এক_পূর্ণিমা_সন্ধ্যায়,পর্ব_৮

এক_পূর্ণিমা_সন্ধ্যায়,পর্ব_৮
নিশাত_জাহান_নিশি

“আগে তো এমন ছিলে না তুমি! ইদানিং কি এদের সাথে চলাফেরা করে স্বভাব পাল্টেছ?”

মুহূর্তের মধ্যেই যেন নিয়াজ, আহির এবং রুহাজের হাসির রেশ কমে মুখটা একটুটুটুখানি হয়ে গেল! ভীষণ অপরাধবোধ কাজ করতে লাগল তাদের মধ্যে। রুহাজ তো মোটেও নিশ্চুপ থেকে অপমান সহ্য করতে পারছিল না! তাই বিক্ষুব্ধ হয়ে ঐথির দিকে কড়া গলায় প্রশ্ন ছুড়ে বলল,,

“কি বললে তুমি? আমাদের সাথে চলাফেরা করে অনলের স্বভাব পাল্টেছে?”

ঐথি ভাবশূন্য হয়ে স্বাভাবিক গলায় বলল,,

“কেন নয়? আপনারা যেমন হাড় কিপ্টে মানুষ, দু’বছরে তেমনি অনলকেও হাড় কিপ্টেই বানিয়ে ছেড়েছেন! অনলের সাথে তো আমার আজকাল কার বন্ধুত্ব না, তাই না? দীর্ঘ অনেক বছরের বন্ধুত্ব আমাদের! তো সেই বন্ধুত্বের জায়গা থেকেই অনলের স্বভাব সম্পর্কে আমার একটু হলেও ধারণা আছে!”

রাগে ফোঁস করে উঠল নিয়াজ, আহির এবং রুহাজ! তিনজন তিনজনের মুখ দেখাদেখি করতে ব্যস্ত! নিয়াজ হঠাৎ মুখ ফসকে ঐথির দিকে প্রশ্ন ছুড়ে বলল,,

“এতোই যেহেতু চিনো অনলকে, তাহলে ছেড়ে গিয়েছিলে কেন দীর্ঘ দু’বছর আগে? কেন অহেতুক ভুল বুঝাবুঝিকে নিজেদের মধ্যখানে প্রশ্রয় দিয়েছিলে? তখন একবারও মনে হয় নি? অনলের স্বভাব-চরিত্র কতটা খাঁটি? বা কতটা পরিচিত তুমি তার স্বভাব-চরিত্রে সাথে?”

ঐথি নিরুত্তর! মিনিট কয়েক নিশ্চুপ থেকে হঠাৎ ম্লান হেসে প্রত্যত্তুরে নিয়াজকে বলল,,

“খুব সেনসিটিভ একটা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আপনি। যাই হোক, বিষয়টা তাহলে এবার আপনার কাছে খোলসা করেই বলি।”

তব্ধ শ্বাস ছেড়ে ঐথি পুনরায় বলল,,

“দেখুন নিয়াজ ভাই, আমি একজন মেয়ে হয়ে কখনও মনে করি না যে, একটি মেয়ে তার নিজের জায়গায় অন্য একটি মেয়েকে সহ্য করতে পারবে বলে! তার ভালোবাসার মানুষটিকে বা ঐ মানুষটির প্রতি তৈরী হওয়া অধিকার বোধের জায়গাটুকুকে অতি অনায়াসেই অন্য একটি মেয়ের কাছে সমর্পণ করতে পারবে বলে! হোক সেটা ঐ মেয়েটির বেহায়াপনা, অনধিকারচর্চা বা অন্য কারোর মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি তৈরী করা! অনল কখনও এইটা অস্বীকার করতে পারবে না যে, ইফাকে অনল পছন্দ করে নি বা ভালোবাসে নি! একটা সময় অনল ইফার জন্য পাগল প্রায় ছিল! আমার স্বচক্ষে দেখা এসব! হঠাৎ করেই যদি সেই কাঙ্ক্ষিত মেয়েটি অনলের লাইফে ফিরে আসতে চায়, তাকে ভালোবাসতে চায়, বিয়ে করতে চায়, তাহলে কি অনলের মনে সেই মেয়েটির জন্য সামান্য সহানুভূতিটুকুও জন্ম নিবে না? সেই পুরনো আবেগ, ভালোবাসা, পাগলামো ধরা দিবে না? ঐ জায়গায় দাঁড়িয়ে আমি অন্তত মনে করেছিলাম যে, “হ্যাঁ! পুরনো ভালোবাসা নতুনভাবে জন্ম নেওয়াটাই স্বাভাবিক। যেহেতু অনল পুরোপুরি সৎ ছিল ইফাকে নিয়ে।” আমি অন্তত পারি না অতিরিক্ত কেউ হয়ে তাদের মাঝখানে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়াতে। তাদের মাঝখানে বাঁধা হয়ে থাকতে। তাই আমি ঐদিন ছেড়ে এসেছিলাম অনলকে! তার শহরের সমস্ত মায়া কাটিয়ে ছেড়ে ছুড়ে এসেছিলাম তাকে! তখন নিজের সমস্ত অনুভূতিদ্বয়কে মাটি চাঁপা দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না আমার। অভিমানের পাহাড় তখন পিছু ফিরে তাকানোর ও সমস্ত পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিল! হঠাৎ করেই আবার অনল আমার জীবনে ফিরে এলো। যদিও সম্পূর্ণটা জোরপূর্বক ভাবে, তবুও আমি তাকে মেনে নিয়েছিলাম, তার ভালোবাসাকে গ্রহণ করে নিয়েছিলাম। কিন্তু লাভ কি হলো তাতে? সেই তো আবার নিয়তি আমাদের নিয়ে অদ্ভুত খেলায় মেতে উঠল। বিয়ের আগের দিন সমস্ত গুটি পাল্টে দিল!”

ঐথির গলা ধরে আসতেই নিয়াজ অপরাধী দৃষ্টিতে ঐথির দিকে তাকাল। আহির এবং রুহাজ মাথা নুঁইয়ে নিল। পাশ থেকে অনল হেয় হাসল! বিদ্রুপাত্নক গলায় ঐথিকে শুধিয়ে বলল,,

“তোমরা সবাই খুব ঠুনকো ভেবেছিলে আমার অনুভূতিকে তাই না? ভেবেছিলে একটু সহানুভূতি পেলেই হয়তো অনল গলে যাবে? ভালোবাসায় অতি কাতর সে! তাই তাকে যেকোন ভাবেই বশ করা যাবে? যে যখন যেভাবে পারবে ঠিক সেভাবেই অনলকে ব্যবহার করতে পারবে? তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করতে পারবে? তাই তো? তাই ভেবে আসছিলে তোমরা সবাই?”

আচম্বিতে অনল রেগে উঠল! তীক্ষ্ণ গলায় ঐথিকে শাসিয়ে বলল,,

“তোমার বা তোমাদের কোনো রাইটস নেই, আমার অনুভূতি নিয়ে খেলা করার। নিজেদের এক পাক্ষিক মতামত আমার উপরে চাঁপিয়ে দেওয়ার। হ্যাঁ, আমি অস্বীকার করি নি যে, ইফাকে আমি একটা সময় পছন্দ করি নি! পছন্দ করতাম আমি ইফাকে। তবে ভালোবাসাটা কখনও তৈরি হয়ে উঠে নি! ইফা শুধুই আমার এটরেকশান ছিল আমার ভালো লাগা ছিল। যার ভালো লাগায় শুধু মুগ্ধ হওয়া যায়। অবিলম্বে তার জন্য বুকের বাঁ পাশটা বরাদ্দ করা যায় না! যখন আমি হুট করেই জানতে পারলাম ইফার সম্পর্ক আছে রাফিন ভাইয়ার সাথে ঠিক তখনই আমি ইফার ভালো লাগার মোহ থেকে দূরে সরে আসি। একটু একটু করে তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করি! দীর্ঘ একটা সময় পরে আমি পেরে ও ছিলাম তা! বছর খানিক পর আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি ইফাকে নয়, তোমাকে ভালোবাসতে শুরু করেছি ঐথি। খুব গভীর ভাবে ভালোবাসতে শুরু করেছি। সর্বক্ষণ তুমি আমার ধ্যান, জ্ঞান জুড়ে বিচরণ করতে শুরু করলে! আমার খাওয়া, দাওয়া, ঘুম, নিদ্রা সব বিসর্জন হতে শুরু করল। সবসময় তোমার সঙ্গ চাইত। ভীষণভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম আমি তোমার প্রতি। একটা দিন তোমায় না দেখলে আমার পুরো দিনটাই যেন বৃথা মনে হতো! তখনই আমি ভালো লাগা এবং ভালোবাসার মধ্যে ফারাক বুঝতে পেরেছিলাম। কোনো না কোনো ভাবে আমিও বুঝতে পেরেছিলাম, তুমিও আমায় ভালোবাসতে শুরু করেছ! হঠাৎ এর মধ্যেই ইফা চলে এলো আমাদের মাঝখানে। আমাদের সম্পর্কটা ভাসিয়ে দিয়ে গেল অনেকটা দূরে। আমি খোলসা ভাবে তোমাকে কিছু বলার পূর্বেই তুমি এক রাশ অভিমান নিয়ে দূরে সরে গেলে। একবারও জানতে চাইলে না আমি কি চাই, কাকে চাই, সত্যিকার অর্থে আমি কাকে ভালোবেসেছিলাম!”

আঁখিপল্লবে ধারণকৃত একরাশ বেদনার জল সমেত অনল খাবার টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়াল! অশ্রুসিক্ত গলায় ঐথিকে বলল,,

“মানুষ যখন তার বাড়িতে হাতে গোনা মাত্র দু, এক সপ্তাহের মত একটি পোষা কুকুর লালন করে না? তখন কিন্তু ঐ পোষা কুকুরটির প্রতি তাদের ও অদৃশ্য এক মায়া পড়ে যায়। কিছুতেই ঐ পোষা কুকুরটি ছাড়া তাদের এক মুহূর্ত চলে না। অথচ তোমার সাথে আমার বন্ধুত্বের সম্পর্কটা ছিল দীর্ঘ অনেক গুলো বছরের! আফসোস! দীর্ঘ এতগুলো বছরেও আমার প্রতি তোমার কোনো মায়াবোধ জন্ম নেয় নি! ঠিক পেরেছিলে তখন আমায় ছেড়ে যেতে, আমার প্রতি তৈরি হওয়া ভালোবাসাকে অস্বীকার করতে!”

হনহন করে হোটেল থেকে বেরিয়ে গেল অনল! ভাষাহীন যন্ত্রণায় তার ভেতরটা পাথর হয়ে আছে! ঐথির বেদনাতুর দৃষ্টি অনলের যাওয়ার পথে সীমাবদ্ধ। দু’চোখে অশ্রুর ঘনঘটা। নিয়াজ, রুহাজ এবং আহির খাবার ছেড়ে এবার উঠে দাঁড়াল। হাত পরিষ্কার করে তারা ঐথির পাশাপাশি দাঁড়াল। নিয়াজ হঠাৎ নিচু গলায় ঐথিকে বলল,,

“মিটিয়ে নাও সব রাগ, অভিমান। এভাবে আর কতদিন বলো? অনল সত্যিই তোমায় খুব ভালোবাসে ঐথি। এই দু’বছরে আমরা ও হারে হারে তার প্রমাণ পেয়েছি!”

বসা থেকে উঠে দাঁড়াল ঐথি। কর্মচারী ও এতক্ষণে এক এক করে টেবিলে খাবার পরিবেশন করতে শুরু করল। ঐথি উদ্বেগি গলায় তাদের তিনজনকে উদ্দেশ্য করে বলল,,

“আমি অনলকে নিয়ে আসছি। আপনারা একটু এখানেই দাঁড়ান!”

তিনজনই হ্যাঁ সূচক সম্মতি জানাল। ঐথি ছুটে চলল অনলের অভিমান ভাংগাতে! এক ছুটে ঐথি অনলের কামরার মুখোমুখি হয়ে দাঁড়াল। রুদ্ধ শ্বাস ছেড়ে বদ্ধ দরজায় প্রায় দু-তিন বার করাঘাত করতেই অনল কামরার ভেতর থেকে রাগী গলায় বলল,,

“কে?”

ঐথি অস্থির গলায় বলল,,

“আমি অনল। দরজাটা খোল।”

অনল ক্ষুব্ধ গলায় প্রশ্ন ছুড়ে বলল,,

“কেন এসেছ? কি চাই তোমার?”

“উফফফ! কি চাই আবার? তোমাকে চাই!”

তেড়েফুঁড়ে এলো অনল! দরজার খিল খোলা মাত্রই ঐথি বত্রিশ কপাটি দেখিয়ে হেসে দিল! এতেও যেন অনলের রাগ দমবার নয়। তেজস্বী গলায় ঐথির দিকে প্রশ্ন ছুড়ে বলল,,

“আমাকে চাই মানে? চাওয়ার মতো কি আছে আমার মধ্যে?”

ফ্যালফ্যাল চাহনিতে ঐথি তার ডান হাতের তর্জনী আংগুল দ্বারা অনলের বুকের বাঁ পাশে আংগুল ঠেকিয়ে বলল,,

“এই যে! এই বাঁ পাশটাকে চাই আমার!”

অনল কিছুক্ষণ লৌহ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল! ঐথির মায়াভরা এবং অসহায়ত্বে ভরা আঁখিযুগল যেন মুহূর্তের মধ্যেই অনলের সমস্ত রাগকে গলিয়ে শিথিল করে দিল! ফটাফট অনল ক্রোধান্বিত চক্ষু জোড়া সংযত করে নিল। নমনীয় ভঙ্গিতে ঐথির তাক করে রাখা তর্জনী আংগুলটা খপ করে হাতে পুড়ে নিল। অতঃপর ঐথির দিকে প্রেমময়ী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল,,

“জন্ম জন্মান্তর ধরেই বুকের এই বাঁ পাশটা তোমার নামে বরাদ্দ করা। বলে কয়ে এই অংশটা চাইতে হবে না তোমার। সমস্ত পৃথিবী লন্ডভন্ড করে হলেও তোমাকেই আমার চাই। আমার এই হৃদয়ের- হৃদয়াক্ষীকে চাই!”

“তাহলে এত রাগ দেখালে কেন? খাবার ছেড়ে উঠে এলে কেন?”

“কষ্ট হচ্ছিল তাই! কষ্ট কখনও রাগবোধকে দমাতে পারে না। কষ্ট থেকেই বোধ হয় রাগের উৎপত্তি হয়!”

“অনেক হয়েছে রাগ, অভিমান। এবার খাবে চলো!”

অনলের হাত ধরে হোটেলের দিকে মোড় নিলো ঐথি। মিনিট কয়েক বাদে হোটেলে প্রবেশ করে খাবার টেবিলে বসতেই অনলের চক্ষু জোড়া চড়কগাছ হয়ে উঠল! পাঁচ পাঁচ পদের খাবার দেখে অনলের কিপ্টে স্বভাব যেন মুহূর্তের মধ্যেই জাগ্রত হয়ে উঠল! পাশের টেবিল থেকে নিয়াজ, আহির এবং রুহাজ অনলের ধরাসই অবস্থা দেখে মিটিমিটি করে হাসতে লাগল! অপরদিকে, অনলের মাথায় এখনও হাত! পারিপার্শ্বিক কোনো বিরূপ পরিস্থিতিই তাকে কিপ্টেমো স্বভাব থেকে দূরে রাখতে পারছে না! টাকা খসে যাওয়ার দুঃখে যেন তার বর্তমান অবস্থা অসহনীয়! অনলের এই অসহনশীল অবস্থা দেখে ঐথি ভীষণ রেগে উঠল। অনলের দিকে আরও একটু ঝুঁকে এসে দাঁতে দাঁত চেপে কঠিন এক প্রশ্ন ছুড়ে বলল,,

“আমার চেয়েও কি টাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ? মানে, আমার ক্ষুধা নিবারনের চেয়েও তোমার টাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ?”

“আরে ভাই, এখানে টাকা কোনো প্রশ্নই না। প্রশ্ন হলো খাবার নষ্ট করার। তুমি পারবে একসাথে এত আইটেম খাবার খেতে?”

“আমি পারব না তো কি হয়েছে? তুমি এবং তোমার বন্ধুরা তো আছে! তোমরা সবাই মিলে খাব!”

অনল অধৈর্য্য গলায় বলল,,

“ওরা একটু আগেই খেয়েছে ঐথি। এখন কিভাবে আবার এত খাবার খাবে?”

অনলের করা অভিব্যক্তি শেষ হতে না হতেই নিয়াজ, আহির এবং রুহাজ ধপাধপ বসা থেকে উঠে অনলের পাশের চেয়ার গুলো দখল করে বসল। শার্টের হাতা ফোল্ড করতে করতে সমস্বরে বলল,,

“ধ্যাত! এ আবার কোনো ব্যাপার হলো? একবার খেয়েছি তো কি হয়েছে? আবার খাব! প্রথমবার তো কিপ্টেমি করে খেয়েছি, এবার ইচ্ছে মতো খাব!”

কব্জি ডুবিয়ে আবারও তিনজন খেতে আরম্ভ করল। ভাতের প্লেট ছেড়ে তারা তরকারি খেতে ব্যস্ত! অনল রাগে ফুসছে! ঐথি তাদের অবস্থা দেখে হু হা শব্দে হাসছে!

,
,

রাত ৮ টা বেজে ১০ মিনিট বাজছে ঘড়িতে। অনলের কামরায় মিস্টার শিমুল হককে চতুর্পাশ থেকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে নিয়াজ, আহির, রুহাজ, অনল এবং ঐথি! শিমুল হকের দূরদৃষ্টি ঐথির অস্থির দৃষ্টিতে সীমাবদ্ধ। পাশ থেকে অনল ঐথিকে শান্তনার স্বরে বার বার বলছে সাহস রাখতে, অযথা ভয় না পেতে, শিমুল হককে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবুও যেন ঐথির ভয়ার্ত ভাব কমছে না। কেমন যেন আড়ষ্ট হয়ে আছে৷ ঐথির এহেন ভয়াতুর ভাবভঙ্গি দেখে মিস্টার শিমুল হক স্মিত হেসে ঐথির দিকে প্রশ্ন ছুড়ে বললেন,,

“কি হলো ঐথি? আমাকে এত ভয় পাওয়ার কি আছে? মানে, তোমার কি কোনো ভাবে মনে হয়? আমি মৃদুল কিংবা হায়দার সাহেবের লোক?”

#চলবে…?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here