ওর বাকি কথা জানার ইচ্ছাটাই মাটি হয়ে গেল ৷ ওদের খাওয়া প্রায় শেষ ৷ ইফা খাফারের ট্রে টা নিয়ে রুমের বাইরের দিকে যেতে যেতে বলল ” ভাবী তোমাদের আর কোন অনুষ্ঠান হবে না বিয়ের , মানে তোমার বাবাই না করে দিয়েছেন, করলেও তারা নাকি আসতে পারবে না তাই তোমাদের বৌভাতের অনুষ্ঠানটাও হবে না ৷” ইফার মুখ থেকে কথাটা শুনতেই নূর হাফ ছেড়ে বাঁচলো ৷ সত্তিই তো, বিয়ে মানে আলাদা রকমের একটা দুশ্চিন্তা ৷ চারিদেকে মানুষজন গিজগিজ করে, হইহুল্লোড়, আওয়াজ, চেঁচামেচি , গান, লাইট আর ক্যামেরার অসহ্যকর আলো , সবকিছুতে প্রত্যেক নব বধূর মুখে এক বিরক্তি ফুঁটে ওঠে, কিন্তু নূর সেই সব বিরক্তি থেকে আপাতত মুক্ত ৷ দিন যত বাড়বে আত্মীয় স্বজন তত কতমে আর ততই নূরের মনের ভারটা কমবে ৷ নূরের মা মারা যাওয়ার পর থেকেই নূর একা একা থাকে ৷ ওর মা মারা গেছেন তাও সাড়ে চার বছর হতে চলল, এই কয়েক বছরে ও ওর পাশে কাউকে পাইনি যে ওর মনের কথাটা বুঝবে বা ওকে সাহস যোগাবে ৷ সমবয়সীদের মধ্যে একজন ছিলো মায়া যে কিনা নূরকে দুচোখে সহ্য করতে পারে না, যার কারন নূর জানে না তবুও মাঝে মাঝে মায়াকে জিজ্ঞাসা করছে ইচ্ছ করে কারনটা , কিন্তু কখনো সাহস করে করেনা কারন মানুষের কাজের থেকেও মানুষ কথার মাধ্যমে আঘাত বেশি করে আর সেই আঘাত সহ্য করা কখনো কখনো খুব কঠিন হয়ে পড়ে , তাই নূর কখনো জানতে চাইনি, যদি মায়া ওর কথার মাধ্যমে ওকে আঘাত করে !কথাগুলো ভাবতে ভাবতে নূর পুরো ঘরটা একবার তাকিয়ে দেখলো, ঘরটা একদমই স্বাভাবিক,দেখে কেউ বলবে না এখানে কোন গোপন কক্ষ আছে ৷ মাঝে মাঝে তো নুর ভাবছে যে ইফা মেয়েটা হয়তো ভুল বলেছে কিন্তু আয়াশের ব্যাক্তিত্বটা যেমন রহস্যময় তেমন এরকম ঘরের মধ্যে একটা গোপন কক্ষ কেন পাঁচটা গোপন কক্ষ থাকাও অসম্ভব কিছু না ৷

___

রকিং চেয়ারে বসে দুলছে নূরের বাবা আরাফাত সাহেব, কপালে চিন্তার ভাজ ৷ সামনে টেবিলে রাখা আদা দিয়ে বানানো রঙ চা তে চুমুক দিয়ে পুনরায় দুলতে লাগলেন ৷ নূরের ভাই রেদোয়ান খানিকটা গম্ভীর সুরে বললেন ” তোমার সাথে আমি কিন্তু একমত হতে পারছি না বাবা, তুমি ওদেরকে বৌভাতের অনুষ্ঠান করতে মানা করে ঠিক করোনি ৷ ওরা না হয় আমাদের এখানে এসেছে, আমাদেরকে চেনে জানে, কিন্তু আমরা কি ওদের ঠিক করে চিনি বলো ?আহান বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলো আর তুমিও এক কথাতে রাজি হয়ে গেলে, একবার ও জানতেও চাইলে না যে ওরা কেমন, কি ওদের বংশ পরিচয় , ওদের ব্যাবহার কেমন !”

আরাফাত সাহেব কপালের ভাজ গুলোকে আরো কুঞ্চিত করে বললেন ” খানদানী পরিবার, আর সেই পরিবারের বড় ছেলে আহান, এর থেকে আর বেশি কিছু শোনার প্রয়োজন ? আমি বারবার না করেছিলাম ওর ছোটভাই আয়াশের সাথে বিয়ে না দিতে কিন্তু তোরা আমার কথা কেউ শুনিসনি ৷ ”
তখনই মায়া এসে সোফাতে রেদোয়ানের পাশে বসে বলল ” বাবা আপনি কি আমাদেরকে বিশ্বাস করেননা বলুন তো , আমরা কি নূরের ক্ষতি চাইবো কখনো ! এই আপনার ধারনা ?”
উনি চুপ করে রইলেন, মায়া ওনাদের পরিবারের হবু বউ তাই সে দোষ করলেও আপতত মুখ বুজে মেনে নিতে হবে এমন নিতীই মেনে চলেন আরাফাত সাহেব , তাই চুপ করে রইলেন ৷ ওনার এই নিরবতার সুযোগ নিয়ে মায়া বলল ” চিন্তা করবেন না নূর ভালো থাকবে ৷ আর নূরের বিয়েটা তো হলো এবার আমাদের বিয়েটা,,,,,”
কথাটা বলতে না বলতেই রেদোয়ান মায়াকে থামিয়ে দিয়ে বলল ” আহহ মায়া তুমি একটু থামবে, আমাকে বলতে দাও ৷ বাবা তুমি ভুল করেছো এটা কিন্তু মানতেই হবে ৷ আমাদেরও তো ওদের কে জানার প্রয়োজন ৷”
আরাফাত সাহেব এবার রেগে গেলেন , গিয়ে বললেন
” তুই কথাগুলো আমাকে এমন ভাবে শোনাচ্ছিস যেন তারা আমার পূর্ব পরিচিত , গভীর সম্পর্ক ছিলো আমার তাদের সাথে, আমি যেন তাদের ব্যাপারে সব জানি তাই আমার জানার কোন প্রয়োজন নেই ৷ এমনট নয় , তুইও যেখানে আমিও সেখানে তাই আমার ভুল ধরতে আসিস না , আমার যা ঠিক মনে হয়েছে আমি করেছি ৷” ওনার উচস্বরের কথাগুলো রেদোয়ানের সহ্য হলো না , সে রাগ করে সেখান থেকে উঠে চলে গেল ৷

____

শাওয়ার নিয়ে বেরিয়ে এলো নূর ৷ আয়নার সামনে দাঁড়াতেই চোখ গেল আয়াশের দিকে, তাকে আয়নাতে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট ভাবে ৷ নূর আয়াশের থেকে দ্রুত চোখ নামিয়ে নিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেওয়ার চৈষ্টা করলেও আবার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটলো ৷ আয়াশ ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছে ৷ নূরের অসস্ত্তির সাথে চঞ্চলাতার মাত্রাও বেড়ে গেল ‌৷ না চাইতেও ওর করা ঠিকঠাক কাজ গুলোও উল্টোপাল্টা হয়ে যাচ্ছে ৷ আয়াশ এতখন দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে নূরের দিকে তাকিয়ে ছিলো অপলক ৷ নূরের এমন চঞ্চলতা দেখে আয়াশ ধীর পায়ে এগিয়ে এসে নূরের পিছনে এসে দাঁড়ালো ৷ আয়াশ নূরের থেকে অনেকটাই লম্বা, নূর আয়াশের কাধের নীচ বরাবর ৷ আয়াশ নূরের কাঁধ থেকে ভিজে চুলগুলো সরিয়ে সেখানে ওর ঠোঁট ছোঁয়াতেই নূর কেঁপে উঠলো ৷ আয়াশের কাছ থেকে পালাতে গেলেই আয়াশ ওর দুহাত দিয়ে নুরকে বন্দী করে নিলো ৷ আয়াশের গরম নিশ্বাস নূরের মুখে ছড়িয়ে যাচ্ছে ৷ আয়াশ নুরের হাত ধরে ওর কাছে নিয়ে এসে ওর শরীরের সাথে মিশিয়ে নিলো , ওদের মাঝের দূরত্বটা নেই বললেই চলে ৷ হঠাৎ একটা বিদঘুটে ঘ্রান পেয়ে নূর আয়াশের বাঁধন ছাড়িয়ে দূরে সরে এলো , সরে এসে নাক মুখ কুঁচকে বলল ” উহুমমম, ফর্মালিন ৷ আপনার শরীর থেকে ফর্মালিনের ঘ্রান আসছে , প্লিজ সরে যান, এই গন্ধ আমার সহ্য হয় না ৷”
আয়াশ ওর মাথার কোঁকড়ানো চুলগুলোকে আলতো করে স্পর্শ করে বলল ” আগে যদি জানতাম যে ফর্মালিন তোমার এতো অপছন্দের তাহলে আগে একটা ফর্মালিন দিয়ে পারফিউম বানিয়ে ফেলতাম কারন তাতে তুমি বিরক্ত হতে , তুমি অসস্তি ফিল করতে আর আমার ডেভিলনেসটা তোমার চোখে পড়তো ৷” কথাটা বলে নূরের দিকে চোখ টিপ মেরে আয়াশ ওয়াশরুমে ঢুকে গেল ৷
নূরের মুখ থেকে একটাই শব্দ বেরিয়ে এলো ” অদ্ভুত !”

চলবে,,,,

এটা একটা উপন্যাস হবে ৷ আমি থিম ও সাজিয়ে ফেলেছি , পুরোটা একটা রহস্যকে কেন্দ্র করে আর সাথে আয়াশ তো আছে উইথ রোমান্টিকতা ৷ যাই হোক কেমন লাগলো জানাবেন ৷ ধৌর্য হারাবেন না দয়া করে ‌, অনুরোধ রইলো ৷ ধন্যবাদ ৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here